সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮
Saturday, 10 Mar, 2018 11:45:46 am
No icon No icon No icon

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো: জাহাঙ্গীর হোসেনের ৭টি কবিতা


সাবেক সেনা কর্মকর্তা  মো: জাহাঙ্গীর হোসেনের ৭টি কবিতা


বাংলা মাটির গান
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)
মায়ের কোলে মাথা রেখে
সোনা ঘুমায় আপন মনে।

বৃক্ষরাজির পল্লবে যে
ছায়া তলে মাথা রাখি।

সরষে ক্ষেতের হলুদ গালিচায়
বাংলা মায়ের নামটি সাজায়।

মটর সুটির গন্ধে যে তাই
পাগল করে, বাংলার গান যে গাই।

ফিঙ্গে, ফড়িং,বউ কুটুম্ব
ডালে ডালে নেচে উঠে বিহঙ্গ।

পুকুর ধারের ঢোল-কলমি
তুলে আনি সাজাই আমি।

এ মাটির, এই রুপের কথা
বলি আমি, এথায় সেথা।

কত বলব, কত গাইব, কত বাধব গান
আমার এ প্রাণ মেতে থাকে, বাংলা মাটির টান।

***********************

অপেক্ষায়
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

গোলাপ ফুলের মতই আমি যে
গন্ধ ঢেলেছি হয়েছি নিঃস্ব
সুবাস বিলিয়ে রং ছিটিয়ে
করেছি সিক্ত, হয়েছি রিক্ত।

আমার দুয়ারে রিক্ত তিমিরে
আসনি তুমি, দেখনি মোরে
অহংকারের দাম্ভিকতা ছুয়েছে তোমায়
দাওনি দেখা, নিঃস্ব করেছ আমায়।

বসন্ত এসেছে, ফুল ফুটেছে
ভ্রমরাও গান যে করেছে
বসন্ত চলে গিয়েছে আজ
আমার ফুল যে ঝড়েও গিয়েছে।

তাতে কি হয়েছে, ফুল গাছগুলোর
নতুন বসন্ত, নতুন পল্লব
থাক না, এই মনে
ঐ সুবাতাসটি , যা চির দুর্লভ।

***********************

প্রকৃতির কাছ হতে নাওনা শিক্ষা
লেখক: মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

বসন্ত বাতাস মনে লেগেছে
হিমেল শীতের পরশ যে আর নেই
শিমুল , পলাশে আঙ্গিনা রঙ্গিন করেছে
বসন্ত কোকিলের ডাক শুনেছে যে, যে কেউ।

গাঁদা, গোলাপ, ঝিনিয়া, সিলভিয়ার রূপ কমে যাচ্ছে
বিটুনিয়া, কিচেনথেমাম ও সূর্যমুখীর সৌন্দর্যে মুগ্ধতা
ডালিয়া ফুল রং বাহারী রঙে রঙিন
প্রকৃতিতে যেন অপরূপ স্নিগ্ধতা।

কৃষ্ণচূড়া, কড়াইয়ের পাতা ঝড়ে গেছে
কদমের ডালে এসেছে কদমের কুড়ি
আম্রকাননে যেন, পুষ্পমঞ্জুরীর নিখূত অলংকরন
কাঁঠালের মুচি আসতেও নেই আর বেশি দেরি।

আতা, জাম, জামরুলের পাতায় শিহরণ
ভ্রমর ব্যতিব্যস্ত, ফুলের পরাগায়নে
লিচুর বনেও যে লাগবে রঙিন আভা
প্রকৃতির এ রূপান্তরের দানে, অপেক্ষায়ই যে মোরা প্রতিজনে।

কন্টকও খেজুর বৃক্ষে, কাঙ্খিত ফলের মাদুলি
তরমুজের, লতা, শাখে, শাখে, ছেয়ে গেছে বেলে মাটি
গমের ক্ষেতে, লোমশ বায়ুর দোলন
কচি ধানের শিষে, যেন, শিশির বিন্দুর ঘাটি।

তেলাকুচ পাতার সবুজ ফুলটি, ধীরে ধীরে মনরূপ রঙে রাঙা
কন্টকময় মাদার বৃক্ষেও, মনোলোভা ফুল
ঘনজঙ্গল বেতগাছেও প্রকৃতিতে আবারিত
বেতুল ফল দিয়ে, সেও যে করে আকুল।

তাল তমালের বৃক্ষ শাখে, মুকুলের অলংকরন বুঝি দেখি
ডুমুর ফলের, মাটিতে গড়াগড়ি
আখের মিষ্টতায় ভরে গেছে ক্ষেত
প্রকৃতির, উদাত্ত হাতে, বিলিয়ে দিতে নেই কড়াকড়ি।

প্রকৃতির মত কেন হতে পারি না মোরা
প্রকৃতি হতেতো নিতে পারি শিক্ষা
অবারিত দ্বারে, বাড়াও না হাত, একে অপরের তরে
এর চেয়ে কি, বড় আছে কোন দীক্ষা।

***************************

তবুও থাকব আমার আমিতে
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

খরতাপে পানি বাষ্প হয় উড়ে যায়
পড়ে গিয়ে সাগরে
আমার মনে অনেক খরা
জীবন আমার যে দুঃখে ভরে।

নেই আমার সাগর 
 নেই নদী
আমার আছে দু চোখ
সেখানে কান্না নিরবধি।

আমার নেই আকাশ
 নেই জলধারার ঠাই 
আমার দু চোখের 
তাইতো অশ্রু ঝরাই। 

বুকে আমার বরফ গলা নদী
সেই নদীর নেই জলধারা
তোমাদের কাছে বলি না
সে যে, আমার কাছেও অধরা।

আমার জলের ধারা নেই
আমার পানির বাষ্পও নেই
আমার নদীর সাগরের দিকে ধারাও নেই
তবুও আমার এই ব্যাথা জানার কারো অধিকার না দেই।

**********************

বাংলাভাষার জয়গান
লেখক: মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

আমি অ, আ, ই, ঈ, ক, খ
লিখে যেতে চাই আজীবন
বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বাংলা ভাষা
ছড়িয়ে পড়ে যেন বিশ্বভূবন।

বিশ্বজনে, কত জনই
কত ভাবেই, মনের ভাব আদান প্রদান করে
মাতৃভাষা ছাড়া কি, মনের কথা হয়
মা, মাটি যে চির শাশ্বত, বলব অহংকার ভরে।

মায়ের উপর অপমানের আঘাত
কোনোভাবেই মানা যায় না
মাতৃভাষাতো বুকের ভিতর
তার সাথেতো, কারো তুলনা করা যাবে না।

মাতৃভাষার সম্মান, মাথার তাজসম
এ তাজের মূল্য যে অপরিসীম
বাংলা ভাষার তরে শহীদ হয়েছেন যারা
তাদের সম্মান যে, মোদের কাছে অকৃত্রিম।

মাতৃভাষার আস্বাদনের যে সুর
বুকের গহীনে বাজে
জাতিসত্ত্বাইতো উজ্জীবিত থাকে
প্রত্যেকেরই, মাতৃভাষার মাঝে।

মাতৃভাষাতো জীবনছন্দে
মানবদেহে, রক্ত প্রবাহের মত
তাইতো বাংলা ভাষার তরে, সালাম, রফিক, বরকত অকুতোভয় শহীদ
২১শে ফেব্রুয়ারি ৫২ তে, বাংলা ভাষার স্বাধীনতা হয়ে থাকে অক্ষত।

*******************************

বাংলাভাষার জয়গান
লেখক: মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

আমি অ, আ, ই, ঈ, ক, খ
লিখে যেতে চাই আজীবন
বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বাংলা ভাষা
ছড়িয়ে পড়ে যেন বিশ্বভূবন।

বিশ্বজনে, কত জনই
কত ভাবেই, মনের ভাব আদান প্রদান করে
মাতৃভাষা ছাড়া কি, মনের কথা হয়
মা, মাটি যে চির শাশ্বত, বলব অহংকার ভরে।

মায়ের উপর অপমানের আঘাত
কোনোভাবেই মানা যায় না
মাতৃভাষাতো বুকের ভিতর
তার সাথেতো, কারো তুলনা করা যাবে না।

মাতৃভাষার সম্মান, মাথার তাজসম
এ তাজের মূল্য যে অপরিসীম
বাংলা ভাষার তরে শহীদ হয়েছেন যারা
তাদের সম্মান যে, মোদের কাছে অকৃত্রিম।

মাতৃভাষার আস্বাদনের যে সুর
বুকের গহীনে বাজে
জাতিসত্ত্বাইতো উজ্জীবিত থাকে
প্রত্যেকেরই, মাতৃভাষার মাঝে।

মাতৃভাষাতো জীবনছন্দে
মানবদেহে, রক্ত প্রবাহের মত
তাইতো বাংলা ভাষার তরে, সালাম, রফিক, বরকত অকুতোভয় শহীদ
২১শে ফেব্রুয়ারি ৫২ তে, বাংলা ভাষার স্বাধীনতা হয়ে থাকে অক্ষত।

*******************************

জীবনের গান
লেখক : মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)

প্রেম ভালবাসা আর প্রীতি
একে অপরকে ধরে রাখে
রচে যায় প্রাণে সে এক গীতি।

বিরহ ব্যাথা দুঃখ গাথা
মনে রয়ে যায় 
দেয় যে ব্যাথা।

সুখ দুঃখ হাসি কান্না
সবার জীবনে 
রচে যায় বন্যা।

উত্থান, পতন, উজান ভাটি
সুখ দুঃখের ঘড়েও 
আসে হাটি হাটি।

মিলন-বিচ্ছেদ, ঝগড়া বিবাদ
সমাজ জীবনে কার না হয়
 হবেই আবাদ।

প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, চাওয়া-পাওয়া
থাকবেই এসব
যাবেনা এদের বাদ দেওয়া।

তবুও মানুষ জীবন নামের 
পথে প্রান্তরে
গীতি কাব্য থাকবে জীবন পাথারে।

***************

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK