বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯
Thursday, 30 May, 2019 12:20:36 am
No icon No icon No icon

দক্ষিণখানে পুলিশের সোর্স এর সহযোগীতায় সাংবাদিককে হয়রানি

//

দক্ষিণখানে পুলিশের সোর্স এর সহযোগীতায় সাংবাদিককে হয়রানি


শামীম চৌধুরী, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: রাজধানির উত্তর সিটি কর্পোশনের আওতাধীন দক্ষিণখান থানাধীন কষাইবাড়ি এলাকায় পুলিশের ইনফর্মাররে ইশারায় পুলিশ দেহ তল্লাশি করে সাংবাদিকে। গতকাল ২৪ মে আনুমানিক বেলা ১ টার দিকে সাংবাদিক তার কর্তব্যরত দায়িত্ব পালনের সময় উত্তরা থেকে বাসায় ফেরার পথে কষাইবাড়ি আমির হোটেলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের একটা পুলিশের টহল গাড়ি দেখা যায় এবং সেই সময় এএসআই আনোয়ারুল ইসলাম এসআই সুজরে বাইকে বসে সোস্যাল মিডিয়া দেখছেছিলেন এমন সময় পাশে থাকা পুলিশের সোর্স ইশারা দিলে তখন  এএসআই আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকে পিছন থেকে ডাক দেন এবং গতিবিধি রোধ করে তার পরিচয় জানতে চাইলেন এবং বলেন কোথায় গিয়ে ছিলেন, এএসআই আরো বলেন তিনি নিজে যখন সিভিল পোষাকে থাকবেন তখন তাকেও পুলিশ চেক করতে পারে এই বলেন ,গতিবিধি রোধ করা ঐ ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে সাংবাদিক আরিফ হাসান (দৈনিক দিনের আলো, www.sabujbangla24.com)পরিচয় দিলেও তার দেহ তল্লাসি করে এবং তার ২ টি মোবাইল তারই সোর্সে কাছে দিয়ে দেয় কথা বলে। পুলিশ সাংবাদিকের দেহ তল্লাশি করার সময় সাংবাদিক বলেন আমরা কেউ আইনের উদ্ধে নয় আপনি পুলিশ তাই পুলিশের কাজ করবেন তাতে সমস্যা কি ? এর পরে তিনি তার মানিব্যাগের সব কিছু পর্যবেক্ষণ করেন সাংবাদিকের কাছে কোন মাদক আছে কিনা  এর পরে তার কাছে থাকা ২ টাকার নোট নাকে শুখে দেখেন,মোবাইলের ব্যাটারি  খুলে দেখে মাদক আছে কিনা। সে সময় আশপাশ এলাকার লোকজন ভিড় করে দাঁড়িয়ে দেখলে তখন এএসআই আনোয়ারুল সবাইকে বলেন কি দেখছেন আপনারা চলে যান। তখন সাংবাদিক তাকে বলেন আপনি কি নতুন এসেছেন দক্ষিণখান থানায় আমাকে আগে দেখেননি ? তখন তিনি বলে আমি আজ ৩ বছর দক্ষিণখান থানায় আছি ? এর পরে সাংবাদিক এএসআই আনোয়ারুলকে বলে আপনাদের থানার এএসআই দুলাল,এসআই সুজন,সাবেক দক্ষিণখান থানার এসআই হরিগোপাল সবাই তো আমার পরিচিতো তখন ঐ পুলিশের এএসআই আনোয়ারুল বলে সুজন স্যারকে কল দেন তখন সাংবাদিক সঙ্গে সঙ্গে এস আই সুজনকে কল দিয়ে এবং এসআই সুজন মোবাইলে তাঁকে বলে ঐ পুলিশের এএসআইকে আপনি আপনার তল্লাসি করবেন তাতে আমাকে কল দেওয়ার কি দরকার এর পরে এএসআই আনোয়ারুল হরিগোপালকে কল দিতে বলেন সাংবাদিককে তখন সাংবাদিক সাবেক দক্ষিণখান থানার বর্তমান তুরাগ থানার এসআই হরিগোপালকে কল দেন এবং মোবাইলটি আনোয়ারুলকে কল ধরায় দেন এবং এসআই হরিগোপাল বলে সাংবাদিক আরিফ হাসান দেখতে একটু স্বাস্থখারাব কিন্তু তিনি পরিচিত। মোবাইলে এসআই হরিগোপাল সঙ্গে আনোয়ারুলে কথা শেষে  তিনি বলেন আপনার বাসা কোথায় আর আপনার ফোন নাম্বরটা দেন। এর পরে ঐ আনোয়ারুল সাংবাদিকের দেহ তল্লাসি করে কিছু না পেয়ে তিনি বলেন আপনাকে ছেড়ে দিলাম,আর সে সময় ঐ এএসআই আনোয়ারুল  ইসলাম সাংবাদিককে একটা গল্প বলেন,একদিন দক্ষিণখানে এক মাদক ব্যবসায়ির কাছে ২০ পিচ মাল আছে(ইয়াবা) এ তথ্য পেয়ে ঐ মাদক ব্যবসায়ির কাছে যেয়ে তাকে যখন আটক করতে যাই তখন ঐ মাদক ব্যবসায়ি নাকি বলে আমার ইজ্জত মেরেন না আমার কাছে ২০ পিচ মাল আছে আমি আমারমটর সাইকেল টান দিয়ে সামনে যাচ্ছি আপনি আমার পিছনে আপনার মটর সাইকেল নিয়ে আসেন ? তাহলে কি বোঝায় ঐ এএসআইকি দক্ষিণখানে মাদক ব্যবসায়িদের শেলটার দেন ? তিনি কি তার পুলিশের পোষাকের দাপট দেখান ? আর সন্দেহমূলক সাধারন মানুষকে হয়রানি করাই কি তার কাজ ? এমনকি জাতির বিবেক সংবাদিকও তার কাছে বাদ পড়ে না। অনেক প্রশ্ন তার কাছে। এবং সেই সাথে কিছু লেবাজ ধারি (হলুদ),অশিক্ষিত মুখোশ ধারি সাংবাদিকদের কারনে আজ প্রকৃত সাংবাদিকরা থানায় তথ্যের জন্য গেলে হতে হয় হয়রানি না হয় নির্যাতর্নে শিকার হতে হয়।দেখেন দেখেন শিক্ষিত সমাজ ঘুরে দেখেন প্রকৃত মাদক ব্যবসায়িরা এধরনে অসৎ পুলিশ অফিসারদের ধরাছোয়র বাহিরে ।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK