সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮
Thursday, 15 Nov, 2018 09:48:42 am
No icon No icon No icon

একান্ত সাক্ষাতকারে মুরাদ চৌধুরী সামশুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে


একান্ত সাক্ষাতকারে মুরাদ চৌধুরী সামশুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে


সেলিম চৌধুরী, টাইমস ২৪ ডটনেট, পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে: বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রাচীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের চট্টগ্রামের পটিয়ার সাবেক অন্যতম ছাত্রলীগ নেতা ও পটিয়া উপজেলা আ’লীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক লায়ন গোলাম সরোয়ার চৌধুরী মুরাদ বলেছেন পটিয়ার উন্নয়নে আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপির বিকল্প নেই। স্বাধীনতার পরে এবং ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ অনেক চড়ায়, উতরায় পেরিয়ে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসলেও পটিয়া আসনটি কেউ উদ্ধার করতে পারেনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে পটিয়া আসনটি উপহার দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে। 
বর্তমানে পটিয়ায় অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী, “তবে একটা কথা আছে, সাজের বেলায় সব পাখিরা নিড়ে ভিরে যায়”। এমপি হয়ে সামশুল হক চৌধুরী গত ১০ বছরে যে উন্নয়ন করেছেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও সে উন্নয়ন আর কেউ করতে পারেনি। বর্তমানে পটিয়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, বাস্তুহারা লীগ, যুব মহিলা লীগ সহ অর্ধশতাধীক অংগসংগঠন তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠিত। তাছাড়া পটিয়ার এমপি সামশুল হক চৌধুরী সাধারণ মানুষের সাথে অতি সহজেই মিশে যায় বলে তাঁকে মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে সর্ব শ্রেণীর মানুষ অভিহিত করে থাকেন এবং পছন্দ করেন। ব্যক্তি সামশুল হক চৌধুরীর একটি পটিয়ায় ক্লীন ইমেজ রয়েছে। যে নির্বাচনে তার নিজস্ব ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে। 
তিনি এ প্রতিবেদকের সাথে তার ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘শিক্ষা শান্তি প্রগতি’ শ্লোগান দিয়ে এ ছাত্র সংগঠনটি গঠন করেন ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি। সংগঠনটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গঠনের এক বছর আগেই গঠন করেন জাতির পিতা। প্রজ্ঞাবান জাতির পিতা জানতেন, মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে হলে ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর ঐক্যবদ্ধ ছাত্র সমাজই পারে দেশ গড়ে তুলতে। আর তাই বিশ্ববাসী দেখেছে ’৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,’৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ‘৫৮ সালের  আয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ‘৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ‘৬৬ সালের ছয় দফা বাস্তবায়ন ও ১১ দফা দাবি প্রণয়ন, ‘৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ‘৭০ সালের নির্বাচন, ‘৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মীরাই ছিল অগ্রবর্তী সৈনিক। জীবন দিয়েছে মানব অধিকার তরে। রক্ষা করেছে বাঙ্গালী জাতির সম্মান ও অধিকার।

জাতির পিতার ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত, সাম্য-সমতা, অসাম্প্রদায়িক স্বপ্নের সোনার বাংলার গঠনের জন্য এ ছাত্র সংগঠন অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। একাত্তরে জাতির পিতা যখন মহান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন তখন জীবন বিপন্ন হতে পারে জেনেও ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগান দিয়ে এই ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরাই সর্বাগ্রে অতীতের ন্যায় রাজপথে বেরিয়ে আসেন। সুতরাং বুকের তাজা রক্ত দিয়ে কেনা যে বাংলাদেশের মানচিত্র তার বড় একটি অংশের দাবিদার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
বঙ্গবন্ধু পরবর্তী বাংলাদেশে হত্যা ও ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা বিশ্ব মানবতার নেত্রী মাদার অব হিউম্যানিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রতিটি সংগ্রামেই তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।
এক এগারোর পরবর্তী চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এ কারণে দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে থাকেন, বাংলাদেশের ইতিহাস মানেই ছাত্রলীগের ইতিহাস। যা বঙ্গবন্ধুও বলে গেছেন বার বার। 
বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গৌরব উজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে এ ছাত্র সংগঠনের। ছাত্রলীগ মানবতার কল্যাণে শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে দেশের ৫০ লক্ষাধিক ছাত্রদের মহৎ নিয়ম শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। কারণ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু মানবীয় নিয়ম নীতি রক্ষার বাহক হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গঠন করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দূরন্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে ছাত্রলীগ। একবিংশ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া এই ছাত্র সংগঠন অসহায় দুস্থদের পাশে বার বার দাঁড়িয়েছে। যার ফলে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১৬ কোটি মানুষের আস্থার আশ্রয়স্থল হিসেবে বেচে নিবে বিশ্বনেত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনাকে নৌকা প্রতীকে পুনরায় ভোট দিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী বানাবেন বলে মুরাদ চৌধুরীর দৃঢ় বিশ্বাস। 
এছাড়াও মুরাদ চৌধুরী আরো বলেন, ২০১৩ সালের এপ্রিলে রানা প্লাজা ধ্বংসের সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হাজার হাজার ব্যাগ রক্ত দিয়ে একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে 
ছাত্রলীগের রক্তের প্রতিটি ফোঁটায় রয়েছে বঙ্গবন্ধুর দর্শন, রয়েছে ত্যাগের মহিমার রক্ত জড়ানোর ইতিহাস, অধিকার আদায়ের প্রাণ বিসর্জন দেওয়ার সুদীর্ঘ ইতিহাস। শুধু রক্ত দিয়েই প্রকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষান্ত থাকেনি এ ছাত্র সংগঠন। তারা অসহায় দুঃস্থ মানুষের পেটে অন্ন এবং বস্ত্রহীনে বস্ত্র তুলে দেওয়ার একাধিকবার বিরল নজীর স্থাপন করেছে।
এর ধারাবাহিকতায় পটিয়ার উন্নয়নে এবং পটিয়াকে জেলা ঘোষনা করতে আপামর জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপিকে পুনরায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে মন্ত্রী করার সুযোগ দেওয়ার আহবান জানান সকলের প্রতি।  

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK