demo
Times24.net
ফলপ্রেমী আইয়ুব আলী’র বাগান পরিদর্শন করলেন অধ্যক্ষ সেলিম রেজা তালুকদার
Wednesday, 12 Jun 2019 01:04 am
Times24.net

Times24.net


মো. আ. জব্বার, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :  ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১নং নাওগাঁও ইউনিয়নের সন্তোষপুর কান্দুরবাজার এলাকার ফলপ্রেমী আইয়ুব আলী বিভিন্ন জাতের ফলের বাগান করে ভাগ্য বদল পাশাপাশি জেলায় সফল চাষী হিসেবে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ৯ জুন রবিবার তাঁর বাগানটি পরিদর্শন করেছেন, ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৭নং বাক্তা ইউনিয়নের কৃতিসন্তান সরকারী সুফিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ, মাদারীপুর এর অধ্যক্ষ প্রফেসর আর.জে.এম. সেলিম রেজা তালুকদার। 
আইয়ূব আলী’র বাগান পরিদর্শনকালে সন্তোষ প্রকাশ করে অধ্যক্ষ সেলিম রেজা তালুকদার বলেন, বাগান দেখে আমার খুবই ভাল লাগলো। বিভিন্ন এলাকা থেকে বেড়াতে আসা মানুষ এই বাগান দেখে আইয়ূব আলী’র মতো বাগান তৈরীর জন্য উদ্বুদ্ধ হবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন, কেশরগঞ্জ বাজারের বিশিষ্ট ঘড়ি ব্যবসায়ী মোঃ গোলাপ হোসেন, নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মারুফ হোসেন, সাংবাদিক মোঃ আঃ জব্বার প্রমুখ।
বাগান পরিদর্শনকালে আইয়ূব আলী বলেন, আমি ১২ বছর আগে মাত্র ৫০ হাজার টাকার মূলধন আর ৪০ শতাংশ জমি নিয়ে বাগান চাষ শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির মৌসুমি ফলের গাছ লাগাই। বর্তমানে বাগানে ৫ একর জমিতে প্রায় ১২০ প্রকারের বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ রয়েছে। বর্তমানে আমার বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে অর্ধ কোটি টাকার উপরে। সেখান থেকে বছরে আয় প্রায় ১৮-২০ লাখ টাকা।
জানাগেছে, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নানা জাতের আম ও কিশোরগঞ্জের মঙ্গলবাড়িয়া থেকে লিচুর চারা এনে বাগান সফলতা পেয়েছেন চাষি আইয়ুব আলী। দেশি-বিদেশি ১২০ প্রজাতির ফলের চাষ করে স্বাবলম্বী আইয়ুব আলীকে এখন অনুসরণ করছেন অনেকেই।
সরেজমিন দেখা যায়, আইয়ুব আলীর বাগানে রয়েছে ইরাকি লেবু, ইরানি আলু বোখারা, পাকিস্তানি মাল্টা, ভারতের ট্যাং ফল, থাই আমড়া, করমচা ও ড্রাগনসহ ১২০ প্রজাতির ফলের গাছ। এ ছাড়া রয়েছে বড় আকারের আম্রপালি ও লিচুর বাগান। তার ফল বাগানে কোনো প্রকার কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। কীটনাশকসহ অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহার না করার ফলে বাগানের ফল খেতে সুস্বাদু। যার কারণে আইয়ুব আলীর ফল বাগানে উৎপাদিত ফলের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলছে। কীটনাশক ও ফরমালিনমুক্ত ফল বাগান দেখতে বা ফল কিনতে ছুটে আসেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।