বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯
Thursday, 21 May, 2015 01:20:13 am
No icon No icon No icon

মানব পাচার: দুর্বল কোস্টগার্ডে উন্মুক্ত সমুদ্রপথ

//

মানব পাচার: দুর্বল কোস্টগার্ডে উন্মুক্ত সমুদ্রপথ


টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: সম্প্রতি থাইল্যান্ডে গণকবরের সন্ধান এবং শত শত বাংলাদেশিকে মুমূর্ষু অবস্থায় মাঝ সাগরে আবিষ্কারের পর অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচারের বিষয়টি দেশে-বিদেশে সর্বাধিক আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আর এই সঙ্কট মোকাবেলায় দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা ও আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আর এই পাচার সমুদ্রপথে হওয়ায় কোস্টগার্ডের ভূমিকা ও সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।

‘গার্ডিয়ান অ্যাট সি’ স্লোগান নিয়ে উপকূলের নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। প্রতিষ্ঠার দুই দশক পেরিয়ে গেলেও একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আধুনিক বাহিনী হয়ে উঠতে পারেনি এ বাহিনী। এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রগুলো উপকূল তথা সমুদ্র এলাকা ব্যবহার করে ভয়াবহ অপরাধ করে যাচ্ছে।

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের শঙ্খলা জঙ্গলে বাংলাদেশিদের গণকবরের সন্ধানও মিলেছে যারা সমুদ্রপথে পাচারের শিকার হয়েছেন। এরপর থেকেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের উপকূল ও গভীর সমুদ্রে ট্রলার ও নৌকাবোঝাই শত শত বাংলাদেশিকে ফেলে পালিয়ে যেতে শুরু করেছে পাচারকারীরা।
এমন বাস্তবতায় সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কোস্টগার্ডও স্বীকার করছে, নানা সীমাবদ্ধতার কারণে মানবপাচার রোধে সত্যিকার অর্থেই সক্ষমতা নেই তাদের।

দেশের ১৯টি জেলার বিশাল উপকূলের নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনের লক্ষ্য নিয়েই মূলত বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় ধরে এই বাহিনীটি অবহেলিতই থেকে গেছে।

কোস্টগার্ড সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জনবলের সঙ্কট, অবকাঠামোগত সুবিধার অভাব এবং জলযানের অভাবে উপকূলের অপরাধ দমনে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না তারা।

সুন্দরবনের নদ-নদীসহ জলভাগের ১ হাজার ৭০০ বর্গকিলোমিটারি এলাকার নিরাপত্তা, অপরাধ দমন এবং নিয়মিত টহলের দায়িত্ব কোস্টগার্ডের। অথচ কোস্টগার্ডের জনবল ২ হাজার ২০০ ও টহলের জন্য বিভিন্ন আকারের বোট রয়েছে মাত্র ১০০ টি; যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

বিশাল এলাকায় কোস্টগার্ডের স্টেশন রয়েছে মাত্র চারটি। অথচ এই বিশাল এলাকায় অন্তত ৩০টি স্টেশন থাকা প্রয়োজন বলে কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা বলছেন।

অপরদিকে সমুদ্র তীরবর্তী ৭১০ কিলোমিটার এবং উপকূলসংলগ্ন প্রায় ৩৪ হাজার বর্গকিলোমিটার টহলের জন্য রয়েছে মাত্র ১৩টি জাহাজ। এর মধ্যে আবার অধিকাংশই নৌবাহিনীর পরিত্যক্ত, ছোট ও ধীরগতি। ফলে গভীর সমুদ্রে গমনে অনুপযোগী।

এই সীমিত সম্পদ দিয়ে বিশাল এলাকার অপরাধ দমন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রকে প্রতিহত করা অসম্ভব। সেই সঙ্গে বিশাল এলাকার মানুষ তথা জেলেদের নিরাপত্তার বিষয়টিতো রয়েছেই।

এই বিশাল উপকূলীয় এলাকায় প্রায় তিন কোটি মানুষের বসবাস। এদের অর্ধেকের বেশি মানুষ মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এই হিসাবে সাড়ে সাত হাজার জেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে মাত্র একজন কোস্টগার্ড সদস্য!

শুধু জনবল, অবকাঠামো, জলযান আর স্টেশনের অপ্রতুলতাই নয়; এর বাইরে আরো নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হয় কোস্টগার্ডকে। তাদের নিজস্ব কোনো তথ্য ও গোয়েন্দা সেল নেই। ফলে অপরাধী চক্র সহজেই তাদের চোখ ফাঁকি দিতে পারে।

বাহিনীর একটি সূত্র বলে, মানবপাচার রোধে শুধু কোস্টগার্ডই নয় অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী চরমভাবে ব্যর্থ। এখানে অন্যান্য বাহিনীর চেয়ে কোস্টগার্ডের দায় সবচেয়ে কম বলেও সূত্রটির দাবি।

মানবপাচারকারী চক্রগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তারা স্থলভাগ থেকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্ররোচিত করে বিদেশ যাওয়ার জন্য রাজি করায়। এই কাজটি হয় স্থলভাগে। ওই তথ্য সংগ্রহ করা এবং অপরাধী চক্রকে চিহ্নিত করার দায়িত্ব অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার। এখানে কোস্টগার্ডের কিছুই করার নেই।

উপকূলের জলভাগে মানবপাচার করার সময় অপরাধীদের ধরার দায়িত্ব কোস্টগার্ডের। কিন্তু নিজস্ব গোয়েন্দা সেল না থাকায় এবং আইন শৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা বাহিনীর কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় ওই সময় কারা পাচার হচ্ছে বা কারা পাচার করছে এই তথ্য না থাকলে তাদের চিহ্নিত করাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

সূত্রটি আরো বলে, উপকূল থেকে পাচারকারীরা ছোট মাছ ধরার ট্রলার ব্যবহার করে। যেখানে হাজার হাজার মাছ ধরার ট্রলার দিয়ে জেলেরা মাছ ধরছে সেখানে মানবপাচার হচ্ছে কোন ট্রলারে তা চিহ্নিত করা অনেক কঠিন। কিছুদূর গিয়ে ট্রলার পরিবর্তন করে আরো একটু বড় ট্রলার ব্যবহার করে তারা। গভীর সমুদ্রে আরো বড় ট্রলারে করে মানবপাচার করে। কোস্টগার্ডের যে ধরনের সক্ষমতা রয়েছে তাতে করে গভীর সমুদ্রে প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব।

এসব সীমাবদ্ধতার কারণে উপকূলীয় এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি, চোরাচালান প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা, জীবন ও জলযানের নিরাপত্তা প্রদান করতে পারছে না কোস্টগার্ড। ফলে রোধ করা যাচ্ছে না মানবপাচার এবং একই সঙ্গে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ। এছাড়া রোহিঙ্গাদের দেশছাড়া করতে মায়ানমারের কোস্টগার্ড মানবপাচারকারীদের সহায়তা করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মানবপাচার রোধে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৮ মে ২০১৫ পর্যন্ত অবৈধভাবে বিদেশগামী ১ হাজার ৭৩৬ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এরমধ্যে গত ১২ মে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে মালয়েশিয়াগামী ১১৬ জনকে আটক করে কোস্টগার্ড।

কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের গোয়েন্দা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরেই মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড কার্যকর ভূমিকা রাখছে। চার বছরে বাংলাদেশ, মায়ানমার ও থাইল্যান্ড থেকে অবৈধভাবে বিদেশগামী দেড় হাজারের বেশিসংখ্যক ব্যক্তিকে আটক করতে সমর্থ হয়েছে কোস্টগার্ড।

তবে কোস্টগার্ডের অপর একটি সূত্র জানায়, যে পরিমাণ অপরাধী ধরা হচ্ছে তার চেয়ে কয়েক গুণ অপরাধী সক্রিয়। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের ধরা যাচ্ছে না। এমনকি বাংলাদেশের সমুদ্র পথকে অপরাধীরা নিরাপদ জোন হিসেবেই মনে করে।

এদিকে নানা সীমাদ্ধতার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন সময় কোস্টগার্ডকে আধুনিকায়নের বিষয়ে সদরদপ্তর থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। কিন্তু স্বয়ংসম্পূর্ণ ও গতিশীল বাহিনী গঠনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি কোনো সরকারই।

কোস্টগার্ডের উপ-পরিচালক (গোয়েন্দা) কমান্ডার একেএম মারুফ হাসান বাংলামেইলকে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাহিনীটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আধুনিক হয়নি। তবে বর্তমান সরকার কোস্টগার্ডের উন্নয়নে কাজ করছে। এরই মধ্যে গভীর সমুদ্রে গমন উপযোগী ৪টি জাহাজ ইতালি থেকে আনার প্রক্রিয়া চলছে। কোস্টগার্ডে ওই চারটি জাহাজ দুই বছরের মধ্যেই কোস্টগার্ডে যুক্ত হবে।’

আধুনিকায়ন এবং গতিশীল বাহিনী একদিনে সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ধাপে ধাপে করতে হবে। বিগত সরকারগুলো কাজটি করেনি। বর্তমান সরকার কোস্টগার্ডের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে জনবল, জলযান এবং অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু করেছে।’

সরকার কোস্টগার্ডের উন্নয়নে ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গত মঙ্গলবার একনেকে ৪৬৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পও অনুমোদন করেছে জানান তিনি। তবে এ টাকায় একটি উন্নতমানের জাহাজ কেনাও সম্ভব হবে কি না সন্দেহ।

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ডের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘টেকনাফ ও এর আশেপাশে টহল বাড়ানো হয়েছে। অন্য এলাকায় জনবল কমিয়ে টেকনাফে জনবল বাড়ানো হয়েছে। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড সবসময়ই সচেষ্ট আছে।’

এদিকে অবৈধ অভিবাসনের ব্যাপারে দায় নিতে রাজি নয় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। তাদের দাবি, শুধু বৈধভাবে যারা বিদেশে যান তাদের ব্যাপারে এ মন্ত্রণালয়ের দায় দায়িত্ব আছে। কিন্তু যারা অবৈধভাবে দালালদের মাধ্যমে বা পাচার হয়ে বিদেশে যাচ্ছে তাদের ব্যাপারে তাদের কিছুই করার নেই।

অপরদিকে অবৈধ অভিবাসী ঠেকাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব থাকলেও এ ব্যাপারে কখনোই তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। দালালদের ধরতে কখনো সমন্বিত পরিকল্পনার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। এ ব্যাপারে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সারা দেশে ইউনিয়ন পর্যায়েও কমিটি গঠনের কথা থাকলেও সে ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি নেই। সম্প্রতি সারা বিশ্বে বিষয়টি আলোচিত হওয়ার পর অভিযানে কয়েকজন কথিত দালাল ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছে এ পর্যন্তই।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে ২০১২ সালে যে আইন করা হয়েছে, তার অধীনে তিনটি বিধিমালা করার কথা। কিন্তু তিন বছরেও সেটি করতে পারেনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আইনে পাচারকারীদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখা হলেও এখন পর্যন্ত কারও শাস্তি হয়নি।

এছাড়া অবৈধভাবে বিদেশে যাওয়া বন্ধে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ৭ ধারায় বলা আছে, ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বন্দর বা স্থান দিয়েই বহির্গমন করতে হবে।’ আর আইনের ৩৪ ধারায় বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি বা রিক্রুটিং এজেন্ট অন্য কোনো ব্যক্তিকে বহির্গমনের জন্য নির্ধারিত স্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বহির্গমনের ব্যবস্থা করলে বা সহায়তা করলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং এ জন্য তিনি অনধিক দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’

আইন অনুযায়ী সরকার শুধু বাংলাদেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে বহির্গমনের স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে। কাজেই সমুদ্রপথে লোক পাঠালে মামলা করার সুযোগ ছিল। কিন্তু প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি মামলাও করেনি।

এছাড়া জানা গেছে, সম্প্রতি থাইল্যান্ডের বাংলাদেশ মিশন থেকে বারবার সতর্ক করার পরও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।

সবকিছু মিলিয়ে মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়হীনতার কারণেই অভিবাসনে দালাল ও মানবপাচারকারীদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপরন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে শীতল সম্পর্ক অভিবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে। সৌদি আরব দীর্ঘ দিন বাংলাদেশি কর্মী নেয়া বন্ধ রাখার পর পুনরায় চালু করলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মী পাঠানো শুরু হয়নি। এছাড়া মালয়েশিয়ায় উভয় দেশের সরকারের তত্ত্বাবধানে কর্মী নেয়ার ব্যাপারে চুক্তি হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র সাত হাজার পাঠানো গেছে।

ফলে বৈধ অভিবাসন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অবৈধ পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজের সন্ধানে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে গ্রামের সরল মানুষেরা পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ছেন। সুতরাং এই সঙ্কট নিরসনের অতি সত্বর বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া পুনর্বহাল করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK