শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮
Friday, 06 Jul, 2018 08:58:28 pm
No icon No icon No icon

দেখে আসলাম, বাংলা সিনেমা-পোড়ামন ২


দেখে আসলাম, বাংলা সিনেমা-পোড়ামন ২


মো: জাহাঙ্গীর হোসেন: কেন জানিনা, খুব ছোট সময় হতেই, সিনেমা, আমাকে ভীষন টানত, আজও টানে – ভাল লাগে, বেশ ভাল লাগে, নিজ দেশের ভাষায়, নিজ দেশের সিনেমা দেখতে। যখন আমার ৫ বছর, তখন প্রথম সিনেমা দেখি, আমার ছোট মামা আমাকে সিনেমা দেখিয়েছিল, বাহাদুর - একটা গান ছিল, রূপে আমার আগুন জ্বলে- খুব মজার একটা স্মৃতি আছে, পরে বলব সেটা, যাহোক সেই ছোট্ট বয়সেই গ্রামের বাড়ির টিনের বেড়ার মধ্যে, লেপটে লাগানো চিত্রালির রঙিন ছবিগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখতাম ও পরতাম, ইত্তেফাক এর পাতার শেষের দিকে সিনেমার বিজ্ঞাপন দেখতাম, আর কোন কোন হলে সিনেমাগুলো চলছে, তাও দেখতাম, কেমন একটা ভাল লাগা কাজ করত। রেডিওতে শুনতাম আসিতেছে মাঝহারুল আনোয়ার সাহেবের শৈল্পিক কন্ঠ যেন, আজো কানে বাজে – কন্ঠের মাধুরী কাকে বলে, ওনার চেয়ে ভাল দৃষ্টান্ত, অন্য কেউ আর সৃষ্টি করতে পারেননি বলেই আমি মনে করি। একবার হলো কি দুর্বার অনুষ্ঠানে আমাদের পিচ্চিদের নাম অনুরোধের আসরে পাঠিয়ে দিলাম, গানটি ছিল রজনীগন্ধা সিনেমার- আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত গন্ধ বিলিয়ে যাই, কি আশ্চর্য, আমাদের নাম, রেডিওতে ঘোষনা করছে, এই গানটির জন্য অনুরোধ করেছেন, ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে সালমা, আউয়াল, জাহাঙ্গীর…….., আনন্দে আটখানা – বিশাল কিছু একটা যেন জয় করে ফেলেছি, এই যে শৈশব এই যে বেড়ে উঠা, এই যে সমাজের অলিগলি আস্তে আস্তে বুঝতে পারা – এটা কিন্তু একজন মানুষের জীবনের মুল্যেবোধের জন্য জরুরী, আমার মনে হয় এমন সুন্দর একটা সুন্দর শৈশবের হাতেখড়ি আমার হয়েছিল। এখনতো ভীষন ব্যস্ত, সিনেমার জন্য যে ৪/৫ ঘন্টা বের করব সে সময়টা আর তেমন করে হয়ে উঠে না। এবার তাই ঈদের ছুটিতে প্লান করছিলাম যে করেই হোক একটা সিনেমা দেখতেই হবে, যেই কথা সেই কাজ – ঈদের দুদিন পর চলে এলাম ঢাকার বলাকা সিনেমা হলে, মনিং শো (সকাল ১০.৩০ মি:), ১৮-০৬-১৮, হাফ দামে ( ভি আই পি ৩০০ টাকার টিকিট ১৫০ টাকায়) কেটে ছবি দেখা শুরু করলাম। প্রথমেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন, লাল সবুজের পতাকা, আমার পতাকা, আমার দেশের পতাকা, সম্মান আমাকে দাড়িয়ে দেখাতে হবে, সকলকে দেখাতে হবে, দু, একজন পাশে বসেছিল, অনুরোধ করাতে তারাও দাড়িয়ে সম্মান দেখাল – ভালো লাগল, আসলে সব মানুষই ভালো, একটু প্রয়োজন দিক নির্দেশনা। পোড়ামন-২ সিনেমার শুরুটাই আমাকে মুগ্ধ করল, কত সাবলিল গ্রাম্য পটভূমিতে যেন নিজেকে গ্রাম বাংলার প্রকৃতির সাথে মিশিয়ে ফেললাম, ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে আত্মহত্যা যে মহাপাপ ও ইসলামে এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ তা সিনেমায় খুব হৃদয়গ্রাহী সিনেমাগ্রাফির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন। পরিচালক রাফিউল রাফির কাজের প্রশংসা আমাদের করতেই হবে। প্রতিটি সিনেমার গল্পেই প্রেম ভালবাসা থাকে – একই গল্প, নির্মান কৌশল, অভিনয় শৈলী, আবহ সংগীত ও আনুসাঙ্গিক শিল্প নির্দেশনার মাপকাঠিতে অনবদ্য হয়ে উঠে, যার সত্যিকার প্রস্ফুটন হয়েছে পোড়ামন -২ ছবিতে। নায়ক সিয়াম ও পূজার অভিনয় আমাকে মুগ্ধ করেছে, নবীন প্রাণে লাগে, অনবদ্য শৈল্পিক ছোয়ায় মনকে আলোরিত করেছে। নতুন এক সালমান শাহ যেন আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে, পূজা যেন শাবনুর পর্যায়েরই এক কলি, ভাল লাগে ভীষন ভাল লাগে, ভাল লাগে, ভাল কিছু দেখলে, এরা তো আমার দেশের, বাংলাদেশেরই সন্তান, ওরা ভাল করলে, সফল হলে, দেশেরই তো সফলতা, বাংলা চলচিত্রের সফলতা, বাংলা চলচিত্রের বেঁচেথাকার সফলতা। দেশপ্রেম কি শুধু মুখে মুখে বললে হবে, দেশপ্রেম আনতে হবে বুকের ভিতর থেকে, দেশের একটা মানুষের সফলতাকে ধরতে হবে, আমার সফলতা, দেশের সফলতা। দেশের সিনেমা শিল্প অন্যের হাতে চলে যাচ্ছে, অন্য দেশের হাতে চলে যাচ্ছে, আর আমি বসে বসে নাক-সিটকাবো, এদেশের নায়ক – নায়িকা, সিনেমা বাংলা সিনেমা, কেউ দেখে ! কেন আমাদের শবনম, শাবানা, কবরী, কবিতা, রোজিনা এরা কি আমাদের কম দিয়ে গেছেন, নায়কদের মধ্যে নায়ক রাজ রাজ্জাক, রহমান, উজ্জল, ফারুক, বুলবুল আহম্মেদ সহ আরো অনেকের নাম কি কখনো আমরা ভুলতে পারব। একটা শিল্প কিন্তু একদিনে তৈরী হয় না, তিলে তিলে তৈরী হওয়া শিল্প ধ্বংস হতে বেশী দিন সময়ও নেয় না, সুতরাং রক্তবিন্দু দিয়ে গড়া আমাদের চলচিত্রকে বাঁচাতে হলে প্রথমেই আমাদের মনো মানষিকতা বদলাতে হবে, আমাদের ঐতিহ্যের, গর্বের, এই শিল্পকে নিয়ে আমাদের গর্ব করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রথমেই সিনেমাহলগুলো ধরে রাখতে হবে, পুরোনো হল ভেঙ্গে মার্কেট বা অন্যকোন প্রতিষ্ঠান করলেও পুরোনো হলের নামেই একটা হলের অস্তিত্ব সেখানে থাকতে হবে, নতুন নতুন সিনেমা হল বানাতে হবে। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সাবটাইটেল দিযে সিনেমা মুক্তি দিতে হবে, যৌথ প্রযোজনার সিনেমাগুলোতে কঠোর দৃষ্টি দিয়ে দেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন হচ্ছে কিনা দেখতে হবে, চলচিত্র বিষয়ক সভা – সেমিনার , প্রশিক্ষন একাডেমি করতে হবে। একটা সিনেমা কি শুধুই একটা শিল্পের অংশ, সিনেমাটি কি নিজের জীবনের, আমাদের জীবনের, একটা পটভূমি নয়, একটা মানুষের জীবন ৬০/৭০ বছর বা আরো কিছু বেশি, এ জীবনে কত্ত স্বপ্ন, সাধ, বাসনা দুঃখ-কষ্ট, ভালবাসা ভাললাগা সবই কিন্তু এই ৩ ঘন্টার সিনেমাতেই আমরা পেয়ে যাই। তাইতো প্রায়শ:ই ছুটে যাই সিনেমা হলে, মানুষের জীবনের অনেক না বলা কত কিছুরই হিসাব মিলে যায় এখানে বা এখান থেকেই জীবনের স্বপ্নের শুরু হয়ে যায়, যা বাস্তব জীবনে প্রতিফলনেরও অনেক চেষ্টা এখান হতে মানুষ করে। সিনেমা মানুষের জীবনেরই কথা বলে,সিনেমা যেমন মানুষকে ভাল পথ দেখায়,তেমনি সিনেমা মানুষকে খারাপ পথেও ধাবিত করে, সেক্ষেত্রে খারাপ সিনেমার প্রভাতও মানুষের মধ্যে পরে। গত (২০/৬/১৮) ঈদের পর গিয়েছিলাম কামরঙ্গির চর (নদীর পার) বেড়াতে, সেখানে দেখি ত্রকদল ১৬-১৭ জন ৭-৮ বছরের বাচ্চারা প্লাষ্টিকের রাইফেল দিয়ে নদীর পাশ দিয়ে, রাস্তায় সন্ত্রাসী মর্হড়া করে এগিয়ে যাচ্ছে,পথমধ্য সাইকেল চালিত ছোট ত্রক ছেলেকে তারা চরমভাবে সন্ত্রাসীরা যেভাবে আক্রমন করে সেভাবে আক্রমন করল,অনেকটা অভিনয়ও সাথে ছিল। শৈশবে কিন্তু সিনেমার খারাপ দিকগুলো ওদের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে, সেই ক্ষেত্রে আমি বলব এরা যদি পোড়ামন-২ দেখত তবে ওরা শৈশবের সুন্দর বেড়ে উঠা, মানুষকে ভালবাসা, সুস্থ্য প্রতিবাদ করা,পারিবারিক আবহের যে সম্মান বোধ তা কিন্তু তাদের মধ্যে জাগ্রত হত, উশৃঙ্খল এ অস্ত্রের মহড়া আমাদের দেখতে হতো না। শৈশবের শিক্ষাই কিন্তু মানুষের বাকী জীবনের পথ চলার হাতিয়ার। সুস্থ্য সুন্দর নাট্যকলা, সিনেমা,বিনোদন মানষের চলার পথকে মশৃন করে। সেই ক্ষেত্রে অভিভাবকদের ভুমিকা কিন্তু অতি জরুরী ’ আজ কাল কারো বাসায় গেলে দেখা যায় ছেলে মেয়ে কি অবলিলায় পার্শুর্বতী দেশের ভাষার কার্টুন দেখছে,আর বলছে, ক্যায়সে হ্যায় আব, এই শুনার জন্যই কি ৫২ এর তাজা রক্ত,৭১ এর স্বাধীনতা, ভাল লাগে না, একদম ভাল লাগে না। মানুষের দৃষ্টি ভঙ্গি,মেধা,মনন তথা মাতৃভুমির জন্য যে টান তা কিন্তু এই ছোট ছোট জিনিসের মধ্যে নিহিত, এ টানটাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে,তবেই কিন্তু সার্থকতা। প্রতিটি মানুষের ভিতর একজন সুন্দর মানুষ থাকে, সে হাসে, খেলে, গান-গায়, স্বপ্ন দেখে এবং কঠিন বাস্তবতার মধ্যে দিয়ে যাপিত করে তার জীবন। এই জীবন অবশ্যই মানুষের, মানুষের কথা বলতে হবে, ভাবের আদান-প্রদান করতে হবে, নানা আয়োজন থাকতে হবে জীবনে।এখনো মনে আছে কিশোর বয়সে খালাতো ভাইবোন, মামাতো ভাইবোন, আত্মীয় পরিজন নিয়ে নাটক, যাত্রা ও সিনেমা দেখতে যেতোম, কি একটা উৎসব, যেন পারিবারিক বন্ধনের সুতিকাঘর কেমন অবলিলায় গড়ে যেত। আজও কিন্তু তা দরকার এবং ভবিষ্যৎ এ তা দরকার হবে। অনেকের বাসায় বেড়াতে গেলে দেখা যায় কিশোর বয়সের ছেলে মেয়েরা আস-সালামুলাকুম/শুভ সকাল/শুভ বিকাল বলেই রুমের ভিতর হারিয়ে যায়, ট্যাব,মোবাইল,ল্যাপটপ বা কম্পিউটার নিয়ে। বাচতে হলে এসবের ও প্রয়োজন আছে, কিন্তু প্রকৃত জীবনের গন্ডির বাইরে যেয়ে নয়। ভালকে আমি সবসময় ভাল বলার চেষ্টা কর। অনেকের ধ্যান-ধারনা ও প্রকৃত সমর্থন আমি এখন প্রায় সবার কাছ থেকে পাচ্ছি, ভাল লাগে, অনেক ভাল লাগে, অনেক উৎসাহিত হই, এই পৃথিবীতে এত এত ভাল মানুষ,খারাপ লাগে জীবনের বাস্ততার কারনে অনেকের পাশেই মতের আদান প্রদান করতে পারি না। পোড়ামন-২ তে আবার আছি,ছবির শুরুতেই জিয়াসমিন নামের প্রেমে ব্যর্থ হওয়া ৫ মাসের এক অন্তমৃত্যু মেয়ের আত্মহত্যা ও গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু ও র্ধমীয় ইমাম সাহেবের জানাজা না দেওয়া ও কবর না দেওয়া নিয়ে কাহিনীর শুরু হয়। পারিবারিক গল্পধারায় প্রেম আসে, বাধা আসে, প্রেম ভালবাসার গল্প,পৃথিবীর শুরু হতেই এ গল্প, তবুও ভাল লাগে এ গল্প। আসলে একজন পরিচালক হল প্রকৃত শিল্পী, যার হাতের পরশে যে কত সুন্দর প্রস্ফুটন হতে পারে, দুটি কলি তার উদাহরন হল,সিয়াম ও পূজা, খুব ভাল লেগেছে ওদের অভিনয়,অবশ্যই পেছনের মুল কারিগর ছিলেন পরিচালক -আপনাকে ধন্যবাদ। একজন পৃষ্টপোর্ষক বা ব্যাবসায়িক নির্ভিক বানিজ্যিক উদ্যোক্তা, জাজ মালটি মিডিয়ার আজিজ ভাই অবশ্যই প্রধান ধন্যবাদ পাবার যোগ্য,কেননা এই মানুষগুলা কত কষ্ট, পরিশ্রম, আর্থিক ঝুকি নিয়ে, মনের আনন্দে, আমাদের জন্য টাকা লগ্নি করেন। শিল্পের প্রতি বিশাল একটা ভালবাসা না থাকলে কি এটা করা সম্ভব, ধন্যবাদ আজিজ ভাই, দাদীর চরিত্রে আনোয়ারতো সার্বজনীন দেশের মা, মা চরিত্রে রেবেকা, বাবা চরিত্রে নাদের চোধুরী, ভাই চরিত্রটিও দারুন, নায়কের ভাইয়ের চরিত্রে হৃদয়গ্রাহি অভিনয় কোরেছেন বাপ্পারাজ, ভিলেন হিসেবে নায়িকার ভাইয়ের চরত্রটিও বলিষ্ট ছিল, কাঠি ও বস্তা (কমেডি) চরিত্র দুটিও মন কেড়েছে, ফজলুর রহমান বাবু ভাইয়ের অভিনয় এর প্রশংসা করার মত যোগ্যতা আমার নেই – যাহোক সবাইকে প্রান ঢালা অভিনন্দন, আমাকে/আমাদেরকে মন ভরে কাঁদানোর জন্য। প্রায়ই মনে হতো, সেই আগের ছবি দেখে যেমন কাঁদতাম, যদি তেমন করে কাঁদতে পারতাম, তবে মনটা বোধহয় হালকা হতো, পোড়ামন – ২ দেখে, সে আশা পূরন হয়েছে, মনটা হালকা হয়েছে, ভাল লেগেছে। কতবড় একটা সার্থক টিম ওয়ার্কের কাজ যা না দেখলে বোঝা যাবে না, এ রকম ভাল শিল্পকে সবারই উৎসাহিত করা উচিত এবং এটা আমাদেরই প্রয়োজনে, শিল্পের জন্য মানুষের প্রয়োজন হয় না, মানুষের বাঁচার জন্যই শিল্পের, কলার নাটকের যাত্রার, সিনেমার প্রয়োজন। ছবির আবহ সঙ্গীতে ইমন সাহার তুলনা তিনি নিজেই। ছবিটি এত বেশি ভাল লাগল যে দ্বিতীয়বার আমার স্ত্রীকে নিয়ে আবার দেখলাম, ও নিজেও বিমোহিত হয়ে গেছে। ভালর সাথে ছিলাম, আছি থাকব, আশাকরি আপনারাও যে কোন ভালর সাথে থাকবেন। ভালর সাথে থাকলেই আমরা ভবিষ্যতে আরো ভাল, ভাল, সৃষ্টি অবলোকন করতে পারব, ময়ূরের পেখম যদি বাহিরের অঙ্গ সৌরভেও না থাকে দুঃখ নেই, মনো আঙ্গিনায় যদি তা থাকে, তবে অবশ্যই, তা সবার সম্মুখে মেলে ধরব, ভাবব না কে কি বলল, নিজের বলে কথা, দেশের বলে কথা, নিজের সংস্কৃতি বলে কথা, দেশের অহংকার বলে কথা, নিজের যা আছে তাই তুলে ধরব, নিজের তালপাতার বাতাসেই ঠান্ডায় ভরিয়ে দিব দেশ, অপরের হাওয়ার মেশিন আমার / আমাদের প্রয়োজন নাই- এটাই যে প্রকৃত বেঁচে থাকা, এখানেই যে বাংলাদেশী হয়ে, মাথা উচু করে, বাংলাদেশি হয়ে বেঁচে থাকা। নিজের যা আছে তাই নিয়ে বড় হও, অহংকারের আলমারিটা খুলে ধর, নিজের যা আছে তার প্রশংসায় হও পঞ্চমুখ, স্বার্থকতা পাবেই যেনো, স্বার্থকতার তরে হতে হবেনা উন্মুখ।

”বড় ভালবাসি, মা, বাবা, মাটি ও দেশকে, বড় ভালবাসি, সত্য ও সুন্দরকে।”

(এই লেখাটা একান্তই ব্যক্তিগত ,কমার্শিয়াল দেনাপাওনার, কোন লেন দেন নাই, শুধুই মনের আনন্দে লিখা।)
লেখক: মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ঢাকা।

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK