শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯
Thursday, 26 Sep, 2019 07:18:15 pm
No icon No icon No icon

আওয়ামীলীগের দুর্দিনের পরীক্ষিত সৈনিক শাহে আলম মুরাদ

//

আওয়ামীলীগের দুর্দিনের পরীক্ষিত সৈনিক শাহে আলম মুরাদ

বিশেষ প্রতিনিধি, টাইমস ২৪ ডটনেট: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। অনেক ত্যগ-তিতিক্ষা ও চড়াই-উৎরাই পেরিয়েই তাকে এই অবস্থানে আসতে হয়েছে। কর্মবান্ধব ও রাজপথের লড়াকু সৈনিক তিনি। নিজেকে কখনও নেতা ভাবেননা। একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই তিনি দল ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। নির্মোহ, সাদা মনের এই মানুষটি রাজধানীর দক্ষিণ এলাকার প্রিয় মুখ, নেতাকর্মীরা তাকে চেনেন বিপদে এগিয়ে আসা প্রথম মানুষ হিসেবে। জানা যায়, ২০১৬ সাল থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহে আলম মুরাদ। এর পূর্বে তিনি ছিলেন অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ছাত্র নেতা থেকে বর্তমানে জননেতায় পরিণত হলেও নেই কোনো অহংকার। দলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি সাদা মনের মানুষ জনবান্ধব হিসেবেই শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে আছেন। 
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থীদের বিজয় সুনিশ্চিত করতে ছুটে বেড়িয়েছেন প্রতিটি ওয়ার্ডে, নিরলসভাবে দলের জন্য কাজ করে গেছেন। প্রার্থীদের বিজয়ে তার ভূমিকা ছিলো স্মরণিয়। ১/১১ এ দলের দুঃসময়ে তিনি রাজপথে সামনের সারিতে থেকে শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলন করেছেন। ওই সময় ঢাকার জজ কোর্ট এলাকা থোেক প্রথম যে মিছিল বের হয়েছিলো তার সামনে থেকে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ কারণে তৎকালীন অনির্বাচিত সরকার তাকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ১ নম্বর আসামি বানিয়েছিলেন। বার বর তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাভোগ করেছেন, হামলা-মামলাসহ বিভিন্ন ধরণের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কেউ যদি বিপদে পরে ত্যাগী ও নিবেদিত প্রাণ এই মানুষটির কাছে আসেন তাহলে তাকে বিমূখ হতে হয় না, সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। নিজের জন্য কিছু না করতে পারলেও নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন দল ও মানুষের সেবায়। দলের নেতা-কর্মীদের বিপদে-আপনে সর্বাগ্রে তিনি এগিয়ে গেছেন।
ছাত্র জীবন থেকেই তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের ঘৃন্য অমানবিক নৃশংস ঘটনা স্বপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। এর পরবর্তী সময়ে কেউ ছাত্রলীগ করার সাহস করতো না। ওই সময় শাহে আলম মুরাদ ছাত্রলীগের নীতি নির্ধারকের ভুমিকায় ছিলেন। এ কারণে তাকে অনেক ষড়যন্ত্রমূলক হামলা-মামলার শিকার হতে হয়েছে। যা ছিলো নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা। তারপর রাজনীতির চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। এ সময় তিনি একাধিক হামলার শিকার হন, মামলা ছিলো নিত্য সঙ্গী, এসময় বেশ কয়েকবার জেলও খাটেন তিনি।
এরপর যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থেকে রাজপথে লড়াই-আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী নেতা শাহে আলম মুরাদ দলের নেতাকর্মীদের কাছে অত্যান্ত জনপ্রিয় মানুষ। দলের নেতাকর্মীরা এক বাক্যে স্বীকার করেন শাহে আলম মুরাদ সাদা মনের কর্মীবান্ধব ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত নিবেদিত ও নির্মোহ নেতা। যিনি কখনও নিজেকে নেতা ভাবেন না, বরং নিজেকে কর্মী মনে করে একাগ্র চিত্তে কাজ করে যান। তার প্রতি রয়েছে দলীয় কর্মীদের আস্থা, সাধারণ জীবন-যাপনে অভ্যস্ত এই মানুষটির প্রতি রয়েছে তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK