মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯

মোহিত চৌধূরী অশোক কাননের সেই..... অশোক বৃক্ষটির কথা? যার প্রতিচ্ছায়ায় ভালোবাসার নামে আমরা সমগ্র রুপোলী রাত্রিনিশিথে,  হারিয়ে ছিলাম দু'জনে  উর্ধ্বাকাশে বাসন্তী চাঁদের দোল। নক্ষত্রের গতিপথ..... রুপালী রাত্রির নিজস্ব প্রতিরূপ! তোমার নাসিকা অগ্রে জমে থাকা, কষ্টের বিন্দু বিন্দু জলমতির মালা। অশোকের শোকাশ্রæ

মোহিত চৌধূরী সহস্র আলোকবর্ষ পরে, তোমায় পরেছে মনে। মহা বিশ্বের সৃষ্টিলয়ের, নন্দন তৃষ্ণার জলশাঘরে। আলোক, অন্ধকার, জ্যোৎস্না, নক্ষত্রপুঞ্জের গতিপথে। কেটেছে প্রহর সৌররাগে। মন ছুটেছে সৌর থেকে, মহা বিশ্বের সৃষ্টিপানে। সূর্য, নক্ষত্র,নীহারিকার উষ্ণতায়। অবিরাম তাপ বিকিরণের, সূরের মূর্চ্ছনায় ------ আমাদের প্রিয় সূর্য থেকে। কোটি কোটি

আরিফা মীরা অনেক কিছুই ভালোলাগে সব ভালোলাগাকে পাওয়া যায়না। যা পাই তাই মনে হয়, যক্ষের ধন,হুম সত্যি বলছি। ভালোলাগার ভালোবাসার স্বাদ আজ বিকেলে নিলাম।

আকাশের কালো মেঘ যখন পানি হয়ে মাটিতে পড়লো, মাটি থেকে বেরিয়ে আসল  মনমাতানো মিষ্টি

আমি কবি~বিদ্যুৎ ভৌমিক-এর এযাবৎ কাল যতোগুলো কবিতা পড়েছি , তার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা এইটি-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১১/০২/২০০৪         *********************       বিশেষ দীর্ঘ কবিতা         ----------------------      

মানবতার মশালে হও না সকলে আলোকিত  লেখক: মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা) নীল আসমান নীল আকাশ বুকে  বিশাল যে তার অবয়ব  অবারিত দ্বারে হাত বারাবার তরে  নীরবে-নিভৃতে যেন করে কলরব ।

হাত বারাবার তরে মন

প্রখ্যাত জনপ্রিয় কবি~বিদ্যুৎ ভৌমিকের দীর্ঘ ক-বি-তা , সঙ্গে কবি~বিদ্যুৎ সম্পর্কে       কিছু তথ্য নির্ভর আলোচনা । লিখছেন- সাংবাদিক ডঃ  আদিত্য বসু USA   কবিতা লেখার ব্যাপারটা একেবারেই অল্প বয়সেই মাথার মধ্যে  ঘুরতো

হিলারী হিটলার আভী বালকটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে! মন্ত্রী তাকে রাজার সামনে রাজদরবারে চাবুক মারছে! রাজার মন্ত্রীবর্গ মাতলামো করছে আর বলছে ---- বালকটি পাগল!

বালকটি প্রতিবাদ করে মন্ত্রীবর্গকে বললো ---- চুপ! চুপ হারামখোররা! আমার পা-গোল না! আমার

এমএবি সুজন সত্য সুরাহায় সব আশা পূরণ হয়  মিথ্যার হতাশায় ব্যর্থতা নয়  ভাগ্যরা তার ভো‌গের আগার  ‌যোগ্যরা যার যো‌গের ভাগার সকল কামনা সুফল তয়  নকল বাসনা কূফল ভয় পশুর রাজত্ব কে‌ড়ে নেয় মানুষ মানু‌ষের সা‌থে পশুর যুদ্ধ বা‌জে পরাজয়

এমএবি সুজন ফু‌লে‌রা বাগান ম‌নোপুত সাজান  গুল বা‌গিচার ফুল পাহাড়া আছে  বি‌চিত্র চ‌রিত্র ফো‌টে বাতা‌সে ফু‌লেরো বাসনা চু‌রি হয় প্রাকৃ‌তিক সৌরভ সুগ‌ন্ধি ছড়ায় না‌কের গন্ধ কা‌নের দ্বন্দ্ব ঘেরাণ ঘ্রাণ ভাল কি মন্দ চল‌তে গে‌লে লোক ভয়  ব্যর্থ জীবন মৃত:প্রায় ফুল

মোহিত চৌধূরী স্বাধীনতা তুমি, নির্দিষ্ট একটি সমতট মানচিত্র। স্বাধীনতা তুমি, বৈচিত্রময় বাঙালী জাতি স্বত্তা। স্বাধীনতা তুমি, জাতীয় সঙ্গীতে উদ্ভাসিত লাল সবুজের পতাকা। স্বাধীনতা তুমি, জাতীয় শৃঙ্খলাবোধের নির্মিত্তে শাসনতন্ত্র।  স্বাধীনতা তুমি, জাতীয় স্বার্বভৌমত্ব। স্বাধীনতা তুমি, মার্ক্সসীয় সমাজতন্ত্র। স্বাধীনতা

  সহসা সকাল হ’য়ে  গেছে,  এখনো কাটেনি যেন রাত। মনে মনে ভাড়া বাসার বারান্দা, বারান্দার চাঁদ গোমড়া-গোমড়া, গোমড়া ঘরে থাকা একলা বউ,  প্রশ্ন-চিহ্ন পড়ে আছে বিছানায়।  কাটেনি এখনও রাত, ঘোর !! [ ঘোর, চোখ ফোটা খই ]   মূলত নব্বই

এম শাহজাহান কেন ক্ষিপ্ত হয় উঠো বারবার লেলিহান শিখা কেন  পুড়িয়ে মারে মানব দেহ হে আগুন তোমাকেই বলছি। জান মোদের সীমাবদ্ধতা তবু কেন বিষ ঢেলে দাও বারবার? চৈত্রর বাতাসে দ্বগ্ধ লাশের গন্ধ তুমার হিংস্রতায় আগুন চারদিক ছারখার-হাহাকার।  দয়া করে এবার তুমি- শান্ত






Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK