রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Tuesday, 28 Aug, 2018 06:05:03 pm
No icon No icon No icon

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে নৌকার মনোনয়ন কে পাচ্ছেন : ড. জয়া সেনগুপ্তা নাকি দীপক চৌধুরী?


সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে নৌকার মনোনয়ন কে পাচ্ছেন : ড. জয়া সেনগুপ্তা নাকি দীপক চৌধুরী?


টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা : আগামী নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের মনোনয়ন দিতে সব ধরনের পর্যবেক্ষণ, বিচার-বিশ্লেষণ, জরিপ প্রক্রিয়া অব্যাহত  রেখেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এখন পর্যন্ত  কোনো প্রার্থীর মনোনয়নই চূড়ান্ত হয়নি। ২০১৮ এর একাদশ সংসদ নির্বাচন  অংশগ্রহণমূলক ও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে-এমন প্রত্যাশা করছে আওয়ামী লীগ। দলের সভাপতিমন্ডলীর একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্তব্য করেন, ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলার রায়ের পর  বিএনপির রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতি পরিবর্তন হবে। এখন সব মিলিয়েই রাজনীতিতে ধোঁয়াশা বিরাজমান।  তবে এই রাজনীতি যেকোনো সময় উত্তপ্ত হতে পারে। দলীয় সূত্রমতে, তবে কয়েকটি আসনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি বিশেষ চিন্তাভাবনা করছে।  স্পর্শকাতর আসন হিসেবে বিভিন্ন কারণে বিবেচনার মধ্য রয়েছে ফরিদপুরে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সিট, দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরর সিট, সুনামগঞ্জে প্রয়াত অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিৎ সেনগুপ্তের আসনসহ কয়েকটি।  সুনামগঞ্জ-২ ( দিরাই-শাল্লা) আসনে গত বছর উপ-নির্বাচনে ড. জয়া সেনগুপ্তা নির্বাচিত হন। এই আসনটি স্বাধীনতার আগেও ছিল আওয়ামী লীগের। তখন এখানে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর প্রিয়জন অক্ষয় কুমার দাস। ১৯৭০ এর নির্বাচনে এটি আলাদা মাত্রা পায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জয়লাভের কারণে। এরপর একটানা ৪৭ বছর এখান থেকে নির্বাচিত হন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।  কেবল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অন্তদ্বন্দ্বের কারণে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগবিরোধী হিসেবে পরিচিত নাসির আহমেদ চৌধুরী জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হন। এরপর সামান্য সময়ের জন্য এখানে স্থানীয়ভাবে সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটলেও তা শেষ পর্যন্ত নিষ্প্রভ হয়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে এটা সবসময়ই  অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ঘাঁটি।  দিরাই-শাল্লার স্থানীয়রা জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে আব্দুস সামাদ আজাদের নির্বাচনী সমাবেশে দিরাই এসেছিলেন।  ফলে তাঁর ভাষণের পর এ এলাকাটি আরো বেশি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ভাসিত হয়। স্থানীয়বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ইঙ্গিত  জানা গেছে,  দিরাই-শাল্লার মানুষের সাম্প্রতিক ধারণা আগামী নির্বাচনে এই আসনে অপেক্ষাকৃত তরুণ বুদ্ধিদীপ্ত ও বিশিষ্ট সাংবাদিক দীপক চৌধুরীই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন। সুপরিচিত কলামিস্ট ও লেখক-সাংবাদিক হিসেবে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কাছের মানুষ দীপক চৌধুরী। তিনি একজন অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি হিসেবে জাতীয়ভাবে সুপরিচিত।  স্পষ্টবাদী, সৎ ও ক্লীন ইমেজের মানুষ হিসেবেও পরিচিত তিনি। তাঁর হাতে রচিত হয়েছে প্রায় ২০টি গ্রন্থ। ১৯৯১ থেকে জাতীয় পত্রিকায় একটানা চার বছর প্রকাশিত হয়েছে  বিখ্যাত কলাম ‘প্রধানমন্ত্রী বেয়াদবি মাফ করবেন’। এটি অত্যন্ত আলোড়িত ও জনপ্রিয় কলাম ছিল সেই সময়। পরবর্তীকালে ১৯৯৪ সালে ঢাকায় একুশে বইমেলায় ‘প্রধানমন্ত্রী, বেয়াদবি মাফ করবেন’ কলামটি গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার বহু সভা-সমাবেশ ‘কভার’ করা, সুস্পষ্ট মতামত দিয়ে কলাম লেখার কারণে তিনি এইচ এম এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার সরকার আমলে নানামুখী সংকট ও প্রাণহারানোর মুখোমুখি হন। তবে আপসহীন সাংবাদিক দীপক চৌধুরী স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার ও বিএনপি-জামায়াতের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তাঁর রচিত  ‘দিনবদলে শেখ হাসিনা’ ও  ‘কেন টার্গেট শেখ হাসিনা’ গ্রন্থ দুটি একুশের বই মেলায় ঝড় তুলেছে।  রাজনীতি সচেতন মানুষ ও  নির্ভীক দীপক চৌধুরী ২০১৭ খ্রীস্টাব্দে উপনির্বাচনে দিরাই-শাল্লায় আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিশেষ কারণে তিনি শেষপর্যন্ত  ড. জয়া সেনগুপ্তার নৌকার পক্ষে উপনির্বাচনে কাজ করেছেন। অপরদিকে সরেজমিনে জানা গেছে, সংসদ সদস্যা হওয়ার পর ড. জয়া সেনগুপ্তার স্বল্প উপস্থিতি এলাকাবাসীর কাছে বিভিন্ন নেতিবাচক প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। এলাকাবাসীদের মতে, তাঁর ভাঙা শরীর ও দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণ বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ হবে। বার্ধক্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে এলাকাবাসী মনে করেন, সামাজিক অনুষ্ঠানে ড. জয়া সেনগুপ্তার অনুপস্থিতিও তাঁর অনিচ্ছার একটি কারণ। অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে, ব্র্যাকে সুদীর্ঘকাল চাকরি করা ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রয়াত হওয়ায় সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে নির্বাচন করতে হয়। শোনা যায়, বার্ধক্যের কারণে বর্তমান দায়িত্ব পালন করার ক্ষেত্রে বিশেষ চাপ অনুভব করেন বলেই জয়া সেনগুপ্তা আড়ালে থাকাটাই বেশি পছন্দ করেন।  তবে এটাও সত্য তিনি একজন সৎ ও উচ্চশিক্ষিত নারী। জানা গেছে, ২৫ অগাস্ট দিরাই ডাকবাংলায় স্থানীয় কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের একটি বৈঠক হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য ও সাবেক দিরাই শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শাল্লা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সুনামগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাশসহ কয়েকজন বক্তা বর্তমান সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তার সমালোচনায় মুখর ছিলেন। তবে ডাকবাংলার এই বৈঠকে  আওয়ামী লীগের দিরাই উপজেলা ( শাখা) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বা  শাল্লা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের কোনো নেতাই উপস্থিত ছিলেন না। ড. জয়া সেনগুপ্তার প্রতি ওই  বৈঠকে তীব্র সমালোচনা হওয়ায় নাকি স্থানীয়দের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, বয়োজ্যেষ্ঠা ড. জয়া সেনগুপ্তার সীমাবদ্ধতা থাকলেও তাঁর  সততা ও  নিষ্ঠা নিয়ে দ্বিমত নেই।  
অনলাইন ডেইলি নিউজ পোর্টাল টাইমস ২৪ ডটনেটের এর পক্ষ থেকে ড. জয়া সেনগুপ্তার এমপির সঙ্গে কথা বলার জন্য বার বার চেষ্টা করেও তাঁর মতামত পাওয়া যায়নি। সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক দীপক চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,  দিরাই-শাল্লা আসনে আওয়ামী লীগ থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তিনি তার পক্ষেই কাজ করবেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে তিনি অতীতে সবসময় জীবন-বাজি রেখে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে লেখনীর মাধ্যমে দুর্বার গতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি। শাসকদল থেকে নানারকম অর্থ-বিত্ত দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। লোভ-লালসাকে প্রত্যাখ্যান করার পর মৃত্যুরভীতি দেখানো হয়েছে। কিন্তু তিনি নীতির সঙ্গে আপস করেননি। প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর অশুভশক্তির পক্ষ থেকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা করা হবে এমন  হুমকিও পেয়েছিলেন তিনি। দীপক চৌধুরী জানান, ১৯৯৫-৯৬ সালে সচিবালয়ে ‘উপসচিব ফোরাম’ নামে গঠিত সংগঠনের লিফলেট তৈরি করা, লিফলেট বিতরণের ব্যবস্থা করা, গণমাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত সরকারের স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করানো, দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষাসহ বিভিন্ন কাজ করতে হয়েছে তাকে। বিশ্বকাঁপানো ২১ অগাস্ট হামলার চাঞ্চল্যকর  ঘটনা বিভ্রান্ত করতে অপকৌশল চালানো হয়। এর নায়ক ছিলেন তারেক জিয়া। গ্রেনেড হামলার পর জনকণ্ঠে প্রকাশিত দীপক চৌধুরীর গুরুত্বপূর্ণ বহু প্রতিবেদন ও কলাম প্রকাশের মাধ্যমে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য আলোর মুখ দেখেছে।  স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার আমলে বাংলাদেশের ১৩ জন কালো তালিকাভুক্ত সাংবাদিকদের সঙ্গে তাকেও কালোতালিকাভুক্ত করা হয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দীপক চৌধুরী মনে করেন,  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা  কিন্তু দলেরও প্রধান। সুতরাং আমি বিশ্বাস করি তিনি সবকিছুই বিবেচনা করবেন। সারাদেশের তৃণমূলের চিত্র, সাংগঠনিক অবস্থা ও  রাজনৈতিক চিত্রগুলো  কী তাঁর অজানা? 
‘দিরাই-শাল্লার চিত্র বা অবস্থাগুলো কী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আছে?’ এই প্রশ্নের  জবাবে দীপক চৌধুরী বলেন,  দিরাই-শাল্লা নামের সুনামগঞ্জের এই অবহেলিত জনপদ এদেশে সম্ভবত দ্বিতীয়টি নেই। গত বছরের ৩০ এপ্রিল ডজনখানেক মন্ত্রী-এমপি-আমলা নিয়ে নিজের চোখে শাল্লা দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বন্যায় বুরো ফসলের ভয়ঙ্কর আগ্রাসন ও তলিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা শুনে এসেছেন তিনি। প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রের নিয়মনীতি অনুযায়ী  দেশ চালানোর এক অসাধারণ যোগ্যতার অধিকারী শেখ হাসিনার প্রিয় সম্পদ হচ্ছে দেশের জনগণ। তাই ওই জায়গাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে যাওয়া তাঁর। দেশের মানুষকে অকৃত্রিম স্নেহের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা  গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। মানবিক গুনাবলীর অধিকারী বলেই তিনি বিশ্ব মানবতার মা।
দিরাই-শাল্লার তৃণমূলের মানুষদের চিন্তা-চেতনা ও সামগ্রীক বিষয়ে জানতে চাইলে দীপক চৌধুরী বলেন, আমি এলাকার  বর্ষা মওসুমের ভয়ঙ্ককর চিত্র নিজের চোখে দেখেছি। যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থা সরেজমিনে দেখেছি। দিরাই-শাল্লার কালিয়াকুটা হাওর, বরাম হাওর, টাংনির হাওর বা ছায়ার হাওর, ভান্ডারবিল পারের মানুষের জীবনযাত্রা ঝুঁকির মুখে। ধল, ভাটিধল, ভাঙ্গাডহর, বাউশ্রী, তাড়ল, কুলঞ্জ, হাতিয়া, বোয়ালিয়া, কালধর, নগদীপুর, জগদল, ভাটিপাড়া, রাজানগর, রণারচর, চরণারচর, শ্যামারচর, ললুয়ারচর, সাতপাড়া বাজার, বাংলাবাজার, ঘুঙ্গিয়ারগাঁও, শাল্লা, পোড়ারপার, শ্বাসখাই, সরসপুর, আগুয়াই, মৌরাপুরসহ বেশকিছু গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে তারা আগামীদিনের এমপি হিসেবে নতুনমুখের মানুষ চান। তারা তৃণমূলের মানুষ। নতুনমুখকে এমপি বানিয়ে জাতীয় সংসদে পাঠাতে চান সহজ-সরল মানুষেরা। তাদের ধারণা  এই এলাকায়  নৌকাপ্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে হলে যোগ্যপ্রার্থী দিতে হবে। এই ভাটি অঞ্চলের মানুষের দিনবদল করতে পারবে কেবল নতুন মানুষই। দীপক চৌধুরী আরো বলেন, সত্যি বলতে কী তৃণমূলের অনেকের অসহায়ত্ব আমি দেখেছি। মাইলের পর মাইল অতিক্রম করার পরও চোখে পড়েনি কোনো কবরস্থান বা শ্মশানঘাট। বর্ষা মওসুমে ‘আফালের’ হাত থেকে বাড়ি রক্ষা করার কোনো উপায় নেই এলাকাবাসীর। প্রয়োজনীয় কমিউিনিটি ক্লিনিক নেই, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নেই, উপজেলা সদর হাসপাতাল এতোই দূর যে যাতায়াতের কোনো উপায় নেই। 
 ‘যেসব সমস্যা আপনাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে এরকম দুয়েকটি স্থানীয় সঙ্কটের কথা বলুন, শুনি?’ এই প্রশ্নের জবাবে বিশিষ্ট সাংবাদিক দীপক চৌধুরী বলেন, এখানে বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়ে কৃষক প্রাণ হারান।  বিশাল হাওরে নেই কোনো আশ্রয়কন্দ্র। জীবন বাজি রেখে কৃষকেরা ফসল ফলান কিন্তু সেই ফসল ঘরে তুলে আনবার ব্যবস্থা নেই।  চৈত্র,  বৈশাখ ও  জৈষ্ঠ্য মাসে বজ্রপাতের ঝুঁকির মুখে এলাকার মানুষ বুরো ধান তুলেন ঘরে। হাওর থেকে ওঠে আসার কোনো গোপাট নেই। কয়কমাইল দূর হাওর থেকে বুরো ধান কীভাবে তুলে ঘরে আনেন-এটা দস্তুরমতো গবেষণার বিষয়।  তাদের বিড়ম্বনার কথা বলে শেষ করা যাবে না। যদি আমি সুযোগ পাই তাহলে এলাকাবাসীর চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন আনবো। এটা অবশ্যই সম্ভব হবে। 


  

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK