শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
Saturday, 02 Nov, 2019 06:45:24 pm
No icon No icon No icon

প্রতিশ্রুতিশীল ত্যাগী নেতৃত্ব চায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ

//

প্রতিশ্রুতিশীল ত্যাগী নেতৃত্ব চায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ

টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা : দীর্ঘ বিরতির পর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কমিটির তৃতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ১১ ও ১২ নভেম্বর রাজধানীর দুটি অডিটরিয়ামে হবে ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণের সম্মেলন। ইতি মধ্যে সম্মেলন প্রস্তুুতি কমিটির নেতৃত্বে জোর গতিতে এগিয়ে চলছে সম্মেলনের প্রস্তুতি। নির্মল রঞ্জন গুহের নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে ১৩টি সব কমিটি। ক্যাসিনো কান্ডে নাম জড়িয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল¬া মোহাম্মদ আবু কাওছার নিজে বিব্রত হওয়ার পাশাপাশি বিব্রত করেছেন পরিচ্ছন সহযোগী সংগঠন খ্যাত স্বেচ্ছাসেবক লীগকে। আর সভাপতিকে হারিয়ে সম্মেলনের কার্যক্রমে ছন্দ হারানো সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথকেও সম্মেলন থেকে বিরত রাখা হয়।
সর্বশেষ ২০১২ সালে মোল¬া মো. আবু কাওছারকে সভাপতি এবং পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি হয়েছিল। সেবা, শান্তি আর প্রগতির মন্ত্রে দীক্ষিত এই সংগঠনটির শুরুর দিকের নেতারা কয়েকজন এখন মূল দল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। মূল দলে জায়গা না হওয়ায় অনেকেই থিতু হয়ে আছেন মহানগর,জেলা আর উপজেলা কমিটিতে। এমপির হয়েছেন প্রায় অর্ধ ডজন নেতা। প্রয় দেড় দশকের পুরনো এই সংগঠনে এখন তৈরি হয়েছে বহু নেতৃত্ব। পুর্নবাসন কেন্দ্র হলেও সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্য থেকে পরিচ্ছন রাজনীতির নীতিতে বিশ্বাসীরা অনেকেই আছেন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাথে। মেধাবী প্রতিশ্রুতিশীল সেসব তরুণদের নিয়ে আগামী দিনে স্বেচ্ছাসেবকলীগ ফের চাঙ্গা হবে সারা দেশে এমনটা প্রত্যাশা করেন তারা। ত্যাগী আর সময়ের পরীক্ষায় উর্ত্তিণ সাবেক ছাত্র নেতারা বলছেন, বহুদিন তারা হাল ছেড়ে দিয়েছিরেন। বহুদিন গন্তব্যহীন রাজনীতির পথে হাটতে হাটতে ক্লান্ত এই পথিকরা। ক্লান্তি না ফুরাতেই তাদের জন্য আশার বার্তা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। রাজনীতিকে শুদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এরইমধ্যদিয়ে নবীন প্রবীনের সমন্বয়ে সহযোগী সংগঠন পরিচালিত হওয়ার আভাস আছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। 
এদিকে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্ব পেতে আগ্রহী দু:সময়ের সাহসী ও পরীক্ষিত সাবেক ছাত্রনেতা নির্মল রঞ্জন গুহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সাচ্চু, সহ সভাপতি মতিউর রহমান মতি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন। এদের মধ্যে নির্মল গুহ ছাড়া আর কেউ পরিচ্ছন্ন রাজনীতির চর্চায় নেই। সাচ্চু-বাচ্চু হত্যার আসামী ছিলেন, মতিউর একক বড় নেতা। তার কাছে কর্মীদের কোন মূল্যায়ন নেই। আর মোয়াজ্জেম ব্যস্ত থাকেন ঢাবি অ্যালামনাই নিয়ে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্ব দেয়ার মত যথেষ্ঠ সাংগঠন দক্ষও নন তিনি। নির্মল গুহের পরই স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মত বড় পরিসরে নেতৃত্ব দেয়ার প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছেন ঢাবি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তিন নেতা। এক এগারোর অগ্নিগর্ভে স্ফূলিঙ্গের মত যে সাহসী মুখগুলো জ্বলে উঠেছিলো তাদের মধ্যে অন্যতম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবকলীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ শাকিব বাদশা। এই প্রতিযোগিতায় আছেন সংগঠনটির বর্তমান আরো দুই সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েল এবং আব্দুল আলীম বেপারী। স্বেচ্ছাসেবকলীগে জনশ্রুতি আছে টিপু-বাদশা স্বেচ্ছাসেবকলীগে শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পেয়েছে। তারা এখনো স্বেচ্ছাসেবকলীগের একাধিক গ্রুপের তুলনা নেত্রী কোঠার নেতা হিসেবেই পরিচিত। তাই একটি বড় অংশ মনে করেন নবীন প্রবীনের যে সম্বয়নের কথা ওবায়দুল কাদের বলেছেন ততে নির্মল গুহের সাথে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শীর্ষ নেতৃত্ব আসতে পারে টিপু-বাদশা দুই জনের যে কেউ। কেন্দ্রের পাশাপাশি দৌড় ছাপ আছে মহানগর কমিটি নিয়েও। বয়সের ভারে ছড়ে যাবেন মহানগর উত্তর দক্ষিণে নেতারা। উত্তরের দুই নেতা এখন সিটি করর্পোরেশনের কাউন্সিলর। আছে নানান অভিযোগ। সম্মেলন শেষে শুদ্ধি অভিযানের জালেও জাড়াতে পারে এদের নাম। এছাড়া দক্ষিনের নেতৃত্ব নিয়েও আছে নানান অভিযোগ। তাই উত্তর দক্ষিণে নেতৃত্বে আসবে ব্যাপক পরিবর্তন। তারুণ্য নির্ভার এই নেতৃত্বের প্রতিযোগিতার দৌড়ে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির তালিকার শুরুতেই আছে উত্তর দক্ষিণের দুই সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল আর আবুল কালাম আজাদের নাম। একইসাথে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হতে আগ্রহী এডভোকেট গোপাল সরকারও। তিনি রাজপথের পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। এডভোকেট গোপাল সরকার ১৯৯৪ ইং সালের ৮ ই ডিসেম্বর হরতালের সময় তৎকালীন বিএনপির পেটুয়া পুলিশ বাহিনী দ্বারা চরম নির্যাতনের শিকার হন। এছাড়াও রাজধানীর দুই শাখার নেতৃত্ব পেতে চান কামরুল হাসান রিপন, আনিসুজ্জামান রানা, ইসহাক মিয়া,তারিক সাঈদ, ওমর ফারুক,শফিকুল ইসলাম শফিক, গোলাম রাব্বানী।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK