বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট ২০১৯
Sunday, 21 Jul, 2019 04:37:23 pm
No icon No icon No icon

উর্ধ্বলোক হতে কোন সম্পদ বা প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কি সম্ভব?

//

উর্ধ্বলোক হতে কোন সম্পদ বা প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কি সম্ভব?


কবির ওয়াহিদ পাভেল, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: পৃথিবীর বিজ্ঞানী বন্ধুরা আনুমানিক প্রায় “সত্তর” বছর যাবত উর্ধ্বলোকে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কিনা খুঁজে বেড়াচ্ছেন। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের জীবনের মহামূল্যবান সময়ের চার ভাগের তিন ভাগই সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। সীমাহীন পরিশ্রমসহ কোটি কোটি ডলারও অর্থনৈতিক ভান্ডার থেকে ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু তারা কঠোর পরিশ্রম দীর্ঘ সময় অতিবাহিত সহ বিপুল পরিমাণ অর্থ উল্লেখিত বিষয় বস্তুকে কেন্দ্র করে ব্যয় করেও কাঙ্খিত লক্ষ্য মাত্রায় পৌঁছাতে এ পর্যন্ত পারেনি। তবে “প্রাণের” যে “অস্তিত্ব” রয়েছে তা তাদের দীর্ঘ “গবেষণায়” উল্লেখ রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ থাকে যে, মুসলামনদের ধর্ম গ্রন্থ কোরআনে নভোমন্ডলে (গ্রহ) প্রাণের যে অস্তিত্ব রয়েছে এবং “মানব” ও “জীনের” বসবাসের কথা উল্লেখ রয়েছে। মহান রাব্বুল আলামীনের সর্ব শ্রেষ্ঠ “মানব” তার জীবনের চার ভাগের তিন ভাগ সময় উপরে উল্লেখিত বিষয়ের জন্য অতিবাহিত করেও তাদের শনাক্ত করণ বা খুঁজে পাওয়ার বাসনার অতৃপ্তিতেই বিদ্যমান রয়েছে। এটা কি আমাদের ব্যর্থতা নয়। উক্ত বিষয় আমাদের সীমিত “জ্ঞানকে” অসীমের পথে পরিচালিত করেছে এবং আমাদের “জ্ঞান” ভান্ডারকে সমৃদ্ধ সহ জীবনকে করেছে আলোকিত। আমরা কি তাদের খুঁজে পাবোনা? শেষ পর্যন্ত কি ব্যর্থতার দ্বায়ভার বহন করতে হবে? উল্লেখিত বিষয়ে “বিজ্ঞানীদের” দীর্ঘ পরিশ্রম কি ব্যর্থ হয়েছে। তা ঠিক নয়। প্রশ্ন হলো “গবেষকরা” উক্ত “গবেষনায়” কি সফল হবে? না তারা “সফল” ও হবেন না। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ থাকে যে, “সৃষ্টিকর্তার” আইনে তা নিষেধ। এক গ্রহের মানবের যোগাযোগ বা “সম্পর্ক” বিধাতার আইনে তা নিষেধ। এক গ্রহের “মানবের” সঙ্গে অন্য গ্রহের “মানবের” যোগাযোগ বা সম্পর্ক  “বিধাতার” আইনে নেই। কারণ এই পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা একজনই। বিশেষভাবে প্রকাশ থাকে যে, সকল ধর্ম গ্রন্থেই উল্লেখ রয়েছে, “মানবকে ভালোবাসো, সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিকে ভালোবাসো এবং তাদের সেবা কর। “মানবের” সেবার মাধ্যমেই “বিধাতার” সেবা করা হয়। “মানব” সেবাই পরম ধর্ম। আল্লাহর বান্দা হিসেবে সৃষ্টিকর্তার আইন মেনে চলতে হবে। “মাওলার” বিধি নিষেধ মোতাবেক নির্দেশনা পালন না করলে যে কোন মানবই সবকিছুতেই চরম ব্যর্থ্যতার স্বীকার হবে এটাই “বিশ^ বিধাতার” বিধান। আল্লাহর আইনে যেহেতু নিষেধ রয়েছে, উর্ধ্বলোকে গিয়ে আমরা কোন “প্রাণের” অস্তিত্ব খুঁেজ পাবো না। এমনকি কোন সম্পদও পাওয়া যাবে না। যা দিয়ে উক্ত “জাহানের” মানবের কল্যাণে কাজ করা যাবে। “গবেষকরা” “গবেষনায়” উল্লেখিত বিষয়ে জীবনের চারভাগের তিন ভাগ সময় উক্ত গবেষনায় অতিবাহিত করেও উর্ধ্বলোক হতে কোন সম্পদ বা প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার নজির পৃথিবীর বুকে এ পর্যন্ত নেই। বিশেষভাবে প্রকাশ থাকে যে, “কোরআনের” মাধ্যমেই বিজ্ঞানের অস্তিত্ব। সূত্রে প্রকাশ বিজ্ঞান এ পর্যন্ত গবেষনায় ৮৭% আর আধ্যাত্মিক ৯৯% অর্থাৎ বিজ্ঞান এখনো ১২% পিছিয়ে। আরোও প্রকাশ থাকে যে, “মাওলার” ৯৯ নামের তাৎপর্য একেকটি একেক তাৎপর্যের অর্থ বহন করে। আরো প্রকাশ থাকে যে, “মাওলার” ৯৯টা নাম বাদেও আরো কিছু নাম রয়েছে, যা “রাব্বুল আলামীন” “মানবের” নিকট প্রকাশ করেন নি। কারণ মানব যদি উক্ত নাম ব্যবহার করে অবৈধ কিছু মাওলার নিকট দাবী করে, “মাওলা” উক্ত দাবী পূরণ করবেন। একারনেই উক্ত নাম “মানবের” নিকট প্রকাশ করা হয়নি। 

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK