মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮
Saturday, 27 Oct, 2018 11:42:40 am
No icon No icon No icon

তিতাস-হোমনা আসনে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে এ্যাড. আলী আহমেদ


তিতাস-হোমনা আসনে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে এ্যাড. আলী আহমেদ


হৃদয় দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি, টাইমস ২৪ ডটনেট, তিতাস-হোমনা থেকে ফিরে: কুমিল্লা-২ ( তিতাস-হোমনা) আসনে প্রার্থী হতে চান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আস্থাভাজন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযুদ্ধা এডভোকেট আলী আহমেদ!এক সময় বিএনপির ঘাঁটিখ্যাত এই আসনে আ’লীগের তেমন কোন শক্ত প্রার্থী না থাকায় বিএনপি এ আসনটিতে বিএনপি একছত্র আদিপত্য বিরাজ করেছে!কিন্তু বর্তমানে এই আসনে আ’লীগের রয়েছে একাধিক প্রার্থী।তবে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে যে নামটি জোরেসোরে শোনা যাচ্ছে তিনি হলেন এডভোকেট আলী আহমেদ। যিনি ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ মাতৃকার মুক্তি জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। সম্মুখ সমর যুদ্ধে যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেছিলেন। যুদ্ধাহত এই মুক্তিযোদ্ধা আলী আহমেদ ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। 

বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব পদ থেকে সম্প্রতি অবসরে আসেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মী এবং জনগণের ইচ্ছায় তিনি এবার প্রার্থী হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি!

জানা যায়,এডভোকেট আলী আহমেদ শিক্ষকতা দিয়ে জীবনের প্রথম চাকুরী জীবন শুরু করেন! পরবর্তীতে তিনি আইন পেশাকে বেঁছে নেন।একজন আইনজীবী হিসেবেও যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেন তিনি।পরে বি.সি.এস ক্যাডোরে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট হন। হয়েছেন উপজেলা ভূমি অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসক, সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী এবং সব শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্য্যালয়েও চাকুরি করেন এই যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযুদ্ধা। আওয়ামীলীগ করার অপরাধে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের রোষানলে পরে চাকুরিচ্যূত হন তিনি। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে তিনি তার চাকুরিতে ফের পুনর্বহাল হন!
ব্যক্তি জীবনে তিনি একজন সৎ ও নির্লোভ মানুষ হিসেবে সর্বমহলেই পরিচিত!চাকুরিরত থাকাকালীন এলাকার মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন তিনি। সাধারন জনগণের জন্য কাজ করেছেন নিঃস্বার্থভাবে।
রাজনৈতিক জীবনে ১৯৬৮ সালে তিনি হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১০ সালে কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ এর জাতীয় নির্বাচনে আ’লীগের নির্বাচন পরিচালনা কোর কমিটিতে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমামের সাথে অন্যতম সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,২০০১ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধা এডভোকেট আলী আহমেদকে কথা দিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে দল ক্ষমতায় এলে চাকুরি ফেরত পাবার এমনকি চাইলে দল থেকে নির্বাচন করতে চাইলে নমিনেশন দেয়া হবে বলেও কথা দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। এডভোকেট আলী আহমেদ জানান,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার কথা রেখেছিলেন, আমাকে চাকুরিতে পুনর্বহাল করেছিলেন তিনি! তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর দেয়া পরের কথাটিও রাখবেন বলে আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।
এই দিকে আ’লীগের অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন হোমনা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ, উত্তর জেলা আ’লীগের সহ সভাপতি সিআইপি সেলিমা আহমদ মেরী, তিতাস উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার, উত্তর জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সারওয়ার হোসেন বাবু। বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন এমকে আনোয়ারের ছেলে কায়জার মাহমুদ আনোয়ার এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। জাপার বর্তমান এমপি আমির হোসেন ভূইয়া এবং ইসলামী আন্দোলনের ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম। 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK