demo
Times24.net
কলকাতায় ইস্টার্ন ইন্ডিয়া ট্রেড সামিট-২০১৯ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করছে এফবিসিসিআই
Tuesday, 16 Jul 2019 18:34 pm
Times24.net

Times24.net

টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: কলকাতায় অনুষ্ঠিত দু’দিনব্যাপি সিডব্লিউবিটিএ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া ট্রেড সামিট-২০১৯ এর মাধ্যমে ভারতের রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আরও বাড়বে বলে এফবিসিসিআই আশা করছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। গত সোমবার দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার ছিল সম্মেলনের সমাপণী দিন। থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটান এবং ভারতের উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ি নেতারা সম্মেলনে অংশ নেন। কনফেডারেশন অব ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেড এসোসিয়েশনস সম্মেলনটির আয়োজন করে। সম্মেলনে এফবিসিসিআই সভাপতি উল্লেখ করেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারতের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ছিল ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সিডব্লিউবিটিএ’র যেহেতু ১০ লক্ষেরও বেশি ব্যবসায়ী সদস্য রয়েছেন, তাই এ সম্মেলনের মাধ্যমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এবং সার্ক, বিবিআাইএন এবং বিমসটেক সদস্যভূক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এসময় তিনি বাণিজ্য বহুমূখীকরণে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, হিমায়িত সামুদ্রিক খাদ্য, সিরামিক, পাটপণ্য, তথ্য প্রযুক্তি, মৎস্য এবং হোম এ্যাপ্লায়েন্সের কথা তুলে ধরেন। সিডব্লিউবিটিএ সম্মেলন উদ্বোধনের পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের এই শীর্ষ নেতা ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর সাথে তার অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। ভারতকে বাংলাদেশের অন্যতম কৌশলগত উন্নয়ন অংশীদার এবং বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করে শেখ ফাহিম জানান, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেল যোগাযোগ, সড়ক ও পরিবহণ, বস্ত্র শিল্প, ব্যাংক এবং টেলিযোগাযোগ খাতে ভারতের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে। বাংলাদেশ যেহেতু উন্নততর অর্থনৈতিক কাঠামোতে উন্নীত হচ্ছে তাই সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এফবিসিসিআই সভাপতি আরও জানান, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা সহজীকরণে (ইজ অব ডুয়িং বিজনেস) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে এফবিসিসিআই নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ বছরের শেষে এবং ২০২০ সাল নাগাদ এক্ষেত্রে লক্ষণীয় সাফল্য চোখে পড়বে। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ সরকারের দেয়া আকর্ষণীয় বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ করে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদেরকে ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে’ এবং অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।