সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯
Wednesday, 09 Jan, 2019 09:07:22 am
No icon No icon No icon

পশ্চিমবঙ্গে হরতাল প্রত্যাখ্যান

//

পশ্চিমবঙ্গে হরতাল প্রত্যাখ্যান


টাইমস ২৪ ডটনেট, কলকাতা থেকে: টানা ৪৮ ঘণ্টা দেশ ব্যাপী হরতালের ডাক দিয়েছিল ভারতের ১০টি ট্রেড ইউনিয়ন। তাতে সমর্থন ছিল বাম দলগুলোসহ কংগ্রেসের, কিন্তু মমতা ব্যানার্জির পশ্চিমবঙ্গে কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মঙ্গলবার ছিল যে কোনো অন্যদিনের মতো। ধর্মঘট সফল করার লক্ষ্যে হরতাল সমর্থকরা অনেক চেষ্টাই করেছিলেন মঙ্গলবার সকাল থেকে। কলকাতার অদূরে স্কুল বাচ্চাদের বাস আক্রান্ত হয়। খোদ কলকাতাতে কিছু লোক পাতাল রেল চালকের কেবিনে ঢুকে  ট্রেন চলাচল আটকানোর চেষ্টা করছে। সকালের দিকে কিছু রাস্তা অবরোধ করা হয়। কিন্তু মানুষকে আটকানো যায়নি।'সব ভয় উপেক্ষা করে পথে বেরিয়েছেন মানুষ। আর এতেই বোঝা যায়, বাংলার মানুষ এই কর্মনাশা হরতালকে প্রত্যাখ্যান করেছেন', সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতায় বলেন তৃণমূল নেতা পার্থ চ্যাটার্জি।দেশব্যাপী এই হরতালের ডাক দেওয়া হয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে। যদিও পশ্চিমবঙ্গে হরতালের সংস্কৃতি অনেক পুরনো, মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় আসার পরে হরতাল ডাকার প্রবণতা কমানোর অনেক চেষ্টা করেছেন। যখনই কোনো রাজনৈতিক দল কোনো হরতালের ঘোষণা দেয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজ্ঞপ্তি জারী করে সরকারি অফিসে কর্মচারীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করে দেন। তা ছাড়াও রাস্তাঘাটে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং পর্যাপ্ত সংখ্যায় সরকারি বাস নামানো হয়।
এইসব কারণেই হরতালের সংস্কৃতি থেকে অনেকটাই সরে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ। মঙ্গলবার যদিও ঝাড়খণ্ড, ছত্তিসগড়, মহারাষ্ট্র সহ কিছু রাজ্যে হরতাল সমর্থকরা রাস্তায় নেমে জনজীবন বিপর্যস্ত করার চেষ্টা করেন, পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি ছিল অনেক আলাদা কারণ জনজীবনের উপর হরতালের প্রভাব ছিল খুব কম।পশ্চিমবঙ্গে বাম জামানায়  ছবিটা ছিল একদম উল্টো । তখন ভারত বন্ধের ডাক দিলে অন্য রাজ্যে তার প্রভাব না পড়লেও, পশ্চিমবঙ্গে সর্বাত্মক বন্ধ পালন হতো।হরতালের সমর্থক সিপিএমের পশ্চিমবঙ্গ সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশরা দাবি করেন, পুলিসের সাহায্য নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
উনি আরো বলেন যে, হরতালের বিরোধিতা করে মমতা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে উনার সাথে বিজেপির আলাদা বোঝাপড়া আছে।তৃণমূলের তরফ থেকে এই অভিযোগ খণ্ডন করা হয়েছে।
'বিজেপি বিরোধিতার জন্য হরতালকে সমর্থন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা বিজেপি বিরোধিতা করছি রাজনৈতিক স্তরে। কিন্তু হরতাল হতে দেব না আমরা', বলেছেন পার্থ বাবু।এই অবস্থার মধেই, লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ পথে নেমেছেন এবং তাদের কাজ করছেন । “হরতাল হলে আমাদের মত গরীব মানুষের ক্ষতি । আজ যে আমি আস্তে পেরেছি , তার জন্য আমি খুব খুশি” জানিয়েছেন উত্তর কলকাতায় শপিং মলের কর্মচারী বিতান হাজরা ।

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK