বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭
Thursday, 16 Feb, 2017 01:11:38 pm
No icon No icon No icon
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা

আদালতে যাননি খালেদা, পরবর্তী হাজিরা ২৬ ফেব্রুয়ারি


 আদালতে যাননি খালেদা, পরবর্তী হাজিরা ২৬ ফেব্রুয়ারি


টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতে উপস্থিতের দিন ধার্য থাকলেও বকশিবাজারের অস্থায়ী আদালতে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে না পারার কথা জানিয়ে আইনজীবীদের মাধ্যমে সময় আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করে ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার নতুন তারিখ ধার্য করেন। এছাড়া একইদিনেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য দিতে দিন ধার্য করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ও সানাউল্লাহ মিয়া সময় আবেদন করেন। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারক খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ এবং ৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে পড়ে শোনান। যদিও ওই সময় খালেদার আইনজীবীরা এর তীব্র বিরোধীতা করেন এবং আদালতের প্রতি অনাস্থার কথা জানান। পরে বিচারক অনাস্থার আবেদন নাকচ করে খালেদাকে সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান।

ওই সময় খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি দোষী না নির্দোষ। তখন খালেদা বলেন, ‘আমার আইনজীবীরা আপনার প্রতি অনাস্থা দিয়েছেন। আমিও আনুষ্ঠানিকভাবে আপনার প্রতি অনাস্থা দিলাম। আপনি জোর করে আত্মপক্ষ সমর্থন করছেন। তা মোটেও যুক্তিসঙ্গত নয়।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট থেকে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

পরে ২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন আর রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী (পলাতক) ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান (পলাতক)।

অন্যদিকে ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন-খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।


টাইমস ২৪ ডটনেট/দুনিয়া/৩৫৭৬/১৭

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK