মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯
Tuesday, 30 Apr, 2019 12:14:36 am
No icon No icon No icon

ঢাকাইয়া এবং কলকাত্তাইয়াদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির তুলনামূলক পর্যালোচনা-(১)

//

ঢাকাইয়া এবং কলকাত্তাইয়াদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির তুলনামূলক পর্যালোচনা-(১)


আশিফুল ইসলাম জিন্নাহ: (ক) ঢাকাইয়াদের গৌরবময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিঃ মুঘল আমলে ও ব্রিটিশ আমলে মুঘল অবাঙালী শাসক, কর্মচারী, অভিজাতরা, ঢাকার আশেপাশের বিভিন্ন জেলার শ্রমজীবী মানুষ এবং কলকাতার বর্ণ হিন্দুরা এসে স্থায়ী বসতি গড়ে তুলেছিল। তাদের মধ্য থেকেই ঢাকাইয়া নগরজীবী সম্প্রদায়ের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে। তাই ঢাকাইয়াদের মধ্যে মুঘল, লোকজ ও হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব দেখা যায়। ঢাকাইয়ারা অমায়িক, ভাল রাধুনী, ভোজন রসিক, আড্ডা, আনন্দ, উৎসব প্রিয়, বিলাসী, অতিথিপরায়ণ, পরোপকারী, স্মার্ট। তারা মূলত স্থায়ী নগরজীবী ব্যবসায়ী এবং ভূ-সম্প্রদায়। কারণ ঢাকাইয়ারা অধিকাংশই ঢাকায় কমবেশি ভূ-সম্পত্তির মালিক এবং ব্যবসায়ী। এজন্য ঢাকায় বাড়ি/জমির মালিকদের জমিদার নামে অভিহিত করা হয়। 
বিশেষ করে ব্রিটিশ যুগে ঢাকার মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ঢাকাইয়া সংস্কৃতির অবকাঠামো তৈরি করতে ঢাকার বিখ্যাত নবাব পরিবার, স্থানীয় উর্দূভাষী পঞ্চায়েত সর্দারগণ, বাঙালী মুসলমান অভিজাতরা অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। নবাব পরিবার পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে ব্যান্ড পার্টির প্রথা চালু করেছিল। পরে অন্যান্য অভিজাত ও মধ্যবিত্ত ঢাকাইয়ারা তাদের ছেলেমেয়েদের গায়ে হলুদ, বিয়ে, সুন্নাতে খাতনা, শিক্ষাঙ্গণ/এলাকাভিত্তিক খেলা, নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যান্ড পার্টি ব্যবহার করতে শুরু করেছিল। ঢাকায় প্রাচীন মুঘল ডিস, ওয়েস্টার্ণ ডেজার্ট, বিরানীর প্রচলন হয়েছে মুঘল খানসামা, ব্রিটিশ সেফ, নবাবদের বাবুর্চিদের রন্ধন শিল্পের মাধ্যমে। নবাব বাড়িতে জলসার আসর বসত, মঞ্চ নাটক মঞ্চায়ণ হোত।

ব্রিটিশ যুগে নবাববাড়ি থেকে চাঁদরাতের দিন কামানে তোপধবনি দেগে ঈদের চাঁদ দেখার এবং পরদিন ঈদ উৎযাপনের আনন্দ সংবাদ ঢাকাবাসীকে জানানো হোত। নবাব পরিবার কর্তৃক প্রবর্তিত এবং ঢাকাইয়াদের মধ্যে প্রচলিত পঞ্চায়েত সমাজ ও বিচার ব্যবস্থা ষাটের দশক পর্যন্ত ঢাকায় টিকে ছিল। ব্রিটিশ যুগে ঢাকায় ঈদ আনন্দ মিছিল, শিয়াদের মোহররম/আশুরার মিছিল, হিন্দুদের জন্মাষ্টমীর দোলযাত্রা অনুষ্ঠানগুলোতে ঢাকার নবাব পঞ্চায়েত সর্দারগণকে নিয়ে নেতৃত্ব দিতেন।এছাড়া ঢাকায় ক্ষুদ্র পরিসরে জিন্দাবাহারে বাইজী নাচ-গানের ঝলসা আসরের প্রথা গড়ে উঠেছিল। অভিজাতরাই কেবল এখানে আসত। নবাব পরিবার, স্থানীয় ব্রিটিশ, হিন্দু-মুসলিম জমিদার, অভিজাতদের পৃষ্ঠপোষকতায় ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে রেসকোর্স ময়দানে হর্সরেস/ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা হোত। কিন্তু একপর্যায়ে তা ঢাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষও এই রেস খেলায় বাজী/জুয়া ধরতে শুরু করে। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর স্থপতি বঙ্গবন্ধু এই রেসকোর্সে ঘোড়দৌড় বন্ধ ঘোষনা করেন এবং এর নতুন নামকরণ করেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। পুরান ঢাকার কিছু মহল্লায় এখনো পঞ্চায়েত প্রথার প্রচলন আছে। ঢাকার শিক্ষিত মহিলাদের মধ্যে মহিলা বিষয়ক পত্রিকা 'বেগম' বেশ জনপ্রিয় ছিল।

ধর্মীয়ক্ষেত্রে পুরান ঢাকার মানুষ একই সাথে বেশ রক্ষণশীল এবং আধুনিক। ঢাকাইয়ারা ইসলামী রীতিনীতি অনুসরণের পাশাপাশি দেশজ লোকজ, ভারতীয় হিন্দী ও পশ্চিমা সংস্কৃতিরও অনুসারী। 
ঢাকাইয়াদের মধ্যে ওয়াজ মাহফিল, পীর ও মাজার প্রীতি দেখা যায়। তারা নতুন বাসা/ফ্লাটে উঠার সময়, নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান/দোকান চালু করার সময়সহ বিভিন্ন শুভ কাজে মিলাদ পড়াত এবং সিন্নি বিতরন করত। যদিও এখন এর চল কমছে। ঢাকার মুসলমানরা ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, শবে বরাত, ঈদে মিলাদুন্নাবী, শিয়া মতালম্বীরা ১০ই মোহররম আসুরা এবং হিন্দুরা দূর্গাপূজা, দিপাবলী/হোলি, স্বরস্বতী পূজা, জন্মাষ্টমী/দোলযাত্রা/রথযাত্রা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং জাকজমকের সাথে পালন করে থাকে। চাঁদ রাতে মেয়ে ও শিশুরা হাতে মেহেন্দি দিয়ে থাকে। পূজায় মেয়েরা পায়ে আলতা ব্যবহার করে। উনিশ শতকের ত্রিশ দশক পর্যন্ত কলকাতার ন্যায় ঢাকার অভিজাত বর্ণ হিন্দুদের মধ্যে পারিবারিক পর্যায়ে দূর্গাপূজার প্রচলন ছিল। এই সময় থেকে উচ্চ-নিম্ন বর্ণের হিন্দু সবাই মিলে চাদার ভিত্তিতে কমিউনিটি ভিত্তিক দূর্গাপূজা আয়োজন শুরু করে। এখন কলকাতার দূর্গাপূজার পর ঢাকার দূর্গাপূজা সবচেয়ে জাকজমকপূর্ণভাবে পালিত হয়।

মুঘল আমল থেকে চকের ইফতার বাজার, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে চকের বারোয়ারী মেলা বসে এবং ঈদ আনন্দ মিছিল বের হচ্ছে। রমজান মাসে সেহরীর সময় ঢাকার মহল্লাগুলোতে যুবক-কিশোররা মিলে দল বেধে কাসিদা গেয়ে রোজদারদের ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলত। ইফতার ও সেহরীর সময় সাইরেন বাজানো হোত। এখন পুরান ঢাকার কিছু পঞ্চায়েত, ক্লাব এবং তরুন গ্রুপগুলো আন্তরিকভাবে কাসিদা ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। এখন ইফতারের সময় ও সেহেরী রাতে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বুফেট ও খাবারের আয়োজন ও ব্যবস্থা করা হয়। ঢাকাইয়া মুসলমানরা কোরবানীর পশু হিসাবে দেশী গরু, ছাগল কিনতে ও জবাই দিতেই অধিক পছন্দ করে। পুরান ঢাকায় অনেকেই ঈদুল আজহার দিন নামাজ পড়ে, খেয়ে, টিভি/নেট দেখে, ঘুরেফিরে থাকে এবং পরদিন পশু কোরবানী দিয়ে থাকে। কিশোর-তরুনরা শবে বরাতের রাতে মোররা, পটকা/বোমা, শিশু/ছোটরা তারাবাতি জ্বালিয়ে থাকে এবং মসজিদগুলো আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়। রাতে মসজিদ থেকে মুসুল্লিদের বিরানী/মিষ্টির প্যাকেট তোবারক হিসাবে দেয়া হয়। ঈদে মিলাদুন্নাবী উপলক্ষ্যে জনশে জুলুশের আনন্দ শোভা বের হয়।

এছাড়া দেশজ/লোকজ ঘুড়ি উড়ানোর সাকরাইন, বসন্ত বরণের পহেলা ফাল্গুন, বাংলাবর্ষ বরণের পহেলা বৈশাখ, পৌষের নবান্ন উৎসব এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবে বাচ্চাদের ফাস্ট বার্থ ডে, খ্রীষ্টীয় নববর্ষের থার্টিফাস্ট নাইট, ভেলেন্টাইন ডে, মেরিজ এনভারসারী, হ্যালুইন প্রভৃতি অনুষ্ঠান/উৎসব দিবস ব্যাপক উৎসাহ এবং আনন্দ-উল্লাসের সাথে পালন করে থাকে। সাকরাইনের সন্ধ্যায় ও থার্টি ফাস্ট নাইটে পুরান ঢাকার বাসাবাড়ির কিশোর-কিশোরী, তরুন-তরুনী, যুবক-যুবতী, নারী-পুরুষরা মোররা, আতশবাজি, ফানুস, ঘুড়ি উড়ানোর, লাউড স্পিকারে গান/ডিজে পার্টি, মজাদার খাবারের, আড্ডা, আনন্দ-উল্লাসের আয়োজন করে থাকে। মেয়েরা ১লা বৈশাখে বাংলা বর্ষ বরণে সাদা কাপড় ও লাল পাড়ের শাড়ি, ১লা ফাল্গুণে বসন্ত বরণে বাসন্তি রঙের শাড়ী, সালোয়ার-কামিজ এবং ছেলেরা রঙবেরঙের পাঞ্জাবী-পাজামা/প্যান্ট পড়ে থাকে। ঢাকাই তরুন প্রজন্ম বাংলা ব্যান্ড, হিন্দী ও পশ্চিমা সংগীত এবং সংস্কৃতির অনুরাগী। আশির দশকের পপ গায়ক ও ব্যান্ড গ্রুপগুলো ঢাকার আধুনিক বাংলা ব্যান্ড সংগীতের পথিকৃত। এছাড়া বাচ্চাদের ফাস্ট বার্থ ডে/প্রথম জন্মদিন, ছেলেদের মুসলমানী পরবর্তী সুন্নাতে খাতনা, মেয়েদের কান ফুরানী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।

এক সময় পালকি ও ঘোড়ার গাড়ি ছিল ঢাকার অভিজাতদের বাহন। এছাড়া তাদের মধ্যে ঘরোয়া আড্ডা ও মজলিসে পানের বাটায় পান সাজিয়ে পরিবেশনের এবং হুক্কা পানের ব্যবস্থা থাকত। মালামাল বহনের জন্য গরু গাড়ি, ঢেলা গাড়ি ছিল। এখন গুলিস্তান-বাহাদুর শাহ পার্ক রুটে, গায়ে হলুদ, বিয়ে, জন্মদিন, সুন্নাতে খাতনা অনুষ্ঠানে, সিনেমা হলে মুক্তিপ্রাপ্ত নতুন ছবির প্রচারণার জন্য ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করা হয়। ঢাকায় রিক্সা, প্রাইভেট কার, বাস প্রধান বাহন। মহল্লা/পঞ্চায়েত ভিত্তিক ক্লাব, সেখানে তাস ও কেরাম খেলা, আড্ডা দেয়া, বাসার ছাদ/জানালার ধার/বেলকনী থেকে বিভিন্ন আকারে, ইঙ্গিতে, চিরকুটের মাধ্যমে ছেলেমেয়েদের মধ্যে টাঙ্কি/লাইন মারা এবং মহল্লায় প্রাধান্য বিস্তার, শক্তি প্রদর্শন, রোমিও/হিরোগিরি করাকে কেন্দ্র করে কিশোর, তরুন গ্রুপের মধ্যে মহল্লাভিত্তিক গেঞ্জাম পুরান ঢাকার ঐতিহ্য। আজো অনেক কিশোর-তরুন, পুরুষ বাসার ছাদে কবুতরের পাল পালে এবং বিকালে ছাদে উঠে নাটাই-সুতা দিয়ে আকাশে ঘুড়ি উড়িয়ে থাকে। ছেলেমেয়েরা বিকালে ছাদে উঠে ঘুরে বেড়ায়। বিভিন্ন বয়সী পুরুষ/ছেলেরা বন্ধু/এলাকাবাসীর সানাই থে অবসরে রাস্তা, পঞ্চায়েত ঘর/ক্লাব, বাসার ছাদ, মসজিদে আড্ডা দিয়ে থাকে। পূর্বে গান, প্রচারণা, আজান, ওয়াজ মাইকে হোত। এখন স্পিকারে হয়।

ঢাকাইয়াদের প্রধান খাবার হচ্ছে বিরানী। আর চটপট ও ফুচকা হচ্ছে ঢাকাইয়া মেয়েদের সবচেয়ে প্রিয় খাবার। ঢাকাইয়া খাবারের মূল খাদ্য তালিকা হচ্ছে মুঘলাই ডিস(যা মূলত মুঘল আমলের বিখ্যাত সব খাবারের তালিকার সমন্বয়)। ঢাকাইয়া সমাজে পরিবার, আত্নীয় ও এলাকার বড়, প্রবীণ, গুরুজনদের বিশেষ সম্মান ও শ্রদ্ধা করা হয়। চল্লিশ দশকের পূর্ব পর্যন্ত ঢাকাসহ পূর্ববাংলার হিন্দু ও মুসলমান উভয়ের অভিন্ন পোষাক ছিল ধুতি ও শার্ট/পাঞ্জাবী। আর অভিজাত অবাঙালী ও বাঙালী মুসলমানরা শেরোয়ানী-পাজামা, সুট-বুট পড়ত। ঢাকার পঞ্চায়েত সর্দারদের মাধ্যমেই সাদা শার্ট ও লুঙ্গি খান্দানি ঢাকাইয়াদের জাতীয় পোষাকের মর্যাদা লাভ করে। আগে বিয়ের দিন কনের বাড়িতে/বিয়ে বাড়িতে সানাই (কণ্যা বিদায় উপলক্ষ্যে করুন সুর) বাজানো হোত। অভিজাতদের বিয়েতে কাওয়ালী গানের আসর বসত। ঢাকাইয়াদের মধ্যে ছেলেমেয়ে পক্ষের মধ্যে বিবাহের কথা পাকাপাকি হলে পাঞ্চিনি অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। আবার গায়ে হলুদের পূর্বে মেয়ে পক্ষ কাঁচা হলুদের সাথে অন্যান্য সুগন্ধী দ্রব্য একত্রিত করে ছেচে কুটাকে কেন্দ্র করে হলুদকুটা অনুষ্ঠান পালন করে থাকে। হলুদের আগে কনে পক্ষ বর পক্ষের বাড়িতে ডালা নিয়ে যায়। হলুদ সন্ধ্যায় নাচ-গান/ডিজে পার্টির আয়োজন করে থাকে।

স্থানীয় ঢাকাইয়াদের মধ্যে প্রচলিত কথ্য বাঙালীদের কুট্টি বাংলা ও সুব্বাসীদের উর্দূ ভাষার কোন লিখিত রূপ নেই। এছাড়া ভাষা আন্দোলনের পর থেকে ঢাকাকেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবীদের মাধ্যমে শুদ্ধ ঢাকাই বাংলা সারা দেশের শিক্ষিত মানুষের মূল আদর্শ ভাষা হিসাবে গৃহীত হয়েছে। যা নব্বই দশকে ঢাকাই নাটকের ভেতর দিয়ে পরিপুষ্টতা অর্জন করেছে। ঢাকাই টিভি নাটক বরাবরই কলকাতার টিভি নাটকের চেয়ে অনেক বেশি মানসম্মত, বহুমাত্রিক বৈচিত্র‍্যপূর্ণ এবং জীবনমুখী। এই ঢাকাভিত্তিক শুদ্ধ চলতি বাংলা কলকাতার বাবুদের শুদ্ধ কথ্য বাংলা থেকে সম্পূর্ণরূপেই পৃথক/স্বতন্ত্র। ফেব্রুয়ারী মাসে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলার আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৯৯ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীর শহীদ/ভাষা দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং ১৯১৭ সালে ১লা বৈশাখের দিন বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে চারুকলার আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ঢাকার বাংলা ব্যান্ড সংগীত, ২১শে ফেব্রুয়ারীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১লা বৈশাখের বর্ষবরন ও মঙ্গল শোভাযাত্রা কলকাতার তরুন সমাজ ও সংস্কৃতি সেবীদের প্রভাবিত করেছে। এর প্রভাবেই কলকাতায় বাংলা ব্যান্ড সংগীতের প্রসার ঘটেছে। তারা ২১শে ফেব্রুয়ারীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন এবং ১লা বৈশাখে বর্ষবরণ আয়োজন করছে। এজন্যই ঢাকাকে এখন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির রাজধানী বলা হয়। চলবে-(পরবর্তী ২য় পর্বের খ-অধ্যায় পড়ার আমন্ত্রণ রইল)। ভাল লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করুন।

[email protected]

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK