বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮
Friday, 03 Aug, 2018 12:50:24 am
No icon No icon No icon

টাইমস ২৪ ডটনেটের বহুল আলোচিত লেখক ও কবি এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের নতুন ৭টি কবিতা প্রকাশ


টাইমস ২৪ ডটনেটের বহুল আলোচিত লেখক ও কবি এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের নতুন ৭টি কবিতা প্রকাশ


মনের অংক মিলেনা
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

ঐ পিঞ্জিরায় বাঁধবো কেমন করে
উড়াল পাখি মন যে ঘুরে
বুকের ভিতর মন থাকে
দৃষ্টি বুঝি কাইন্দা মরে।

মন দিয়ে ভালবাসা যায়
দৃষ্টি দিয়ে কি অতো বুঝানো যায় 
ভালবাসার মিষ্টি মধুর ছোঁয়া
ভালোবাসা নিরবে নিভৃতে কত কথা কয়। 

মনতো সে যে অচিন পাখি
সুদুর দূরে যায়
তবুও এ মন কাউকে ভালবাসে
কাঙ্খিত জনা কি, তবু পাশে রয়।

প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তির হিসাব নিকাশ
মনের সাথে, মিলে হয় না বিকাশ
তবুও মন যে, অংক কষে
প্রাপ্তির আশায়, সাজায় আকাশ।

মনো আকাশে, খুজে, একে অপরকে
অপর, মন খুজে, দূরে, অন্যকে
খাঁচার পিঞ্জিরার, মন কেঁদে মরে
অপর পিঞ্জিরার, মন যায়, দূরে সরে।

মনে, মনে, মিল হয় বল কজনার
দুঃখ বেদনা থাকে, প্রায় সবজনার
ছোট ভুবনে, কদিনের জীবনে
ভালবাসা পরিপূর্ণ হোকনা প্রতিজনার।

*********************

বাংলা মায়ের কোলে
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

মাগো তোমায় ভালবাসি ভীষন
ভালবাসি যে এই দেশটাকে
বাবা, তোমায় ভালবাসি অনেক
ভালবাসি এই যে, বাংলাদেশটাকে।

জীবন যে আমার, ধন্য অনেক
সোনা ফলা এই দেশে যে, জন্ম
ভালবাসায় সিক্ত হোক না ভাই, বোন, পরিজন
বিশ্ব যেন, স্বাগত জানায়, মোদের কর্ম।

কর্মগুনেইতো, ধর্মের অনেক সুদ্ধি
জীবন চলার পথে, পাথেয়
দেশমাতারে যে, মাথায় তুলে রেখেছি
মা যে মোদের কাছে, বড় শ্রদ্ধেয়।

শ্রদ্ধায়, অহংকারে গর্ব-গৌরবে
বুকের মাঝে, শীতল পরশ পাই
এদেশ ছেড়ে যে, আমি কোথাও যাব না
বাংলাদেশের, অলিতে, গলিতে যেন সারাজীবন, হারাই।

****************************

শিক্ষার আলোয়
ভরে থাকনা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীরও আঙ্গিনা
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

আমারওতো সাধ জাগে 
স্বপ্ন জাগে মনে
শিক্ষার আলোর বর্তিকা থাকবে 
মোরও হাতে, দেখবে বিশ্ব জনে।

নুন আনতে পানতা ফুরায়
 পানতা আনতে নুন
তাই বলে কি শিক্ষার দ্বিপশিখা 
কেন দেখবে না বলো দরিদ্রজন।

শিক্ষার আলো, সবার ঘরে ঘরে থাক
হোক না সে, ধনী দরিদ্র কিংবা বিকলাঙ্গ
আর্থিক সামর্থেতো সবাই বলীয়ান হবেনা, এও জানি
সরকার ও সমাজকে, লক্ষ্য করতে হবে, সবাই যেন পায় শিক্ষার সঙ্গ।

আরাম, আয়েশ, আর্থিক সংগতি নিয়ে সমাজে যার জন্ম
শিক্ষা গ্রহন করা তার ক্ষেত্রে অধিক সুবিধাজনক, অধিক সুসংগতি
দ্বীন দুঃখী, অবহেলিতের ঘরে মেধাবী জ্ঞানের আলো
এ জ্ঞানের আলোকে, পরিপূর্ণতা দিতে, বিত্তবানদের দেখাতে হবে সম্মতি।

সমাজ সংসারে, বিত্তের হিসাব নিকেশে, কেউতো পরিপূর্ণ বিত্তে সন্তুষ্ট নয়
অভাব যেন, ক্রমবর্ধমান, কিছু মধ্যবিত্ত ও বিত্তবানকে সর্বদাই হানে
তাইতো পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর, কতজনের, মেধাবিকাশে হাত প্রসারিত তাদের
বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত ও বিত্তবানেরা দিনাতিপাত করেন দেখি কেবলই নিজেদের পানে।

আদর, সোহাগ, যতন দিয়া, প্রত্যেক বাবা-মা সন্তানকে মানুষ করে
যার যত বেশি, তার দায়বদ্ধতা ততো বেশি হওয়া উচিত
তাইতো তাকে ঘর, সমাজ-সংসার, দেশের ও বিশ্বের দিকে তাকাতে হবে
তবেইতো বিশ্ব, তার থেকে যেন, উত্তর পাবে সমুচিত।

সরকারের জানি দায়িত্ব আছে, প্রত্যেক নাগরিকের
নিশ্চিত করা আহার, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার
উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এগোতে হলে, আপামর জনতার একাগ্রতা প্রয়োজন
তবেই যে প্রসারিত হবে, প্রকৃত শিক্ষা দীক্ষার।

সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি, স্থায়িত্ব শাসিত কিংবা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান
প্রত্যেকের বাধ্যতামূলক অংশ গ্রহনই এগিয়ে নিবে, পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীকে, শিক্ষার আলোয়
অভাব, দারিদ্রতার কারনে কাউকে ঝরে যেতে দেয়া যাবে না
তবেই যে, বিশ্ব আলোকিত হবে, বিশ্ব ভাসবে, ভালয় ভালয়।

*****************************

কৃষ্ণের তরে
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

কৃষ্ণরে আমার মনে লাগছে
মনে লাগছে ভীষন
এক নজর দেহার লাগি করি ছটফট
তবু কৃষ্ণ কেন হয় না মোর আপন।

আপন পরান, কান্দে তার লাগি
কান্দে, ওরে, দিবা নিশি
এত পাষাণ, কেন হইব কৃষ্ণ
রাইতের বেলা, ঠিকইতো ঘুমায় শশী।

ঘুম আহেনা, অঙ্গ পুইরা যায়
চান্দের লগে কই কথা
ভালবাসার মানুষ, বুকে না থাকলে
কারে বুঝামু, এ ব্যথা।

ব্যথা নিয়ে যে, বিষনাগ ঘুরে
সেতো বুঝবোনা, এ বিষের জ্বালা
কৃষ্ণ আমার, বড়ই সুন্দর
তারে না পাইলেও, সারাজীবন থাকবো রে একেলা।

*******************

ক্ষমা চেয়ে নাও
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

আল্লাহ তুমি রহম কর
হে পাক পরওয়ার দিগার
বান্দা মোরা অনেকেই যে আজ
ডুবেছি, বাড়াইছি যে, কেবলি পাপের আঁধার।

আঁধারে, আঁধারে, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন
পাপ মোচনের কি হয়েছে উপলব্ধি
বেলা বুঝি গেল, রাত বুঝি পোহাল
ক্ষমা যতটুকু চাইছি, স্রষ্টা কি মোদের প্রতি, দেখাবেন সন্তুষ্টি।

কত ভুল মোদের, কত অন্যায়, কত অবিচার
ক্ষুদ্র এ জীবনের ব্যাপ্তিকালে
ফিরে যে যেতে হবে, না ফেরার দেশে
তবে কেন মোরা, ব্যাতিব্যস্ত এত, ইহকালে।

কালের, ঘন্টার, মিনিটের, সেকেন্ডের
হিসাব রাখার, মহান আল্লাহ রাখছেন
মাফ নেইরে, মাফ নেই কারো
মাফ চাইবার সুযোগ শুধু, তিনি ইহ জগতেই রেখেছেন।

ভুল করেছি, পাপ করেছি, ভুল যা হবার হয়েছে
মহান আল্লাহ, পরম দয়ালু, মহানুভব
পাপি, তাপি, পরম গোনাহগারের, সুযোগ যে, এক জীবনে
ক্ষমা কর মোদের, দয়া কর মোদের, তোমার তো নেই, ক্ষমার অভাব।

**************************

নিরাপদ সড়ক চাই এই প্রত্যাশায় আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস
 সড়ক দূর্ঘটনা : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ 
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

প্রতি বছর বিশ্বে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রায় ১.৩ মিলিয়ন লোক মারাযায়, আর ২০ থেকে ৫০ মিলিয়ন লোক গুরুতর আহত হয়। শোকের যে মাতম বা ক্ষতি তা তো কোনভাবেই লাঘব করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় আটজন সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যায়। হিসেব অনুযায়ী মাসে ২৪০ আর বছরে ২৮৮০ জন লোক মৃত্যুবরন করে সড়ক দূর্ঘটনায়। এটা তো গেল নিহতের কথা, কিন্তু কত হাজার কত লাখ লোক যে আজ ভয়াবহ অভিশাপের শিকার হচ্ছে, তার প্রকৃত হিসাব আমাদের কাছে হয়ত নেই। দৃষ্টি দিতে হবে সড়ক দূর্ঘটনার কারন গুলোর দিকে – ১. চালকের দক্ষতার অভাব। ২. যানবাহনের যান্ত্রিক ত্রুটি । ৩. জনসাধারন ও চালকের ট্রাফিক আইন না মানা। ৪. রাস্তা ঘাটের পর্যাপ্ত পরিচর্চার অভাব। ৫. চালকের গতিসীমা না মানা। ৬. যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা। ৭. জনসাধারনের যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়া, ফুট ওভার ব্রিজ ব্যবহার না করা। ৮. অপরিকল্পিত নগরায়ন। ৯. ডেসা, ওয়াসা, টেলিফোন লাইন স্থাপনে সমন্বয়হীনতা। ১০. অপর্যাপ্ত অপরিকল্পিত ও নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মান। ১১. রাস্তায় ডিভাইডারের অভাব। ১২. গাড়ি রাস্তায় বের করার আগে সঠিক ভাবে ত্রুটি পরিদর্শন না করা।
দূর্ঘটনার কারনপর্যালোচনা ও এর প্রতিকারের জন্য সরকার ২০০১ সালে রোড সেফটি সেল (RSC)স্থাপন করে আর ২০০২ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয় এক্সিডেন্ট রিসার্চ সেন্টার (ARC)। সংগঠনগুলো মূলত এ্যাক্সিডেন্ট রোধকল্পে বিভিন্ন ধরনের গবেষনা, প্রতিকার ও সচেতনতামূলক কাজ ও প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে থাকে। ইত্তেফাক এর রিপোর্ট থেকে জানা যায়, চার লাখ ৫০ হাজার লোকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ভুয়া। এই অদক্ষ ড্রাইভার দ্বারা লাখ লাখ লোকের যে অপূরনীয় ক্ষতি হচ্ছে বা হবে তার দায় ভার সংশ্লিষ্ট প্রসাশন কোন ভাবেই এড়াতে পারে না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থার এক হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে রেজিস্টার্ড যানবাহনের সংখ্যা ১৪ লাখ,  রেজিট্রেশনবিহীন যানবাহন রয়েছে প্রায় ৬০ হাজার। এ ছাড়া করিমন, নছিমন, ভটভটি কিংবা মহুরীর সংখ্যা তো অগনিত, যা অবৈধ ভাবে গ্রামগঞ্জ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলাচল করছে। এই দেশীয় ভটভটি, করিমন, নছিমনের দিকে এবার সরকারকে দৃষ্টি দিতে হবে। যেহেতু এটা স্বল্পখরচে ও গ্রামের ব্যাক্তিপর্যায়ে যানবাহনটি অতিজনপ্রিয়, সেহেতু এটিকে আরো জনপ্রিয় করার পাশাপাশি এর সঠিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান ও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় এনে দূর্ঘটনা হ্রাস, দেশীয় শিল্প বিকাশ ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে হবে। এখানে একটি ব্যপারে প্রশাসনকে অধিক কঠোর হতে হবে তা হলো – গতিসীমা নির্ধারনের ক্ষেত্রে। আমরা জানি ১৯৮৩ সালের মেটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী গাড়ি, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ ৭০ মাইল, মধ্যম আকারের কোস্টার ৩৫ মাইল, মালবাহী যানের ১০-৩৫ মাইল গতিসীমা নির্ধারন করা হয়েছে, কিন্তু এই নির্দেশ বেশির ভাগ ড্রাইভার জানেন না ও মানেন না। ফলে প্রতিনিয়ত তাদের সড়ক দূর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
এক সমীক্ষায় দেখা যায় বাংলাদেশে ১৯৯৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ১৩ বছরে ৪৮ হাজার সড়ক দূর্ঘটনা ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর ২০১০ বৈশাখী পরিবহনের একটি গাড়ি ৪০ জন যাত্রীসহ সাভারের তুরাগ নদীতে নিমজ্জিত হয়। 
গতিসীমা নিরূপন ও এসব দ্রুতগতিসম্পন্ন ড্রাইভারদের নিয়ন্ত্রন করতে হলে রাস্তায় তাদের গতিসীমা পরিমাপ করা উচিত। বাংলাদেশে ১৪ হাজার কিলোমিটার রাস্তায় মেট্রোযান গতি নির্ধারন যন্ত্র রয়েছে মাত্র ৩৮ টি । এ যন্ত্রের সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে এবং প্রত্যেক ড্রাইভারকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। সড়ক দূর্ঘটনার আসামীদের কঠোর আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। ঢাকা মূখ্য মহানগর আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে রাজধানী ঢাকাসহ এ আশপাশের এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় ৬১৭ টি মামলা দায়ের করা হলেও কেউ সাজাপ্রপ্ত হননি। অভিযোগ পত্রই তৈরি হয়েছে মাত্র ২৪১ টি। ২০০৮ সালে সড়ক দূর্ঘটনাসংক্রান্ত চার হাজার ৪২৬ টি মামলায় আসামী ছিল ৪৪৩ জন। এর মধ্যে পুলিশ গ্রেফতার করে মাত্র ৭৬১ জনকে। সাধারনত দেখায়ায় সড়ক দূর্ঘটনার পর আসামি ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাক্তি মামলা না করে, বরং সমঝোতাই বেশি করেন। আবার এ সংক্রান্ত মামলায় আসামী আগাম জামিন ও নিয়ে নেন। সেই সাথে নানা ততবিরের মাধ্যমে গাড়িটিও অতি সহজে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেন। ফলে দেখা যায় ড্রাইভাররা দূর্ঘটনা করেও তেমন বিচলিত হন না কিংবা দূর্ঘটনার আগেও ততটা সতর্কতার সাথে গাড়ি চালান না। জনসংখ্যার দিক থেকে ঢাকা বিশ্বের অষ্টম স্থানে রয়েছে। একটি উন্নত দেশে প্রতিটি শহরে প্রায় ৩৮ ভাগ রাস্তা থাকা উচিত, অথচ ঢাকায় রয়েছে মাত্র ৭ থেকে ৮ ভাগ। ফলে যানজট ও সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে অহরহ।
এই স্বল্প পরিসর রাস্তায় নগরবাসীর যাতায়াতের জন্য মাত্র ১০ হাজার বাস ও মিনি বাস রয়েছে যা পর্যাপ্ত নয়। সরকার ইদানিং ১০০ নতুন বাস সংযোজনের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তা ছাড়া ঢাকার আশেপাশে নদীপথে ওয়াটার বাস পরিচালনা করছে, যা সড়ক দূর্ঘটনা ও ট্রাফিক জ্যামের কিছুটা হলেও সমাধান করবে। তাছাড়া ঢাকার আশপাশে গাজীপুর, টঙ্গী, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লাসহ আশপাশে ট্রেনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সড়ক ব্যবস্থার উপর চাপ কিছুটা কমানোর পরিকল্পনা চলছে। এ ছাড়াও নতুন, নতুন, ফ্লাইওভার, পাতাল রেল, এলিভেটেট এস্কপ্রেস, হাইওয়ে, সাবওয়ে পর্যাক্রমে হলে সড়ক দূর্ঘটনা ও টাফিক জ্যাম বহুলাংশে কমে যাবে।

**************************************

ক্ষমা কর মোদের
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

ক্ষমা কর মোরে
আমি যে আঁধারে
দিক বিদিক পথ ভোলা আমি
পাপের চাদর দেখি যেন চারিধারে।

দিক ভুল করে ফেলেছি
সঠিক দিকের আশায় আমি এখন
তোমার কৃপা যে চেয়েছি
তুমি যে মহান বড় আগুয়ান।

দয়ার সাগর তুমি
আমি পাপি বড়ই অভাগী
ক্ষমা চাই যে তোমাতে
মোহ, ভোগে, লোভে ,পাপে, আমি।

পথ হারিয়েছি কতবার
তোমার দেওয়া শাসন বারন
শুনেছি কি বল আমি
ভেঙ্গেছি তোমার পথ বার বার।

প্রভু তুমি জান তোমার 
মানব সন্তানেরা বড়ই অবুঝ
ক্ষমা কর তুমি, তাদের যত দোষ আছে
তোমর প্রান্তরতো জানি সবুজ।

সবুজে, সবুজে ছেয়ে যাওয়া দিগন্ত
তোমারইতো সৃষ্টির মহিমা
আমরা ক্ষুদ্র, বড়ই ক্ষুদ্র
করনা, মোদের, চিরতরে ক্ষমা।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected]mail.com, Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK