মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Saturday, 04 May, 2019 12:31:18 am
No icon No icon No icon

কলকাতার পর এবার বাংলাদেশ আঘাত হানবে ফণী

//

কলকাতার পর এবার বাংলাদেশ আঘাত হানবে ফণী

টাইমস ২৪ ডটনেট, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কলকাতা থেকে আর বেশি দূরে নেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী। ওড়িশায় আঘাত হানার পর পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছাকাছি চলে আসা ফণী আজ মাঝ রাতেই আঘাত হানবে গোটা রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গের আঘাত হানার পর এটি বাংলাদেশে অভিমূখে ছুটবে। ইতোমধ্যেই কলকাতায় শুরু হয়েছে ব্যাপক বৃষ্টি। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ভারতে ৮ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। তবে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে, প্রবল শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়টির শক্তি কিছুটা কমেছে।
ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়া ট্যুডে বলছে, দিঘা ও মন্দারমণিতে উত্তাল হয়ে ওঠা সমুদ্রের ঢেউ ১০ থেকে ১৫ ফুট উঁচু হয়ে আছড়ে পড়ছে উপকূলে। সমুদ্র তীরের বাঁধ উপচে পানি ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে। কলকাতা থেকে ২০০ কিলোমিটার এবং দিঘা থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ফণী। সন্ধ্যার পর থেকেই ওড়িশা লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে ঝড় শুরু হয়েছে। কলকাতায় যখন ফণী প্রবেশ করবে, তখন ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। তবে রোববারের পর থেকে ফণীর প্রভাব থাকবে না এবং দুর্যোগ পুরোপুরি কেটে যাবে। তবে ঝড়ের গতিবেগ শুরুতে ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার হলেও ধীরে ধীরে সেই বাড়তে পারে। মাঝরাত নাগাদ সেই ঝড়ের গতি হতে পারে পৌঁছাতে পারে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি । উপকূলবর্তী এলাকায় তা ১১৫ কিলোমিটারে পৌঁছবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
আজ শনিবার ভোর রাতে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় ফণীর আছড়ে পড়ার কথা থাকলেও শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা শহরের রাস্তাঘাটে সেই আতঙ্কের প্রতিফলন দেখা যায়। মেদিনীপুরে জলদা, চাঁদপুরের বাসিন্দাদের অনেকেই পরিবার নিয়ে নিকটবর্তী সাইক্লোন রিলিফ সেন্টারে আশ্রয় নেন।

কেন খুলনার জন্য রাতটি গুরুত্বপূর্ণ?
ফণী ভয়াবহতা বিবেচনায় গত কয়েকদিন আগে থেকেই সতর্কতা জারি করেছে ভারত ও বাংলাদেশ। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষকে সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এত কিছু সত্বেও ফণীর ছোবলে আটজন নিহত ও ১৬০ জন আহত হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে ওড়িশা রাজ্যে আঘাত হেনেছে ফণী। ফলে গাছ ও বাড়িঘর ভেঙ্গে পড়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বেশিরভাগ অঞ্চলের মানুষ। প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন। গোটা রাজ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। তাছাড়া বিচ্ছিন্ন হয়েছে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাও। ওড়িশার ভুবনেশ্বর, কটক ও পুরী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে সঠিক কিছু বলতে পারেনি।

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK