শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯
Thursday, 10 Oct, 2019 12:34:47 am
No icon No icon No icon

কম খরচে থাইল্যান্ড ভ্রমণ

//

কম খরচে থাইল্যান্ড ভ্রমণ


টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: প্রাকৃতিক রূপলাবণ্যে ভরপুর থাইল্যান্ড (Thailand) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি পর্যটন বান্ধব দেশ। আর বাজেট ট্রাভেলারদের কাছে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয়তা অনেক বেশী। তাই ভ্রমণের এই স্বর্গরাজ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণকারীরা ছুটে যান। আমাদের অতিথি লেখক হাসান ফেরদৌস থাইল্যান্ড ঘুরে এসে নিজ জবানীতে জানাচ্ছেন তার থাইল্যান্ড ভ্রমণের আদ্যোপান্ত। আমি ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। বছরে অন্তত একটা ট্যুর না দিলে শরীর কেমন যেন ম্যাজম্যাজ করে। অথচ প্রায় ২ বছর হয়ে গেল নানা ঝামেলায় কোথাও যাওয়া হচ্ছিলো না। হঠাৎ করে চোখে পড়লো থাই লাওন এয়ারের অফার, মাত্র ১১,৭০০ টাকায় ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা এয়ার টিকেট! কোন কিছু না ভেবেই আগষ্ট মাসের ১৫-২০ তারিখে টিকিট কেটে ফেললাম। যদিও পিক মৌসুমের জন্য প্রতি টিকেট কাটতে ১৩০০০ টাকা খরচ হলো। টিকিট তো হলো, কিন্তু ট্যুর প্ল্যান বা ভিসা কোনটাই তখনো ঠিক করিনি। ফার্স্ট থিংস ফার্স্ট, ভিসার জন্য কাগজপত্র রেডি করে নিজে নিজেই জমা দিলাম। আগোডা-তে হোটেল বুক করে সেটার কপি জমা দিলাম। ৩ দিনের মাথায় ভিসা পেয়ে গেলাম। এবার ফেসবুক, ব্লগ, ভ্লগ, ইউটিউব দেখে দেখে বেসিক আইডিয়া নিয়ে ৫ দিনের ট্যুর প্ল্যান সাজিয়ে ফেললাম। এরপরেও ট্যুর প্ল্যানে নানা পরিবর্তন হতে থাকলো। ১৫ তারিখের অপেক্ষা করতে লাগলাম। অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মোটামুটি প্রয়োজনীয় সবকিছুর টিকেট কিনে ফেলি তাই শুধুমাত্র খাওয়া, যাতায়াত আর শপিং এর জন্য ১৩০০ বাথ আর ৩০০ ডলার সাথে নিলাম।

১ম দিন
থাই লায়ন এয়ারের রাত ১ টা ১৫ মিনিটের ফ্লাইটে চলে আসলাম ডং মুয়াং এয়ারপোর্ট। সকাল ৪ টা ৪৫ মিনিটে ল্যান্ড করে ৬ টার দিকে ইমিগ্রেশন পার করে চলে গেলাম ডমেস্টিক টার্মিনালে। যাওয়ার পথে ক্লুক বুথ থেকে ডিট্যাক সীম নিয়ে নিলাম। ক্লুকের মাধ্যমে আগেই সিম কিনে ফেলেছিলাম এই লিংক থেকে।

৯ টা ৩০ মিনিটে নোক এয়ারের ফ্লাইট ফুকেট (Phuket) যাবার। হাতে অঢেল সময় থাকায় ঘুমানোর চেষ্টা করলাম যদিও অতিরিক্ত ঠান্ডায় ঘুম হল না। তবে টার্মিনালে সকাল হওয়া আর বিমানের ওঠানামার দৃশ্য দেখাটা বেশ মজার। ঠিক সময়ে বিমান ছেড়ে দুপুর ১ টা ১৫ মিনিটে নেমে গেলাম ফুকেট। নেমেই পড়লাম বৃষ্টির পাল্লায়। ঢাকায় থাকতেই এশিয়ান বাইক এন্ড কার রেন্টালে কথা বলে রেখেছিলাম, ওরাই গাড়ি নিয়ে পিক করে সোজা ওদের অফিসে নিয়ে গেল। ১০০ ডলার সিকিউরিটি ডিপোজিট রেখে ৮৭০ বাথে ৩ দিনের জন্য স্কুটি নিয়ে নিলাম। বলে রাখা ভালো, যারা বিমানে ফুকেট আসবেন চেষ্টা করবেন স্কুটি নিয়ে নিতে। নয়তো ফুকেট যেতেই ভালো অংকের টাকা খরচ হয়ে যাবে। আমার আবার ১৮ তারিখ সকালে ফুকেট থেকে পাতায়া ফ্লাইট, স্কুটি না নিলে আবার এয়ারপোর্ট আসতেই খরচ হতো ৮৫০ বাথ। যাইহোক, বৃষ্টির জন্য আমাদের দুইটা রেইনকোট দিলো বাইক এন্ড কার রেন্টালে অফিস থেকে। ওদের রেইনকোটগুলা ভালো লেগেছে, পাতলা কিন্তু কাজ করে ভালো। বউ কে পেছনে বসিয়ে স্কুটি চালিয়ে চলে গেলাম ফুকেট বাঞ্জি জাম্পিং-এ। ক্লুকে আগে থেকেই বুকিং করা ছিলো বলে আলাদা কোন খরচ হয়নি। তবে একান্তই সাহসী না হলে বাঞ্জি জাম্প করার প্ল্যান না করাই ভালো। অনেকে উঠে লাফ না দিয়ে ফিরে আসে। তবে টাকা কিন্তু অফেরতযোগ্য। আমি কিনেছিলাম এই লিংক থেকে।

বাঞ্জি জাম্প করে একটা দোকান খোঁজে লাঞ্চ সেরে নিলাম। এরপর ৬ টার দিকে সোজা হোটেল ফিরে আসলাম। ভেবেছিলাম ফ্রেশ হয়ে কাটা, কারন ও পাতং বীচে ঘুরবো কিন্তু এক ঘুমেই রাত ১০ টা বেজে গেল। ঘুম থেকে উঠে রাতের খাবারের খোঁজে বের হলাম। কোথাও ঘুরতে গেলে এলাকার পুরোনো দোকান খুঁজে বের করাটা আমার অভ্যেস। কাটা রোডেই এমন একটা রেস্টুরেন্ট পেয়ে গেলাম। অসাধারণ অথেন্টিক থাই ফুড খেলাম। পাশেই পেয়ে গেলাম ফলের দোকান। ড্রাগন ফ্রুট আর আম খেয়ে ফিরে আসলাম হোটেলে। বিশাল জার্নি শেষে শান্তির ঘুম।

** হোটেল বুক করেছিলাম আগোডা থেকে, পাতং থেকে দূরে কাটা বীচের পাশে। যারা নিরিবিলি পছন্দ করেন তারা কাটা/কারন বীচে হোটেল নিতে পারেন। আর হৈ হল্লোড়ে মেতে থাকতে চাইলে পাতং বীচে থাকতে পারেন।

২য় দিন
বাংলাদেশে থাকতে ক্লুকের মাধ্যমে ক্রাবির চার আইল্যান্ড যাওয়ার প্যাকেজ কিনে নিয়েছিলাম এই লিংক থেকে। যদিও কোন ফোন না পেয়ে কিছুটা টেনশনে ছিলাম কিন্তু সকাল ৬ টা ২০ মিনিটে গাড়ি এসে হাজির। গতকাল রাতে ৭/১১ থেকে কেনা হালকা নাস্তা খেয়ে উঠে গেলাম গাড়িতে। শুরুতে গেলাম Koh Poda । নীল পানি, চারদিকে ছোট ছোট আইল্যান্ড। এখানে ৪৫ মিনিট থেকে চলে গেলাম চিকেন আইল্যান্ডে। চিকেন শেপের একটা পাহাড় আছে বলে এই অদ্ভুত নামকরণ। সেখানে লাঞ্চ সেরে চলে গেলাম Tup Island এবং আমাদের সবশেষ গন্তব্য ছিল Cave Beach at Railay। অসাধারণ এক জায়গা। সেখানে অবশ্যই Phra Nang Cave দেখতে ভুলবেন না। সেখানে অদ্ভুত জিনিসের পূজা হয়। সারাদিন ঘুরাফিরা, সুইমিং, স্নোরকেলিং সেরে সন্ধ্যায় গাড়ি হোটেলে নামিয়ে দিলো। কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর স্কুটি নিয়ে এলাকা দেখতে বের হলাম। কাটা, কারন ঘুরে চলে গেলাম ফুকেটের বিখ্যাত বাংলা রোডে। এডাল্ট ইন্ডাস্ট্রি হলেও কাপলরা ঘুরে দেখতে পারেন। সিকিউরিটির কোন অভাব নেই এবং ওরা কাপলদের কাছেও আসেনা তাই ভয়ের কিছু নেই। বাংলা রোডের শেষ মাথায় পেয়ে গেলাম ফিশ মার্কেট। মাছ দিয়ে ডিনার সেরে রাত ১২ টার দিকে চলে আসলাম হোটেল। এসেই ঘুম কারণ পরেরদিন আবার জেমস বন্ড আইল্যান্ড যেতে হবে।

৩য় দিন
আগের দিনের মত সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে গাড়ি এসে হাজির। আজকের গন্তব্য জেমস বন্ড আইল্যান্ড, ব্যাট কেভ সহ আরো চারটা আইল্যান্ড। যার প্যাকেজ কিনেছিলাম এই লিংক থেকে। প্রথমেই গেলাম Panak Island, সেখান থেকে কায়াকিং করে গেলাম ব্যাট কেভ। রোমাঞ্চকর এক কায়াকিং ছিল, অন্ধকার গুহার ভেতরে বাদুড় ঝুলে থাকে। পানাক থেকে হং আইল্যান্ড। ছোট ছোট গুহা আছে বেশ কয়েকটা, আর আছে অদ্ভুত সুন্দর লেগুন। সেখানে আবার কায়াকিং করলাম। কায়াকিং শেষ করে বোটে বসে খেয়ে নিলাম লাঞ্চ। তারপরে জেমস বন্ড আইল্যান্ডে ছবি তুলে ব্যাক করলাম। সন্ধ্যায় হোটেলের আশেপাশেই ঘুরাফেরা করে কাটালাম। পরের দিন সকালে পাতায়া ফ্লাইট। ফুকেট এয়ারপোর্ট হোটেল থেকে পাতায়া প্রায় ৪৫ কিলোমিটারের পথ। তাই আরেকটা সুন্দর দিনের সমাপ্তি টেনে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লাম।

৪র্থ দিন
সকাল ৬ টার ভেতর বের হওয়ার প্ল্যান থাকলেও ৬ টা ৩০ বেজে গেলো। কোন রকমে স্কুটি চালিয়ে এয়ারপোর্ট আসলাম। দুপুরের দিকে ল্যান্ড করলাম পাতায়া উতাপাও এয়ারপোর্টে। সেখান থেকে বাস নিয়ে হোটেল চলে আসলাম। চেক ইন, খাওয়াদাওয়া সেরে হালকা রেস্ট নিয়ে চলে গেলাম Art in Paradise। এই লিংক থেকে টিকেট কাটতে পারবেন।

এখানে যাওয়ার আগে অবশ্যই মোবাইল ফুল চার্জ করে নিবেন এবং পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখবেন। আমি শীপে আমার পাওয়ার ব্যাংক ফেলে আসছিলাম, তাই মোবাইল চার্জের উপর নির্ভর করে চললাম। মাউন্টারে ক্লুক ভাউচার দেখিয়ে টিকিট নিয়ে ঢুকে পড়লাম। ঢুকেই ওদের ওয়াইফাইতে কানেক্ট হয়ে ওদের এপ ইন্সটল করে নিলাম। ছেলেমানুষী করার জন্য এই জায়গাটা বেশ ভালো। থ্রীডি ছবি এবং ভিডিও তুলবেন তবে খেয়াল রাখবেন ওদের মার্ক করা জায়গা থেকে ছবি এবং ভিডিও করতে। প্রতিটা ছবির সামনেই দাড়ানোর জায়গা এবং কিভাবে ছবি/ভিডিও করতে হবে ইন্সট্রাকশন দেয়া আছে। না বুঝে ছবি তুললে আসল মজা পাবেন না। ঘন্টা তিনেক পর বের হয়ে চলে গেলাম পাতায়া ওয়াকিং স্ট্রীট। পুরোটা হেটে পার হতে হতেই আমার মোবাইলের চার্জ ১% হয়ে গেল। কোন রকমে গ্রাব ট্যাক্সি নিয়ে ১৮০ বাথ দিয়ে হোটেল ফিরলাম।

৫ম দিন
পাতায়াতে যাতায়াত করতে বেশ যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। টুকটুক ছাড়া অন্যান্য বাহন সব জায়গায় চলেনা। কিন্তু টুকটুক দিয়ে কোথাও যেতে চাইলে বেশি করে দাম চায়। গ্রাব ট্যাক্সি দিয়ে চলে গেলাম The Sanctuary of Truth এ। এটার টিকিট ক্লুক-এর এই লিংক থেকে কিনেছিলাম।

বিশাল বড় কাঠের মন্দির। এই মন্দিরের কাজ শুরু হয়েছে আশির দশকে,কাজ এখনো চলছে। নির্মানকাজ শেষ হতে নাকি আরো ২০ বছর লাগবে। তবে অসাধারন জায়গা এটা। পুরোটা ঘুরলাম, নৌকা ভ্রমনের প্যাকেজ কিনেছিলাম সাথে, সেখানে আবার ডাব ও দিলো। সব মিলিয়ে অসাধারন অভিজ্ঞতা হয়েছে এখানে।

দুপুরের দিকে এখান থেকে ট্যাক্সি নিয়ে চলে আসলাম বাস স্ট্যান্ড (ভাড়া ২০০ বাথ)। বাসে করে বিকেলের দিকে ব্যাংকক। হোটেলে চেক ইন করে বের হলাম Mahanakhon SkyWalk এর উদ্দেশ্যে।

বিটিএস/বাস দিয়ে কিভাবে যাবো বুঝতে না পেরে আবার নিলাম গ্রাব। এটা মূলত হাইরাইজ বিল্ডিং যেখানে ছাদে ওপেন স্পেস আর কাচের ছাদ আছে। কাচে নেমে হাটাটা অন্যরকম অনুভূতি। আমার স্ত্রী ভয়কে জয় করে কাচের উপর নেমে পড়লো। সন্ধ্যাটা সেখানে কাটিয়ে বাসে করে চলে আসলাম mbk shopping mall। হালকা কেনাকাটা সেরে আবার বাসে করে হোটেলে ফিরে থাইল্যান্ডে শেষ রাত অতিবাহিত করলাম।

৬ষ্ঠ দিন
সকালে হোটেল থেকে নাস্তা করে বের হয়ে BTS দিয়ে চলে আসলাম Siam এরিয়াতে। আজকে শেষ দিনে টিকিট কাটা ছিল SEA LIFE Bangkok Ocean World আর Madame Tussauds Wax Museum। দুটোর টিকেট একত্রে কম খরচে এই লিংক হতে কিনতে পারেন।

শুরুতে গেলাম SEA LIFE Bangkok Ocean World। এখানে ক্লুক ভাউচার দেখিয়ে দুটোর টিকিট নিলাম। শুরুতেই ১৫ মিনিটের ৪ডি মুভি বেশ মজার ছিল। চেয়ার ভিডিওর সাথে নাড়াচড়া করে আর বাতাস/পানি ছিটায়। বেশ রিয়ালেস্টিক। তারপরে ওশেন ওয়ার্ল্ডে ঢুকলাম। অনেক রকমের মাছের একিউরিয়াম। শেষ করে লাঞ্চ করলাম ম্যাকডোনাল্ডস এ। তারপর চলে গেলাম Madame Tussauds Wax Museum। সেখানেও ৪ডি মুভি দেখলাম। মিউজিয়ামটাও দেখার মত জায়গা। মোম দিয়ে রিয়েলিস্টিক সব মূর্তি বানানো।

৪ টার দিকে বের হয়ে চলে গেলাম ইন্দ্রা মার্কেট আর প্রাতুরাম মার্কেটে। কেনাকাটা শেষ করে বাস+ BTS + ট্রেন দিয়ে ৯ টার দিকে চলে আসলাম ডং মুয়াং এয়ারপোর্ট। রাত ১০ টা ৫০ মিনিটের ফ্লাইটে ঢাকা ফিরে আসলাম।

থাইল্যান্ড ভ্রমণ টিপস
ফুকেটে ট্যুরগুলো হোটেল পিক ড্রপ সার্ভিস দেয়ায় যাতায়াতে আর তেমন কোন খরচ নেই। স্কুটি না নিলে চেষ্টা করবেন পাতং বীচের আশেপাশে হোটেল নিতে। তাহলে যাতায়াতের খরচ কমে আসবে।
আমি হোটেল বুক করেছিলাম আগোডা থেকে। আগে করলে কম দামে ভালো হোটেল পাবেন।
সব ট্যুর আর সাইটগুলার টিকিট আমি কেটেছিলাম ক্লুক থেকে। ক্লুক থেকে কাটার সুবিধা হচ্ছে দাম কম পাবেন (বাংলা টাকায় ৪০০-৫০০ টাকা করে কম) আর ক্লুক ভাউচার দিয়ে আরও কমে কিনা যায়। আমি ক্লুক প্রাইসের উপর ১৬ ডলার ভাউচার ডিস্কাউন্ট পেয়েছিলাম।
কম খরচে যাওয়ার আরেকটা রাস্তা হচ্ছে ব্যাংকক বা পাতায়া থেকে বাসে করে ফুকেট যাওয়া। তবে শরীরের উপরে প্রেশার পড়ে যাওয়ার ভয়ে প্লেনেই যাই আমি।
সাথে করে ৫০/১০০ ডলার নিয়ে যাবেন। এতে এক্সচেঞ্জ রেট ভালো পাবেন।
আমার ট্যুর মূলত কাপল ট্যুর ছিল। বন্ধু বান্ধব /কলিগ নিয়ে গেলে একটু এদিক সেদিক হতে পারে
আমরা সময়ের অভাবে ফি ফি আইল্যান্ড যেতে পারিনি। ফুকেটে আরেকদিন বেশি থাকলে ফি ফি আইল্যান্ড কভার করা যেতো।
ব্যাংককে সবসময় গুগোল ম্যাপ দেখে যাতায়াত করবেন। এতে বাস বা বিটিএস এ করে সহজেই যাতায়াত করতে পারবেন।
শপিং- এম্বিকে তে ট্রাভেল ব্যাগ/ ছেলেদের জার্সি কম দামে পাবেন (২০০-২৫০ বাথ)। আর মেয়েদের জন্য ইন্দ্রা মার্কেট এবং প্রাতুরাম মার্কেট ভালো হবে।
আমাদের এই ভ্রমণে প্লেন ভাড়া সহ দুইজনের সর্বমোট খরচ হয়েছে ১,০৪,০০০ টাকা। ট্রাভেল এজেন্সী থেকে প্যাকেজ না নিয়ে নিজে প্ল্যান করে ঘুরে আসলে মিনিমাম ৪০% টাকা বাঁচাতে পারবেন।
যেখানেই ভ্রমণে যান না কেন পরিবেশ নোংরা করবেন না। ফুকেটের এতগুলো আইল্যান্ডে ঘুরে শুধু একটা বীচে একটা জুসের স্ট্র ছাড়া কিছু দেখিনি।

সূত্র: ওয়েব সাইড।

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK