শনিবার, ১৪ জুলাই ২০১৮
Friday, 12 Jan, 2018 08:43:54 pm
No icon No icon No icon
নতুন বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্য শেখ হাসিনার: আগামী প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ

সবার অংশ গ্রহনে ২০১৮ সালে ডিসেম্বরে একাদশ নির্বাচন


সবার অংশ গ্রহনে ২০১৮ সালে ডিসেম্বরে একাদশ নির্বাচন


এমএবি সুজন/ শামীম চৌধুরী/ তফসির আলম তুষার, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্যে আগামী প্রজন্মকে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার কাজের লাগাতে হবে। চলতি বছরের শেষের দিকে সকলের অংশগ্রহনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিভাবে নির্বাচন হবে, তা সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে। তিনি বলেন, আমরা উন্নয়নের যে মহাসড়কে যাত্রা শুরু করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি, সেখান থেকে আর পিছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। তাই আসুন, দলমত নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ১২ জুন সরকারের চতুর্থ বর্ষ পূর্তি দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ  টেলিভিশন ও বেতার এই ভাষণ একযোগে সম্প্রচার করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বোতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা করবে। 
বিএনপি-জামায়াত জোট নির্মম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি-জামায়াত জোট সারাদেশে নির্মম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল উলে­খ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের দিন ৫৮২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেয়। হত্যা করে প্রিসাইডিং অফিসারসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। ২০১৩ থেকে ২০১৫- এই তিন বছরে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের হাতে প্রায় ৫০০ নিরীহ মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হন। প্রায় সাড়ে তিন হাজার গাড়ি, ২৯টি রেলগাড়ি ও ৯টি লঞ্চ পোড়ানো হয়। ৭০টি সরকারি অফিস ও স্থাপনা ভাংচুর এবং ছয়টি ভূমি অফিসে আগুন দেওয়া হয়। মসজিদে আগুন দিয়ে পোড়ানো হয় পবিত্র কোরআন শরিফ। তাদের জিঘাংসার হাত থেকে রেহাই পায়নি রাস্তার গাছ এবং নিরীহ গবাদিপশুও।
সংবিধানে নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পষ্টভাবে বলা আছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবধিান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বত্রভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। এই কমিশন ইতোমধ্যে দুটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কিছু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আমি আশা করি, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল আগামী সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে সহায়তা করবে। 
উন্নয়নের মহাসড়কে আমরা যাত্রা শুরু করে এগিয়ে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা উন্নয়নের যে মহাসড়কে যাত্রা শুরু করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি, সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম সমৃদ্ধি ও প্রগতির পথে সব বাধা দূর করার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। আসুন, দলমত নির্বিশেষে সবই ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, এ বিষয়ে সচেতন হয়ে দেশবাসীকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবার আহŸান জানান সরকার প্রধান। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে চলবো। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।
দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহব্বান: দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহব্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোন কোন মহল আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করতে পারে। দেশবাসীকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জনগণ অশান্তি চান না। নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনের নামে জনগণের জানমালের ক্ষতি করবেন- এটা আর এদেশের জনগণ মেনে নিবেন না। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। এই কমিশন ইতোমধ্যে দুইটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় পর্যায়ে কিছু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আমি আশা করি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সকল দল আগামী সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে সহায়তা করবেন। 
২৮ বছর বাংলাদেশের জনগণ বঞ্চিত থেকেছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২৮ বছর বাংলাদেশের জনগণ বঞ্চিত থেকেছে। এই ২৮ বছর যারা ক্ষমতা দখল করেছে, তারা নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত ছিল। জনগণের কল্যাণে তারা কোনও ভূমিকা রাখেনি। বরং আমরা জনকল্যাণে যেসব কাজ হাতে নিয়েছিলাম, তারা তা বন্ধ করে দেয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত ২১ বছর এবং ২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত বছর-এই ২৮ বছর জনগণ বঞ্চিত থেকেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে আশু করণীয়, মধ্য-মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। গ্রহণ করেছি ১০ বছর মেয়াদী প্রেক্ষিত পরিকল্পনা। ভাষণের শুরুতে শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আজকের এই দিনে আমি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলাম। আজ  বছরপূর্তিতে আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে হাজির হয়েছি। আমার ওপর যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছিলেন, আমি প্রাণপণ চেষ্টা করেছি আপনাদের মর্যাদা রক্ষা করার। কতটুকু সফল বা ব্যর্থ হয়েছি সে বিচার আপনারাই করবেন। তিনি বলেন, আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশ স্বাধীন করেছেন, একটি আদর্শ ও চেতনা ধারণ করে। বাংলাদেশের মানুষকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অশিক্ষার হাত থেকে মুক্ত করে একটি সুন্দর জীবন নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে স্বাধীনতার সংগ্রাম করেছিলেন। ২৪ বছরের সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ তিনি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেন, তাঁর সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই আমার একমাত্র ব্রত। বাংলার মানুষ যেন অন্ন পায়, বস্ত্র পায়, উন্নত জীবনের অধিকারী হয়’-জাতির পিতার এই উক্তি সর্বদা আমার হৃদয়ে অনুরণন হয়। তাই সর্বদা আমার একটাই প্রচেষ্টা-কিভাবে বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে অর্থবহ করবো, স্বচ্ছল ও সুন্দর করে গড়ে তুলবো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, ৩০ লাখ শহীদ, দুই লাখ নির্যাতিত মা- বোন, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সহায়তাকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সালাম জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির জন্য একটি কলঙ্কময় দিন। মাত্র সাড়ে তিন বছর জাতির পিতা সময় পেয়েছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার জন্য। একটা প্রদেশকে রাষ্ট্রে উন্নীত করে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশটিকে যখন গড়ে তুলছিলেন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিচ্ছিলেন, তখনই চরম আঘাত এলো। ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে আমি ও রেহানা হারালাম প্রাণপ্রিয় মা, বাবা, তিন ভাই, ভ্রাতৃবধূদের এবং অন্যান্য আত্মীয় স্বজনসহ ১৮ জন সদস্যকে। তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতে ছিলাম বলে দুই বোন বেঁচে যাই। কিন্তু দেশে ফিরতে পারিনি আমরা। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী শাসক আমাদের দেশে আসতে দেয়নি। সর্বহারা, নিঃস্ব  ও রিক্ত হয়ে স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে ছয়টি বছর বিদেশে কাটাতে হয়েছিল। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখন আমাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করে, তখন সব বাধা অতিক্রম করে প্রিয় দেশবাসী আপনাদের সমর্থনে আমি দেশে ফিরতে সক্ষম হই। রিফিউজি হিসেবে আমাদের অমানবিক জীবনের অবসান ঘটে। শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরে একদিকে যেমন দলকে সংগঠিত করার কাজে মনোনিবেশ করি, অন্যদিকে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের ক্ষমতা ক্যান্টনমেন্ট থেকে উদ্ধার করে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা চালাই। চারণের বেশে সমগ্র বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে ঘুরে বেড়িয়েছি। আপনাদের জীবনমান উন্নয়নে কী কী কাজ করতে হবে তারও পরিকল্পনা তৈরি করি। সেই সময়কার স্মৃতিচারণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে যখন আপনাদের কাছে গিয়েছি, পেয়েছি অপার স্নেহ, ভালোবাসা, পেয়েছি আত্মবিশ্বাস। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে, বন্ধুর পথ অতিক্রম করে ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার গঠন করে দেশবাসীর সেবা করার সুযোগ পাই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর এই প্রথম আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সুযোগ পেলো। বাংলাদেশের মানুষ সরকারি সেবা পেলো। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ ব্যাপক উন্নতির পথে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ। অপার সম্ভাবনা দৃশ্যমান হতে থাকলো। বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, প্রতিবন্ধীদের সেবাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন জনজীবনে আস্থা সৃষ্টি করেছিল। তিনি বলেন, কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে গভীর চক্রান্ত করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হলো না। এরপর দেশবাসী দেখেছেন রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, অর্থ লুটপাট, হাওয়া ভবনের দৌরাত্ম্য। জঙ্গিবাদ সৃষ্টি, বাংলা ভাইয়ের উত্থান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুজন সংসদ সদস্যসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, সংখ্যালঘুদের নির্যাতন ও হত্যা, জমি, ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, চাঁদাবাজি, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি। ৬৩ জেলায় একসঙ্গে ৫০০ জায়গায় বোমা হামলা হয়। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের র‌্যালিতে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা করে ২২ নেতাকর্মীকে হত্যা, ব্রিটিশ হাই কমিশনারের ওপর গ্রেনেড হামলা, দেশব্যাপী নারীদের ওপর পাশবিক অত্যাচার-সমগ্র দেশ যেন জলন্ত অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছিল। দেশবাসী প্রতিনিয়ত সে যন্ত্রণায় দাহ হচ্ছিলেন। শেখ হাসিনা বলেন, এমনি পরিস্থিতিতে জারি করা হলো জরুরি অবস্থা। ৭ বছর দুঃসহ যাতনা ভোগ করার পর ২০০৮ সালের নির্বাচনে দেশবাসী আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিলেন। আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি- জনগণের সার্বিক উন্নয়নের জন্য।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK