বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮
Tuesday, 20 Mar, 2018 06:36:40 pm
No icon No icon No icon

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা


ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা


এমএবি সুজন/ সহিদুল ইসলাম রেজা, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা : গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিমের আদালতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক বাহাদুল ইসলাম এই মামলা দায়ের করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পল্লবী থানার ওসিকে আগামী ২৬ এপ্রিল মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক সুব্রত ঘোষ। বাদীপক্ষের আইনজীবী ফেরদৌস আহমেদ আসিফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, বালু ভরাট নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক বাহাদুল ইসলাম। মামলায় ড. ইউনূস ছাড়াও আরও তিন জনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন- গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান, গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের দুই কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান।
বাদীর আইনজীবী ফেরদৌস আহম্মেদ বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাজ এন্টারপ্রাইজের সাথে বালু ভরাট নিয়ে প্রতারণা পূর্বক বিশ্বাস ভঙ্গ করার অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পল্লবী থানাকে নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবোতে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট ১৬২ বিঘা জায়গার উপর ‘ঘোষবাগ’ প্রকল্পে আংশিক জায়গায় বালু ভরাটের জন্য বাদীর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিবাদীদের ৫০ লাখ সিএফটি বালু ভরাটের চুক্তি হয়। বাদীর প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী চার কিলোমিটারজুড়ে পাইপ স্থাপন করে জুন ২০১৫ সাল থেকে নভেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বালু ভরাট করে। ওই টাকার মধ্যে বিবাদীরা বাদীকে এক কোটি সাত লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা বিল প্রদান করেন। অবশিষ্ট চার কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৪.২৬ টাকা পাওনা হলে বাদী তা দেওয়ার জন্য চারটি বিল সাবমিট করলেও বিবাদীরা ‘দেই’ ‘দিচ্ছি’ করে ঘুরাতে থাকেন। পরে বাদী টাকা না দেওয়ায় বালু ভরাট বন্ধ করে দেন। ফলে বাদী ওই টাকা আদায়ের জন্য লিগ্যাল নোটিশ দিলেও বিবাদীরা টাকা দেয়নি। মামলায় চার কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৪.২৬ টাকার সঙ্গে দুই কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ডেমারেজ ক্ষতিপূরণসহ মোট ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৮৯ হাজার ৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। সর্বশেষ ১১ ফেব্রæয়ারি তাদের মধ্যে একটি সমঝোতা হয় টাকা দিবেন বলে। বাদী সমঝোতা অনুযায়ী তার টাকা চাইলে আসামিরা হুমকি প্রদান করেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনূস সেন্টারের কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ ওসমানী বলেন, মামলার বিষয়টি আমরা দেখেছি। এই ব্যাপারে আপাতত আমাদের কোনও বক্তব্য নেই।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK