demo
Times24.net
বগুড়ায় সপ্তপদী মার্কেটের ম্যান্ডোলিন শপিং সেন্টারের হাইকোর্টের স্থগিতা আদেশ আদেশ অমান্য বগুড়া পৌরসভার মেয়রের
Thursday, 11 Jul 2019 19:21 pm
Times24.net

Times24.net

টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: বগুড়া পৌরসভার সপ্তপদী মার্কেটের (৩য়) তলা, ৩০০০ হাজার স্কয়ার ফিট একটি চক্র দখলে নেওয়ার জন্য পায়তারা করছে। যাতে ম্যান্ডেলিন শপিং মার্কেটের (৩য়) তলা, ৩০০০ হাজার স্কয়ার ফিট বেদখল না হয়, হাইকোর্ট ডিভিশন স্থগিতা আদেশ দিয়েছেন। যাহার রীট নং-৯৪০৫/২০১১ ইং হাইকোর্টের আদেশ দেওয়ার পরেও বগুড়া পৌসভার মেয়র এ. কে. এম মাহবুবুর রহমান ও তার লোকজন ম্যান্ডোলিনা (৩য়) তলা ৩০০০ স্কয়ার ফিটের ভাড়া তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকী ও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। উল্টা মার্কেটের মালিক সৈয়দ আনোয়ারুল ইসলাম বাবলা এবং তাহমিনা পারভিনকে হুমকি-ধামকী এবং বিভিন্ন প্রকার ক্ষতি সাধন করা এবং বেদখল করে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। জানা গেছে গত ১৯, আগষ্ট ১৯৮৫ সালে মরহুম সৈয়দ তাইফুল ইসলাম তোফা বগুড়া সাত মাথা সহ সপ্তাপদী মার্কেটে ফাঁকা ছাদে এক কর্ণার ৩০০০ স্কয়ার ফিট লীজ নেন। পরে ২০০৪ সালে মার্কেটে ১৩ ফুট জায়গা ভেঙ্গে ফেলা হয়। এর লীজকৃত হোটেলটি ৩/৪) বৎসর বন্ধ থাকে। যানা যায় গত ৪, জুলাই ২০০৭ ইং তারিখে বগুড়ার পৌরসভায় আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৯, আগষ্ট দোকান করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আবাসীক হোটেলটিকে ১৭ টি দোকান করার অনুমোদন দেওয়া হয়। বগুড়া পৌরসভার কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে মার্কেটটি (৩য়) তলা ৩০০০ স্কয়ার ফিট সম্পূর্ণ নিজ ব্যয়ে তৈরি করে ভাড়া দেওয়ার পর ১টি চক্র ঐ মার্কেটের (৩য় তলা) এক কর্ণার ৩০০০ স্কয়ার ফিট দখলে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ ছাড়াও বগুড়া পৌরসভার মেয়র এ. কে. এম মাহবুবুর রহমান ঐসব দোকানদারকে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভীতি দেখিয়ে এবং লীজ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ভাবে ভাড়া নেওয়ার চেষ্টায় চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উক্ত ঘটনায় মার্কেটের স্বত্তাধিকারী আনোয়ারুল ইসলাম বাবলা ও তাহমিনা পারভিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ডিভিশন যার রীট নং-৯৪০৫/২০১১ মামলার স্থগিতা আদেশ আলোকে বগুড়ার প্রথম সিনিয়র সহকারী জর্জ আদালত গত ২৭, সেপ্টেম্বর মার্কেটের (৩য় তলা) এক কর্ণার ৩০০০ স্কয়ার ফিটের জায়গার উপরে স্থগিতা আদেশ দেন। মামলাটি হাইকোর্ট ডিভিশনে বিচারধীন থাকা অবস্থায় জানা শর্তেও বগুড়ার পৌরসভার মেয়র এ. কে. এম মাহবুবুর রহমান বিভিন্ন রকম হুমকি-ধামকী এবং লীজ বাতিলের জন্য ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায় এবং হাইকোর্টের আদেশ না মানায় গত ১৩/০৫/২০১৯ ইং তারিখে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয় এবং ০৭ দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়। আজ অদ্যাবদী নোটিশের কোন জবাব পাওয়া যায় নাই এবং বলা হয় যে যদি আপনি ০৭ দিনের ভিতর জবাব না দিলে আইন অবমাননা এবং কোর্ট অবমাননা মামলা করা হবে।