রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
Thursday, 09 Nov, 2017 07:27:33 pm
No icon No icon No icon

''কোটি কোটি মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা নিশ্চিত করে মুখে হাসি ফুঁটিয়েছিলেন বলেই এরশাদ স্বৈরাচার,,


''কোটি কোটি  মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা নিশ্চিত করে মুখে হাসি ফুঁটিয়েছিলেন বলেই এরশাদ স্বৈরাচার,,


মোঃ আজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন: গণতন্ত্র ছাড়া মানুষকে শাসন করার উত্তম আর কোনো পদ্ধতি এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি মানেই মাও সে তুং এর বিপ্লবী শ্লোগর বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস” বাস্তবতা একনায়কতান্ত্রিক শাসন।কখনো কখনো  রাষ্ট্র জটিল সমস্যায় পড়ে। তখন দেশে গণতন্ত্রের পথ আর খোলা থাকে না। দেশটাকে পরের হাতে তুলে না দিয়ে লেফটেনেন্ট জেনারেল (অবঃ) হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বাংলাদেশের সাবেক সেনা প্রধান ও রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কিছু সময়ের জন্য গণতন্ত্রকে বিসর্জন দিয়ে দেশকে স্বাধীন রাখার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছিলেন ঐ ঐতিহাসিক সিন্ধান্ত গ্রহনের জন্যে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কে আমি ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের শোষিত ও নির্যাতিত মানুষের শান্তিময়, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই তিনি কাজ করেছেন। তিনি সারাজীবন গরিবের জন্য, নির্যাতিত মানুষকে মুক্ত করার জন্যই  সংগ্রাম করেছেন।বাংলাদেশের শোষিত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আজ ও কাজ করেছেন।এরশাদ সরকারকে যারা‘স্বৈরাচার’ বলে।আসলে তারা স্বৈরাচারের অর্থ জানেনা। স্বৈরাচার বলতে বুঝায় নিজের ইচ্ছামতো কাজ করা। হতদরিদ্র মানুষের কল্যানে কাজ করার নাম স্বৈরাচার।সরকার আসে সরকার যায় কিন্তু দেশের মানুষের ভাগ্যের কোনও পরিবর্তন হয় না।পল্লীবন্ধু এরশাদ দেশের দায়িত্ব নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করেন। তিনি দেশের কোটি কোটি  মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা নিশ্চিত করে মুখে হাসি ফুঁটিয়েছিলেন বলেই তিনি স্বৈরাচার। তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি খাতের ব্যাপক উন্নয়ন করেছিলেন বলেই তো তিনি স্বৈরাচার। কোটি মানুষের সেবা করে দেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে তো তিনি স্বৈরাচার। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের উন্নয়নের সুফল এখনো ভোগ করছে দেশের জনসাধারণ তাই তো তিনি স্বৈরাচার এখনো যারা স্বৈরাচার এর অর্থ বুঝতে পারেননি আমি তাদের কে মাথা মোটা ছাড়া আর কিছু বলতে চাইনা না।স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ  ছিল দারিদ্র্যপীড়িত একটি অগোছালো রাষ্ট্র। শুধু কি দরিদ্রতা? দরিদ্রতার পাশাপাশি নিরক্ষরতা আর অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা কাটানোর কোনো উপায়ই বলতে গেলে ছিল না। এরপর পাল্টানোর গল্পটাও কিন্তু একদিনের নয় ।পল্লীবন্ধু এরশাদের ৯বছরে দেশ পরিচালনার জাদুস্পর্শে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সবাইকে। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি ও রূপকার হিসেবে পৃথিবীতে নন্দিত হয়েছেন। মূলত এরশাদের হাত ধরেই দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশ  পৌঁছে যায় স্বপ্নিল  সাফল্যের বিশ্বে। স্বাধীনতার সময় যে বাংলাদেশের  অধিকাংশ জনসমষ্টি ছিল বেকার অথবা অর্ধবেকার, মাত্র ৯বছরে দেশের বেকারত্ব ঘুচিয়ে সেই বাংলাদেশের কর্মরত রয়েছেন  লাখ লাখ কর্মী।এরশাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। নিজের  স্বৈরাচারী  চিন্তা-চেতনায় দেশের জন্য যা মঙ্গলকর তাই করেছেন। পল্লীবন্ধু এরশাদ  ইসলামের একনিষ্ঠ অনুসারী।ইসলাম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম আমাদের জীবনের অংশ। ধর্ম কখনোই অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য বাধা হতে পারে না। ইসলামের শিক্ষা সমসাময়িক সময়ের দৃষ্টিভঙ্গিতে নিতে হবে ইসলাম শুধুমাত্র সপ্তম শতাব্দীর ধর্ম নয়। ইসলাম অবশ্যই সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ধর্ম। আজ বাংলাদেশে ধর্মের নামে যা হচ্ছে আমরাতো এমন বাংলাদেশ চাই নেই । আমার জন্ম হয়েছে ১৯৮১ এর শেষ মাসে ১৮ই ডিসেম্বর । অর্থাৎ স্বাধীনতার ১০ বছর পর। তাই স্বাধীনতার ইতিহাস জানতে কিংবা তার পরবর্তী সময়ের ইতিহাস জানতে বিভিন্ন বই পুস্তক বা প্রবীণদের কথাই শুনেছি।
দেশে যখন স্বৈরশাসন চলছিলো অর্থাৎ সেনাশাসক এরশাদ এর সময়ের কথা শুনেছি তখন  যতটুকু ধর্মনিরপেক্ষতা, বাক স্বাধীনতা , কর্ম স্বাধীনতা , সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছিলো এখন  তার থেকেও ৭৫% কম স্বাধীনতা উপভোগ করছি আমরা? এখন প্রশ্ন হল আমরা কি আসলেই স্বাধীন হয়েছি? এদেশের মানুষ কি স্বাধীন? আমরা কি আমাদের স্বাধীনতা ধরে রাখতে পেরেছি? আমাদের স্বাধীনতার অর্থ খুঁজতে হয়, প্রশ্ন জাগে কে নিরাপদ? কোথায় নিরাপত্তা? তাহলে আমাদের স্বাধীনতাটা কোথায়? দেশের মানুষ আজ ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। সত্য কে মিথ্যা দিয়েই  আড়াল করে দেশবাসীকে এরশাদের সুশাসন থেকে  বঞ্চিত করে নিজেদের আখের গুছাতে এরশাদ এর উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করেছিল।
আবার পিতৃহীন অভিবাবক হীন করে শোষণ বঞ্চনার মাঝে আবারও ঠেলে দিয়ে ছিল  ৩০ লক্ষ শহিদীর রক্তে পাওয়া স্বাধীনতা । ৪২ বৎসর পরেও শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে অধিকারের সংগ্রাম করতে হচ্ছে আমাদের আবারও বার বার জীবন দিতে হচ্ছে। গণতন্ত্র সাধারণ মানুষের জন্য কোন অবস্থাতেই কাম্য হতে পারে না। ৯৫ ভাগ মানুষের অধিকার লুণ্ঠিত হয় ৫ ভাগ ধনিক শ্রেণির দ্বারা। বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে শোষণ নির্যাতন, মানবাধিকার বিধ্বংসী উগ্র সাম্প্রদায়িকতা জঙ্গিবাদী হুংকার। আছে শুধু গণ মানুষে সমুচ্চািরত শান্তিময় জীবন ভোগের উচ্ছলতা। এক নায়কতন্ত্র ব্যতীত কোন দেশ উন্নতি করেছে কেউ দেখাতে পারবেন? আপনি বলবেন মাহাথির মোহাম্মদের কথা? আমি বলবো একটো ভালো করে দেখুন গনতন্ত্রের আড়ালে একনায়কতন্ত্র। বাংলাদেশে রাজনীতির এক নতুন নাম, নতুন ট্রেন্ড, নতুন ব্র্যান্ড পল্লীবন্ধু এরশাদ। মাঝে মধ্যে কথায় কথায় সবাই  বলেই বসেন, "এরশাদের সময়ই ভালো ছিলো। এই জাতীয় মন্তব্য শুনলে মনটা খুশিতে ভরে যায়। গোল্ড ফিশের মতো আমাদের স্মৃতি। খুব দ্রুতই সবকিছু ভুলে যাই। আমার অবাক লাগে! আমরা কি করে ভুলে যাই এরশাদের ৯ বছরের শাসনাআমলকে উন্নয়ন ও সুশাসনের স্বর্ণযুগ কে? দেশের মানুষ এখন আবার এরশাদের শাসনাআমলে ফিরে পেতে চায়। এরশাদের শাসনামল ছিল দেশের জন্য স্বর্ণযুগ। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় এরশাদের বিকল্প নেই। আপনারা এরশাদের শাসনাআমল দেখেছেন। পরবর্তী সরকারের শাসনাআমলও দেখছেন। গরীব-দুঃখী মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করে ছিলেন তিনি হলেন এরশাদ। এরশাদ এর কি দোষ? সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখা? বাংলাদেশে গনতন্ত্রের চেয়ে একনায়কতন্ত্র ব্যবস্থায় দেশে অনেক তাড়াতাড়ি উন্নতি করেছিল।গণতন্ত্র মানেই হলো গণ মানুষের স্বাধীনতা আর একনায়তন্ত্র মানে হলো একক স্বাধীনতা।বাংলাদেশে বর্তমানে টিভি চ্যানেলে যারাই রাজনীতি কথা বলে ওদের কথা বিশ্বাস করা আর নিজেকে বিশ্বাস না করা সমান। তবে কিছু লোক আছে তারা সত্যের রাজনীতির কথা বলে। এখন বলা যাক আসল কথা, বিশ্বের অনেক দেশ আছে যে দেশ গুলো একনায়কতন্ত্র চলছে। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা কি খারাপ সবাই বলবে না। আমাদের দেশের চেয়ে জনসংখ্যা অনেক বেশি। ঐ সব দেশে তো কোন দূর্নীতি নেই, নেই কোন স্বজন প্রীতি, আজ পল্লীবন্ধু এরশাদ  থাকলে আমার দেশের মানুষের মাঝে থাকত না কোন ধনী গরীবের পার্থক্য। এখন ও এরশাদের শাষন ব্যবস্থা কথা সবাই বলে গণতন্ত্রের চেয়ে একনায়কতন্ত্র অনেক ভালো।

লেখক:আপোষহীন তরুণ রাজনীতিবিদ
মোঃ আজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন
আহ্বায়ক-জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK