শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮
Tuesday, 09 Oct, 2018 11:41:21 pm
No icon No icon No icon

প্রাণি সম্পদ খাতে ৫০% লোকের পরোক্ষ কর্মসংস্থান -প্রাণিসম্পদমন্ত্রী


প্রাণি সম্পদ খাতে ৫০% লোকের পরোক্ষ কর্মসংস্থান -প্রাণিসম্পদমন্ত্রী


রতন বালো, বিশেষ প্রতিনিধি, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, প্রাণিখাতের মাধ্যমে বর্তমানে শতকরা ২০ ভাগ মানুষের প্রত্যক্ষ এবং শতকরা ৫০ ভাগ লোকের পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের উৎসাহে শহর-গ্রামে এখন খামার ও পশুপালনের হার বাড়ছে বলেই দেশ মাংশে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। ফলে বিগত ৫ বছরে সাড়ে ৩৪ হাজার টন থেকে বেড়ে প্রায় ৯৫ লাখ টন, মাংসের উৎপাদন সাড়ে ২৩ লাখ টন থেকে সাড়ে ৭২ হাজার টন এবং ডিমের উৎপাদন-সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে সাড়ে ১৫ কোটিতে উন্নীত হয়েছে। মঙ্গলবার সাভারস্থ বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) মিলনায়তনে ২ দিনব্যাপী বিএলআরআই-এর বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা ওয়ার্কশপ এর উদ্বোধনী  অনুষ্ঠানে  তিনি এ তথ্য জানান। 

২ দিন ব্যাপী শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে প্রাণিসম্পদের উন্নয়ন, রোগনিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যসম্মত আমিষের উৎপাদনে গবেষণায় জড়িত বিজ্ঞানী, গবেষক, কৃষি ভার্সিটির শিক্ষক, প্রাণিসম্পদ-কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধিসহ ৩ শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন। 

বিএলআরআই এর মহাপরিচালক নাথু রাম সরকারের সভাপতিত্বে  কর্মশালার  উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডা. এনামুর রহমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ-মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছউল আলম মন্ডল, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এর নির্বাহীএ চেয়ারম্যান ড. কবির ইকরামুল হক, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ডিজি হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক প্রমুখ।

দুদিনব্যাপী কর্মশালায় গত বছরের গবেষণাকার্যক্রম, তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে কর্মরত বিশেজ্ঞদের বাস্তব অভিজ্ঞতার পর্যালোচনার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা-সমাধানে পলিসি-মেকারদের দৃষ্টি-আকর্ষণ করে সুপারিশমালা প্রণনয়ন করা হবে। 

এ লক্ষ্যে দুদিনে মোট ৬২টি গবেষণা-প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ৩৫টি প্রবন্ধাকারে এবং ২৭ টির পোস্টারভিত্তিক গবেষণা প্রবদ্ধ রয়েছে।
 
ওয়ার্কশপে বক্তারা বলেন, নবনব প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং নিরাপদ আমিষের উৎপাদন নিশ্চিত করতে প্রাণিখাতের গবেষণা কার্যক্রম আরো জোরদারা করতে হবে। সরকারও স্বল্প জায়গায় অধিক নিরাপদ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে অঞ্চলভিত্তিক সমস্যা নিরুপন করে নতুন-নতুন গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে, বর্তমান যা সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি। তারা মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তির বাস্তবায়নে ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ এবং বিএলআরআই আঞ্চলিক কার্যালইয়-স্থাপনের প্রয়োজনের ওপর গুরুত্বারপ করেন।
   
বক্তারা সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলে পর্যটন শিল্প গড়ে তোলার অপর জোর দিয়ে বলেন, সরকারের বিডিপি ২১০০ মেঘাপ্রকল্পটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখবে, যা বর্তমান সরকারের দুরদর্শিতার প্রমাণ। তারা মৎস্য খাতের স্বয়ম্ভরতার্জন, ইলিশের ব্যাপক উৎপাদন ও সহজ লভ্যতার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ সরকারের প্রশংসা করেন। তারা দেশের চিংড়ি উৎপাদনে মন্দাভাব এবং চিংড়ির রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ব্যাপারে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK