শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৯
Sunday, 23 Jun, 2019 10:27:47 am
No icon No icon No icon

ঐতিহ্যবাহী নৌকা মার্কার ধারকবাহক আওয়ামীলীগের গৌরবময় সংগ্রামী ইতিহাস

//

ঐতিহ্যবাহী নৌকা মার্কার ধারকবাহক আওয়ামীলীগের গৌরবময় সংগ্রামী ইতিহাস


আশিফুল ইসলাম জিন্নাহ্ : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। আওয়ামীলীগ কেবল একটি রাজনৈতিক দল/প্রতিষ্ঠান নয় একটি জাতির স্বপ্ন ও আদর্শের নাম। একটি সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক চিরন্তন বহমান ধারা। এজন্য কোন কালে কোন অনুকূল/স্থিতিশীল কিংবা চরম সংকট/প্রতিকূল বিপদের দিনে আওয়ামীলীগে সুযোগ্য বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অভাব হয়নি। তাদের হাতেই দীর্ঘ সাত দশক ধরে আওয়ামীলীগের নৌকা জাতির স্বপ্ন ও আদর্শকে ধারন করে সুনির্দিষ্ট গন্তব্য ও লক্ষ্য পানে তার মিশন/লক্ষ্য ও ভিশন/উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে অদম্য গতিতে। তাই নৌকা জয়যাত্রা মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অব্যাহত জয়যাত্রা। আমাদের সর্বজন শ্রদ্ধেয় মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এই দলটির স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠাকালীণ সময়ে এই দলের নাম ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ। কারণ যুক্তপাকিস্তান হাসিলের পর এদেশের জনগণের ন্যায্য অধিকার, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন আধুনিক সমাজ-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে মাওলানা ভাসানী ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ১৯৪৯ সালের ২৩জুন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাদী রোজ গার্ডেনে পূর্ববাংলার বাঙালী জাতীয়তাবাদী নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে ভাসানী ও তার দলটি পাকিস্তানে বিরোধী দলীয় রাজনীতির সূচনা এবং বহুদলীয় রাজনীতি, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথকে প্রশস্ত করেছিল। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মাওলানা ভাসানী-শহীদ সোহরাওয়ার্দী-আতাউর রহমানের আওয়ামী মুসলিম লীগ, ফজলুল হকের কৃষক-প্রজা দল, নেজাম ইসলাম পার্টি, সংখ্যালঘুদের বাংলা কংগ্রেস, কমিউনিস্ট দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেছিল এবং নৌকা মার্কা নিয়ে প্রথম নির্বাচন করেছিল। তখন থেকেই আওয়ামীলীগ নৌকা মার্কার ধারকবাহক এবং আওয়ামীলীগ ও নৌকা এক চিরন্তণ ঐতিহ্যের বন্ধন। নির্বাচনে তাদের গঠিত যুক্তফ্রন্ট নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিজয়ী হয় এবং তারা কেন্দ্র ও পূর্ববাংলা প্রদেশে সরকার গঠন করে। সোহরাওয়ার্দী যুক্তপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং ফজলুল হক পূর্ববাংলার মূখ্যমন্ত্রী হন। এই যুক্তফ্রন্ট সরকারই ১৯৫৬ সালে যুক্তপাকিস্তানকে প্রথম লিখিত সংবিধান উপহার দিয়েছিল এবং উক্ত বছরই আওয়ামী মুসলিম লীগ দলটি 'আওয়ামীলীগ' নাম ধারন করে।

ষাটের দশকের প্রথমদিকে আওয়ামীলীগের সভাপতি সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামীলীগের নৌকার হাল ধরেন। তিনি ১৯৬৬ লাহোর সম্মেলনে ছয়দফা উত্থাপনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালীদের আর্থ-রাজনৈতিক মুক্তির সনদ তুলে ধরেন। ভাসানীর ন্যাপ-আওয়ামীলীগ মিলে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আইয়ুবকে ক্ষমতার মসনদ থেকে ছুড়ে ফেলে জেলে বন্দি শেখ মুজিবকে কারাগার থেকে বের করে এনেছিল। এরপর এক মহাসম্মেলনে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে প্রখ্যাত ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন প্রণয়ন করা হবে না অঙ্গীকার করেই ১১দফার ভিত্তিতে নির্বাচন করেছিলেন। নির্বাচনে জনগণের অকুন্ঠ ভোটে নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পরও ভূট্টো-ইয়াহিয়া ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার ষড়যন্ত্র শুরু করলে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের ছাত্র নেতারা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দাবীতে একদফা আন্দোলন শুরু করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তৈরি করে। তৎকালীণ রেসকোর্স ময়দানে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনের মধ্য দিয়ে পূর্বপাকিস্তানের বাঙালীদের অবিসাংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সেই অগ্নিঝড়া উত্তাল সময়ে তার 'এবারে সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' বক্তব্য সমগ্র দেশবাসীকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবীত করেছিল। ভূট্টো-ইয়াহিয়া চক্রের মদদে পাকিস্তানী হানাদারবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে বন্দী করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং পূর্বপাকিস্তানে বাঙালী গণহত্যা শুরু করে। স্বাধীনতা আন্দোলনের মূর্ত প্রতীক বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে এবং জাতির এই জাতীয় দুঃসময়ে তার সুযোগ্য শিষ্য তাজুউদ্দীন আহমেদ অসীম সাহসিকতার সাথে শক্ত হাতে মাঝিবিহীন আওয়ামীলীগের হাল শক্ত হাতে ধরেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল কান্ডারী হিসাবে আবির্ভূত হন। তিনি আত্নগোপন করেন এবং সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে গিয়ে ভারত সরকারের কাছ থেকে সমর্থন আদায় করে কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার মুজিবনগরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ঘোষনা করে অস্থায়ী মুজিবনগর সরকার গঠন করেন এবং তিনি হন এর প্রধানমন্ত্রী। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন চান। তিনি সুযোগ্য বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী গঠন করেন এবং মিত্র ভারতের সহযোগীতা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে সফলভাবে পরিচালিত করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে অবিস্মরণীয় দুঃসাহসী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী প্রধান দল ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি লাভ করে বিজয়ী বীরের বেশে দেশে ফিরে সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ বিধবস্ত দেশের হাল ধরেন। তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশকে পুনর্গঠন ও সচল করার বলিষ্ঠ ও কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন, উদ্যেগ গ্রহন ও বাস্তবায়ন করেছিলেন। স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র তিন মাসের মধ্যে মুজিব সরকারের প্রধান সংবিধান প্রণেতা ডঃ কামাল হোসেন দেশ-জাতিকে একটি সংবিধান উপহার দেয়। বঙ্গবন্ধু তার অসামান্য কূটনৈতিক দূরদর্শীতার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনকভাবে ভারতীয় মিত্রবাহিনীকে ভারতে ফেরত পাঠিয়েছিলেন। দেশে ইসলামী মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে ইসলামী ফাউন্ডেশান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিশ্ব এজতেমার জন্য এবং কাকরাইল মসজিদের জন্য স্থায়ীভাবে ভূমি/জমি বরাদ্ধ করে দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু ভারত-রাশিয়ার সাথে মিত্রতা অটুট রেখেও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর অবিচ্ছেদ্দ্য অংশ ও মুসলিম দেশের সরকার প্রধান হিসাবে ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ইসলামী সম্মেলন/ওআইসি-তে যোগ দিয়ে বলিষ্ঠতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্রে ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগাস্ট এক সামরিক অভ্যুত্থানে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন এবং নজরুল-তাজুদ্দীন-কামরুদ্দীন-মনসুর স্বাধীনতা সংগ্রামের এই জাতীয় চার নেতাকে বন্দী করে জেলে পাঠানো হয়। কিছুদিন পর বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী চক্রটি জেলের ভেতর তাদেরও হত্যা করে। এই সময়ে বঙ্গবন্ধুর দুই কণ্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান ছিলেন। দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন কাটানোর পর ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন এবং আওয়ামীলীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হয়ে বিধবস্ত লক্ষ্যহীন আওয়ামীলীগের নৌকার হাল ধরেন। শুরু করেন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ আন্দোলন। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ধর্মনিরপেক্ষ আওয়ামীলীগ ইসলামী মূল্যবোধকে ধারন করে নির্বাচনী পোস্টারে আল্লাহ সর্ব শক্তিমান বানী এবং লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ নৌকার মালিক তুই মালিক আল্লাহ শ্লোগান নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ জয়ী হয়। এরপর শেখ হাসিনা মিত্রভাবাপন্ন দলগুলোকে নিয়ে ঐক্যমতের সরকার গঠন করেন। এই সময় তার সরকার দেশের সর্বস্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যেগ গ্রহন করেছিলেন এবং জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের মসজিদকে মূল মাস্টার প্লান মোতাবেক মিনার ও ১নং গেটের সদর তোরণ নির্মাণ করেছিলেন।

২০০৬-৮-এ সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দীন সরকারের সময় শেখ হাসিনা কারা বন্দী থাকাবস্থায় জিল্লুর রহমান আওয়ামীলীগের দিকহীন নৌকার কান্ডারী হিসাবে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২০০৮ এবং ১০১৫ সালের নির্বাচনে পর পর দুই দফায় বিজয়ী হয়ে একটানা দীর্ঘ দশ বছর সরকার ও রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। এই সময়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ ও মহাজোট সরকার তাদের দীর্ঘমেয়াদী এজেন্ডা, মাস্টার প্লান, মিশন, ভিশনের ভিত্তিতে অত্যন্ত দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা, কৌশল, দক্ষতার সাথে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কের দিকে পরিচালিত করেছে এবং দেশকে একটি মধ্যবিত্ত আয়ের দেশে পরিণত করার নিরন্তণ সংগ্রাম করেছে। প্রগতিশীলতা, প্রযুক্তি নির্ভরতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাস্তবায়ন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নীতি, নারীর ক্ষমতায়ণের পাশাপাশি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর একাংশকে, ধর্মীয়গোষ্ঠীকে আস্থায় নেয়া এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক এবং তাদের নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার সুস্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র, বিশ্বের তৃতীয় মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র এবং মুসলিন বিশ্বের অবিচ্ছেদ্দ্য অংশ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ধর্ম ইসলাম একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। ইসলামী মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার দাবী আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের গভীর ভাবাবেগ এবং এটা আওয়ামীলীগেরও দলীয় নীতি। কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন প্রণয়ন করা হবে না এই অঙ্গীকার করে এবং লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ নৌকার মালিক তুই আল্লাহ শ্লোগান দিয়েই আওয়ামীলীগ ও তার নেতৃত্বাধীন জোট বার বার ক্ষমতায় এসেছে এবং দেশ শাসন করেছে। এর ভিত্তিতে ২০১৮ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় জননেত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামীলীগের মহাজোটের নেতানেত্রীরা নৌকা ও লাঙ্গল মার্কার পক্ষে ভোট চেয়েছেন সারা দেশবাসীর কাছে। শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন, দেশ মদীনা সনদের আলোকে চলবে এবং তার সরকার ইসলামের সবচেয়ে বড় সেবক। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামীলীগ আবারো দেশের জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে একটানা তৃতীয়বারের ন্যায় সরকার গঠন করেছে। আওয়ামীলীগ ও তার মহাজোট সরকার অসাম্প্রদায়িকতা, জাতীয়তাবোধ, ইসলামী মূল্যবোধ, উন্নয়ন এবং জাতীয় ঐক্যের আলোকে সরকার ও দেশ পরিচালনা করবে এটাই আমাদের সাধারণ জনগণের তথা দেশবাসীর প্রত্যাশা। জয় বাংলা। ভাল লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করুন। 

[email protected]

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK