মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯
Friday, 14 Dec, 2018 03:00:52 pm
No icon No icon No icon

জলবায়ু চুক্তিতে ব্যর্থতা হবে আত্মহত্যার শামিল

//

জলবায়ু চুক্তিতে ব্যর্থতা হবে আত্মহত্যার শামিল

টাইমস ২৪ ডটনেট, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস বলেছেন, জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে তা শুধু মরণঘাতীই হবে না, বরং আত্মঘাতীও হবে। বুধবার পোল্যান্ডে জলবায়ু সম্মেলনে এক ভাষণে তিনি এ হুশিয়ারি দেন। পোল্যান্ডের কপ-২৪ সম্মেলনেই জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নের রূপরেখা দেখতে চান বলে আশা করেন গুতেরেস।

খবর আলজাজিরা ও বিবিসির। বৈশ্বিক উষ্ণতার পরিমাণ কমাতে ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তি করা হয়েছিল। চুক্তিটি এখনও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ বলছে, ২০২০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিকল্পনা তরান্বিত করা হবে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের এমন হুশিয়ারিতে এটা স্পষ্ট যে, জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নে তাৎপর্যপূর্ণ কোনো অগ্রগতি হয়নি।

পোল্যান্ডের কাটোউইচ শহরে চলমান কপ-২৪ সম্মেলনে ১৫০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।

৩ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এ সম্মেলন ১৪ ডিসেম্বর (শুক্রবার) শেষ হচ্ছে। দুই সপ্তাহব্যাপী আলোচনায় প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। ওই চুক্তিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছিল।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সম্মেলনে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের হাতে খুব কম সময় রয়েছে। এ সম্মেলনে ব্যর্থ হলে তা সবুজ অর্থনীতির অপেক্ষায় থাকা মানুষের কাছে একটি বিপর্যয়মূলক বার্তা পাঠাবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ধকল থেকে পালিয়ে আসতে এটিই আমাদের জন্য শেষ সেরা সুযোগ। এই সুযোগ না নেয়াটা শুধু মরণঘাতী হবে না, বরং এটি হবে আত্মঘাতী।

২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণের হার কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল তা বাস্তবায়নে দেশগুলোর পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনা করছেন প্রতিনিধিরা।

এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান কে, কাকে, কীভাবে দেবে তাও সম্মেলনের আলোচনার বিষয়বস্তু। প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন ২০২০ সাল থেকে শুরু হওয়ার কথা। সেটি কার্যকর করতে একটি ‘রুলবুক’ বা নীতিমালা তৈরিই কপ-২৪-এর মূল লক্ষ্য হিসেবে ধরা হয়েছে।

প্যারিস চুক্তিতে বিশ্বের তাপমাত্রা শিল্প বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ে যা ছিল, তার চেয়ে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়তে না দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। সম্ভব হলে তা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়।

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK