demo
Times24.net
বর্ষাকালে নদীর ভাঙন থেকে মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বন ও পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে আবেদন
Sunday, 21 Jul 2019 16:41 pm
Times24.net

Times24.net


কবির ওয়াহিদ পাভেল, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: আমাদের দেশ “বাংলাদেশকে” বলা হয় নদী মাত্রিক দেশ। বর্ষাকালে এদেশের বিভিন্ন স্থানে “নদীতে” অধিক মাত্রায় “স্রোতের” কারনে এক কূল “ভেঙ্গে” আরেক কূল গড়ে। একারনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের “মানুষকে” বর্ষাকালে পোহাতে হয় চরম “দূর্ভোগ”। কেউ কেউ “ভিটে মাটি” পর্যন্ত হারিয়ে হয়ে যায় নিস্ব। “নদীর পানি দ্বারা যাতায়াত পথ”: সূত্রে প্রকাশ, নদীর পানিকে যদি “থ্যাপ” দ্বারা “ঞযবহঢ়শরবঢ় খধাব ঢ়ব ঝড়হশরহম”  করা হলে নদীর পানি “শক্ত” করা সম্ভব। যে নদীতে “স্রোত” আছে যেস নদীর পানি শক্ত করতে হলে “ল্যাব ট্যাপ” কার “ঝড়হশরহম”  করতে হবে। তবেই নদীর পানি শক্ত হয়ে যাবে। নদীর পানি “শক্ত করণের” মাধ্যমে “যাতায়াত পথ” তৈরী করা হলে উক্ত “পথটি” পানির সাথে তাল মিলিয়ে চলবে। পানি যত নিম্নে যাবে “রাস্তাটি” তত নিচে যাবে। পানি যত উপরে উঠবে “যাতায়াত” পথটি তত উপরে উঠবে। “বর্ষাকালে” নদীর পানি যত উপরে উঠবে “রাস্তাটি” তত শক্ত হবে। উল্লেখ্য, উক্ত পথে মানুষ, গরু মহিষ, গাড়ি ঘোড়াসহ সবই চলাচল করতে পারবে। প্রকাশ থাকে যে, উপরে বর্ণিত প্রক্রিয়ায় “যাতায়াত পথ” ও “বেড়িবাঁধ” তৈরী করা হলে “বর্ষাকালে” নদীর ভাঙন থেকে রেহাই পাওয়া সহ “দুর্যোগ” হতে পরিত্রান পাওয়া অসম্ভব নয়। আরোও প্রকাশ থাকে যে, গত ৭ মার্চ দেশের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকাসহ ইলেক্সট্রনিক্স মিডিয়াতে “বায়ু দূষণের” শীর্ষে “বাংলাদেশ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত সংবাদে প্রকাশ, বিশে^র সবচেয়ে বায়ুদূষিত তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে “বাংলাদেশ”। এরপরই যথাক্রমে রয়েছে প্রতিবেশী দু’দেশ পাকিস্তান ও ভারত। উল্লেখ্য, দূষিত ত্রিশ শহরের মধ্যে “ঢাকার” অবস্থান সতের তম। সূত্র, আইকিউএয়ার, এয়ার ভিস্যুলয়াল ও গ্রিন পিসের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশে^র অনেক দেশের গণমাধ্যমে উক্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষভাবে প্রকাশ গত ১২ মার্চ “বন ও পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয়” সহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় জরুরী কর্ম ব্যবস্থা মাননীয় “প্রধানমন্ত্রী” অভিজ্ঞতা প্রসূত উদ্বাবনী কর্মসূচী প্রসঙ্গে”। “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ১৩ হতে ১৫ জলবায়ু পরিবর্তন গ্রহনের লক্ষ্য মাত্রায় রূপকল্প, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্প “ভিষণ ২০২১” দ্বারা প্রস্তাবিত প্রকল্পের কার্যক্রম পন্থা ও প্রকল্পের পরিকল্পনাসহ একটি “প্রোফাইল” জমা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, “মানব” সেবাই উল্লেখিত মাননীয় “প্রধানমন্ত্রী” অভিজ্ঞতা প্রসূত উদ্বাবনী কর্মসূচীর জন্যই আমরা “চ্যাম্পিয়ান অবদ্যা আর্থ” পুরুস্কারটি পেয়েছি। সূত্রে প্রকাশ, গত ২১ মার্চ পর্যন্ত নদীর আশ পাশের্^র দখলকৃত উচ্ছেদ অভিযানে ৫২ কিলোমিটার প্রায় ৩ হাজার এক তলা হতে বহুতল বিশিষ্ট ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রশ্ন হল “দখল” মুক্ত হওয়ার পর, উক্ত স্থান গুলো কি আবারো পুনরায় “দখল” হবে? কারণ পূর্বে দখল মুক্ত হওয়ার পরও ভূমিদশ্যূ কর্তৃক পুনরায় দখলের “নজীর” রয়েছে অহরহ। প্রকাশ থাকে যে, “নদীকে” ঘিরে অপরিকল্পিক সড়ক, মহাসড়ক, বাঁধ, ক্রস বাঁধ, কালভার্ট, সুইস গেট ভরাট ও দখল-দূষণ সহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মানের কারনে “কালের বিবর্তনে” নদীর “অস্তিত্ব” বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষভাবে প্রকাশ থাকে যে, বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ, নদীকে বিলীনসহ “ভরাট ও দখল” হতে বাঁচাতে নদীর “পানিকে” “শক্ত করণের” মাধ্যমে যাতয়াত পথ সহ বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে “বর্ষাকালে” নদী ভাঙন ও “দূর্যোগ” মোকাবেলা করা সম্ভব।                             পরিশেষে, 
“শুরু হোক বিপ্লব
পরিবর্তনের দ্বারা
সুখী হোক “মানব” 
সূখী হোক ধরা”