শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৮
Monday, 11 Dec, 2017 11:39:38 am
No icon No icon No icon

উপমহাদেশীয় শাড়ির ঘরানা


উপমহাদেশীয় শাড়ির ঘরানা


টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: শাড়ি বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের মহিলাদের ঐতিহ্যবাহী ও নিত্যনৈমিত্তিক পরিধেয় বস্ত্র। শাড়ি অনেক লম্বা ও সেলাইবিহীন কাপড় দিয়ে তৈরি হয়। সাধারণত একটি শাড়ি চার থেকে নয় মিটার (প্রায় ১২ হাত বা ১৮ ফুট) দীর্ঘ কাপড় দিয়ে তৈরি হয়। বিভিন্নভাবে ভাজ করে শাড়ি পরা হয়ে থাকে। সবচেয়ে সাধারণ ভাঁজ হচ্ছে কোমরে জড়িয়ে একপ্রান্ত কাঁধের উপর দিয়ে ঝুলিয়ে দেয়া, যাকে আঁচল বলা হয়। শাড়ি সাধারণত পেটিকোটের (উত্তর ভারতে লেহেঙ্গা/ঘাগড়া এবং বাংলাদেশসহ পূর্ব ভারতে সায়া নামেও পরিচিত) উপরে পরা হয়ে থাকে। উপরের অংশের পোশাক হিসেবে ব্লাউজ (ভারতে চোলি নামেও পরিচিত) ব্যবহার করা হয়। ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাধারণত শাড়ি অনুষ্ঠানের সবচেয়ে উপযোগী পোশাক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেনাবাহিনীতে নারী সেনারা শাড়ি পড়লে কোমরে শার্ট বেঁধে রাখেন।
 
বিভিন্ন ধরনের শাড়ি: যদিও বিমানবালাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শাড়ি বলতে আধুনিক ঘরানার শাড়িকেই জনপ্রিয় করা হয়েছে, তবে উপমহাদেশের প্রতিটি অঞ্চলেই নিজস্ব ধরনের শাড়ির তৈরি ও জনপ্রিয় হয়েছে। নিচে কিছু পরিচিত ও জনপ্রিয় শাড়ির নাম দেয়া হয়েছে।
 
বাংলাদেশী শাড়ির মধ্যে রয়েছে জামদানি, ঢাকাই বেনারসি, রাজশাহী রেশমী শাড়ি, টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি, কাতান শাড়ি, পাবনার শাড়ি।
 
ভারতীয় শাড়ির মধ্যে রয়েছে বাঁধনি (গুজরাট ও রাজস্থান), চিকন (লক্ষ্ণৌ), কটা দরিয়া (রাজস্থান), বেনারসি (বারাণসী), বালুচরী (বিষ্ণুপুর, পশ্চিমবঙ্গ), মুর্শিদাবাদী সিল্ক (মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ), শান্তিপুরী তাঁত (শান্তিপুর, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ), চান্দেরি (মধ্য প্রদেশ) পাইথানি (মহারাষ্ট্র), লুগাদে (মহারাষ্ট্র), ইক্কাত (উড়িষ্যা), পচাম্পালি (অন্ধ্র প্রদেশ), বেঙ্কটগিরি (অন্ধ্র প্রদেশ), গাড়োয়াল (অন্ধ্র প্রদেশ), মঙ্গলগিরি (অন্ধ্র প্রদেশ), বলরামপূরম (কেরল), কাঞ্চিপূরম (স্থানীয়ভাবে কাঞ্জিভরম নামে পরিচিত, তামিল নাড়ু), চেত্তিনাদ (তামিল নাড়ু), মাইসোর রেশম (কর্ণাটক)।
 
নেপালি শাড়ি: নেপালীয় নারীরা বিভিন্নভাবে শাড়ি পরেন। এর মধ্যে হাকু পাতাসি উল্লেখযোগ্য। এটি লাল পেড়ে কালো শাড়ি।
 
পাকিস্তানি শাড়ি: পাকিস্তানে প্রতিদিনের ব্যবহার্য শাড়ির স্থান সালোয়ার কামিজ প্রায় সম্পূর্ণ দখল করে নিয়েছে। তবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখনও শাড়ি পরা হয়ে থাকে। সাধারণত মোহাজির নামে পরিচিত ভারতীয় অভিবাসী পাকিস্তানিরা শাড়ির ব্যবহার টিকিয়ে রেখেছে, যা প্রধানত করাচিতেই চোখে পড়ে।
 
শ্রীলঙ্কার শাড়ি: শ্রীলঙ্কায় বিভিন্নভাবে শাড়ি পরা হলেও ভারতীয় ধরনেই শাড়ি বেশি পরা হয়ে থাকে, যা সাধারণভাবে কানাড়ীয় ধরন (অথবা সিংহলিজ ভাষায় ওসারিয়া নামে পরিচিত)। ক্যান্ডির পাহাড়ি এলাকায় ক্যান্ডীয় ধরন চালু রয়েছে।
 
সূত্র: ব্রেকিংনিউজ।

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK