মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮
Tuesday, 15 May, 2018 12:22:22 pm
No icon No icon No icon

রাজধানীর ভাষানটেক থানার ওসির মদদে এক নারীর উপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার অভিযোগ


রাজধানীর ভাষানটেক থানার ওসির মদদে এক নারীর উপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার অভিযোগ


খন্দকার হানিফ রাজা, বিশেষ প্রতিনিধি, টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটনেট, ঢাকা : রাজধানীতে মাদকের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের জিরো টলারেন্স থাকলেও ভাষানটেক থানা এলাকায় মাদক ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে। কোথাও মাদক খুঁজে না পেলেও ভাষানটেক থানা এলাকায় মাদক ব্যবসা জমজমাট রয়েছে। যারাই মাদক সংক্রান্ত তথ্য দিচ্ছে তাদেরকেই হামলা-মামলার সম্মুখিত হতে হচ্ছে বলে। এক্ষেত্রে ভাষানটেক থানার ওসি মুন্সি সাব্বির আহমেদ ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রুহুল আমীনের প্রত্যক্ষ মদদে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা হত্যার উদ্দেশ্যে হেলেনা নামের এক নারীর উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তার বাড়ী-ঘর ভাংচূর  ও লুটপাট করার পর ওই তার বিরুদ্ধেই মাদক ব্যবসায়ীরা একটি মিথ্যা মামলা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় তিনি হামলায় মদদদাতাসহ জড়িতদের শাস্তি প্রদান ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের সদয় জরুরী হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী হেলেনা।
১৪ মে সোমবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। 
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ৮ মে বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে তিনি একা পুরাতন কচুক্ষেতের সিবি-২৬০ নম্বর বাসায় যাচ্ছিলেন। এ সময়  পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুজন, মাদক স¤্রাট ইমু, তার স্ত্রী মাহমুদা, তার শ^াশুরি হালিমা, মাজেদা, সাহিদা, রাঞ্জু, আফরোজা, আঁখি, আরাফাত ও ইমুর সহযোগী ১৫/১৬ জন সন্ত্রাসী লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। এতে তার ডান চোখ ও সারা শরীরে গুরুতর জখম হয়। এসময় তারা চিৎকার করে বলছিলো ওসি ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রুহুল স্যার তোকে মেরে লাশ নিয়ে থানায় যেতে বলেছে। হেলেনার আর্তচিৎকারে মো. শহিদুল ইসলাম অতুল, মো. মিরান, শাহীনা আক্তার, আ. মান্নান ও উর্মিসহ আরো কয়েক জন এগিয়ে এলে তাদেরকে তার শিশু পুত্র শ্রাবণকেও ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে ভর্তি হই। চিকিৎসকরা তার লাঠির আঘাতে গুরুতর জখম হওয়া ডান চোখের উপরে ৪টি সেলাই করেন। হাত-পাসহ সারা শরীরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যা হাসপাতালের রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ রয়েছে।  
তিনি আরো জানান, পরে হেলেনাকে ১ নম্বর আসামী ও যারা তাকে রক্ষা করেছিলো তাদের সকলকে আসামী করে একটি মিথ্যা মামলা করে মাদক ব্যবসায়ীরা (মামলা নম্বর-১১, তারিখ: ০৮/০৫/২০১৮ ইং)। তারা ওসি মুন্সি সাব্বির আহমেদ ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রুহুল আমীনকে মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে মাদক ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে। তিনি গত ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে থানার ওসি দেয়া তিনটি মিথ্যা মাদক মামলা ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলাম। বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি বরাবর একটি দরখাস্তও করেছিলেন (এস-১০২৩, ১২/১২/২০১৭ ইং)। যার কারণে ওসি মুন্সি সাব্বির আহমেদ, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রুহল আমীনসহ কয়েকজন এসআই ও মাদক ব্যবসায়ীরা তার উপর ক্ষিপ্ত ছিলো। তাই ভাষানটেক থানার ওসি ও ইন্সপেক্টরের (তদন্ত) নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীরা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে অভিযোগে জানান তিনি।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK