demo
Times24.net
ঈশ্বরদী ইপিজেড মেহনতি শ্রমজীবি মানুষের পক্ষে না বিপক্ষে
Monday, 27 May 2019 10:27 am
Times24.net

Times24.net


আব্দুল হান্নান, টাইমস ২৪ ডটনেট, পাবনা থেকে: ইপিজেড পাবনা ঈশ্বরদী স্টাইল হেয়ার ও রেঁনেসা বারিন্দ্রী শ্রম আইন উপেক্ষা করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।সূত্র মতে, এই সকল অনিয়ম চালু থাকলেও ইপিজেডের কর্মাশিয়াল ম্যানেজার দায়িত্ব থাকলেও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়াতে শ্রমিকদের ইচ্ছেমত ব্যবহার করছে। এমনকি রোজা উপলক্ষে ৫ টা পর্যন্ত। অথচ রোজার জন্য শিথিল যেমন ৩টা পর্যন্ত ইপিজেডের কর্তৃপক্ষের নির্দেশ। কিন্তু তা উপেক্ষা করে শ্রমিকদের চাপ প্রয়োগ পাশাপাশি হেয়ার কোম্পানী টার্গেট দেন প্রথমে ২’শ তারপরে ৫/৬শ পর্যায়ক্রমে টার্গেট শেষ না করা পর্যন্ত কোন শ্রমিকের ছুটি নেই। শ্রমিকরা হচ্ছে মূর্খ্য প্রকৃতির মানুষ। তাদের অভিযোগ বলার বা স্বাধীনতা না থাকায় কোম্পানীরা তাদের ইচ্ছামত ব্যবহার করছে। আরও একটি সূত্রে শুক্রবার কোন ছুটি নেই। তবে মাঝে মধ্যে বন্ধের দিন শ্রমিকদের ফ্যাক্টরীতে কাজ করতে হয়। আর না করা হলে চাকুরীচ্যুত করা হয়। এই ব্যাপারে কর্মাশিয়াল ম্যানেজার ইপিজেডের শ্রম আইনের যে সকল বিধি বিধান তা তিনি কতটুকু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে অভিজ্ঞ মহল জানতে চাই। এ ব্যাপারে ফোন করেও তাকে পাওয়া যায় নি। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ শ্রম আইন উপেক্ষিত না হয় এই নির্দেশ দেওয়া আছে। সুতরাং অসাধু কর্মকর্তাদের কারণে শ্রমিকরা অবহেলিত ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। জনৈক শ্রমিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে বলেন আমরা স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত। আমাদের শ্রম অধিকার হরণ করা হচ্ছে।
অপরদিকে ৮/১০ তারিখে শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয় যা আইনের পরিপন্থি। শারীরিক ও মানষিক ভাবে এক ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে করে দেখা যায় অসুস্থ্য হচ্ছে শ্রমিকরা। তাছাড়া কোম্পানীদের অত্যাচারে ধুকে ধুকে তার মনটাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। বিষয়গুলি নিয়ে শ্রমজীবি মানুষের পাশে না দাঁড়ালে এদের আস্ফালনে শ্রমিকরা শেষ হয়ে যাবে। এই জন্যে এগিয়ে আসতে হবে মেহনতি মানুষের পাশে। তাহলে বোঝা যাবে কে মানবতার পক্ষে না বিপক্ষে ? কোন কোন কোম্পানীর কাছে চাকুরীচ্যুত শ্রমিকদের বকেয়া বেতন আনতে কয়েক মাস লেগে যায়। এমনকি অতিরিক্ত ডিউটি না করা হলে চাকুরী খুওয়াতে হয়। শ্রমিকদের মতামত শোনা হয় না। ঈশ্বরদী ইপিজেড কোম্পানীগুলো নিরবে শ্রমিকদের অধিকার খর্ব এবং শ্রম আইনের নীতিমালা ফাইল বন্দী শ্রমকিদের মায়া কান্না কেউ শোনে না। তবে কালের স্বাক্ষী হয়ে থাকবে ইপিজেড।