demo
Times24.net
ফার্নিচার ব্যবসায়িরা ফাঁকি দিচ্ছে সরকারি ভ্যাট
Thursday, 16 May 2019 00:48 am
Times24.net

Times24.net


শামীম চৌধুরী, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: রাজধানীর উত্তর সিটিকর্পোরেশনের আওতাধীন উত্তরা এলাকায় গড়ে উঠেছে বাহারি নক্সার ফার্নিচার যেমন-খাট, সোফা সেট, ড্রেসিং টেবিল, কেবিনেট, ডাইনিং টেবিল, অফিস চেয়ার শোকেস সহ বাহারি ফর্নিচারের দোকান। এসব ফার্নিচার দোকান সাধারনত মিরপুর শেওড়াপাড়া, কাজি পাড়া ও উত্তরা দক্ষিণখান, উত্তরখান, উত্তরা সেক্টরের  ১২/১৩ মোড় সংলগ্ন এলাকায়। এ ফার্নিচার ব্যাবসায়িদের ক্ষেত্রে শতকরা ৪% ভ্যাট সরকারি ভাবে নির্ধারিত কিন্তু ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের বাজেটে সরকারি ভাবে ৪% এর পরিবতে ৬% সরকারি ভ্যাট সরকারি কোষাগারে দেওয়ার বিষয়ে ঘোষনা হলে সেই ভ্যাট বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে ফার্নিচার ব্যবসায়িরা আন্দোলন করে ৬% এর শতকরা পরিবর্তে ৫% ভ্যাট পরিশোধ কথা উল্লেখ থাকলে তাও সঠিক ভাবে ভ্যাট পরিশোধ করছেন না ফার্নিচার ব্যবসায়িরা। এদিকে মিরপুর শেওড়া পাড়া হাতিল,আকতার ফার্নিচার, ড্রিম টার্চ ফার্নিচার,ফার্নিচার মার্ট, ব্রাদার্স ফর্নিচার এবং উত্তরা ৭নং সেক্টররে বিএনএস সেন্টারের ২য় ও ৩য় তলায় রয়েছে তালাশ ফার্নিচার,ভূইয়া ফর্নিচার, মা ফর্নিচার, নিউ ভাই ভাই ফর্নিচার, বিসমিল্লাহ কেইন্ট এন্ড আয়রন ফর্নিচার, আকাশি ফর্নিচার, আল্লাহর দান কেইন্ট এন্ড আয়রন ফর্নিচার, উডল্যান্ড ফর্নিচার, জননী ফর্নিচার, ফরচুন ফর্নিচার,স্টাইল ফর্নিচার, ছায়াটিকা ফর্নিচার। এদিকে দক্ষিণখানে গড়ে ওঠা আনিশা কমপ্লেক্স (প্রেমবাগান), ফার্নিচার মার্কেট ৪ স্টার কমপ্লেক্স, মেসার্স নোয়াখালি ফার্নিচার, ফার্নিচার মার্কেট, ড্রীম টার্চ ফার্নিচার, সুলতানা  ফার্নিচার, খোকন ফার্নিচার, জালালাবাদ ফার্নিচার,বরিশাল ফার্নিচার, বার্মাটিক ফার্নিচার  সহ বিভিন্ন ফার্নিচার দোকানে সরেজমিনে সরকারি ভাবে নির্ধারিত ভ্যাট তথ্যের বিষয়ে জানতে গেলে তারা ভ্যাট সম্পর্কে বলেন এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারবোনা আমাদের প্রতিষ্ঠানের মালিক আছেন তারা জানেন । তবে এ ভ্যাট সম্পর্কে এক ফার্নিচার দোকানের ম্যানেরজার বলে আমাদের ভ্যাট দেওয়া লাগেন  অঞ্চল ভিত্তিক সরকারি ভ্যাট অফিসার অছে তারা প্রতি মাসে একবার আসেন তাদেরকে নির্দিষ্ট একটা খরচ দিয়ে দেওয়া হয় তারাই সমাধান দেন। এমনকি দক্ষিণখান এলাকায় অনেক ফার্নিচার দোকানের সামনে তাদের শোরুমের সাইন বোর্ডও দেখতে পাওয়া যায়নি। এদিকে উত্তরা অঞ্চলের এক ভ্যাট অফিসারে সাথে ভ্যাট সম্পর্কে কথা বলে জানা গেছে যদি কোন ফার্নিচার ব্যবসায়ি প্রস্তুত কারক হন তাহলে ঐ ব্যবসায়িকে ভ্যাট দিতে হবে ৭% এবং কোন ফার্নিচার ব্যবসায়ি  পফার্নিচার প্রস্তুত কারকের কাছ থেকে কিনে তারা ব্যবসা করেন তাহলে সেই সব ফার্নিচার ব্যবসায়িদের উপর ৫% ভ্যাট ধার্য করা হলেও  কিন্তু  ফার্নিচার ব্যবসায়ির সেটা দিচ্ছেন না এমন কি ক্রেতাকে মূসক (মূল্য সংযোজক কর) দিচ্ছেন তারা । এদিকে তথ্য নিয়ে জানা গেছে কোন কোন ফার্নিচার ব্যাবসায়িরা তাদের ফার্নিচারে  ব্যবসায়ি একই নামে অথবা ভিন্ন ভিন্ন নামে ঢাকাসহ সব জেলায় তাদের শাখা দিয়ে তাদের ফার্নিচার ব্যবসা চালিয়ে আসছেন তাও আবার সরকারি ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে? যার কারনে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এ ধরনে রাজস্ব কর(ভ্যাট) ফাঁকি দিয়ে যারা ফার্নিচারের ব্যবসা দিনের পর দিন চালিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রতি ভোক্তা অধিকার দৃষ্টি আকর্ষন করা যাচ্ছে।