শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮
Tuesday, 09 Jan, 2018 05:51:15 pm
No icon No icon No icon

অবশেষে ডিআইজি মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার


অবশেষে ডিআইজি মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার


টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা : অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ে করার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের (ডিআইজি) পদ থেকে মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া তিনটায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ডিআইজি মিজানের নৈতিক স্খলনের কথা জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে তদন্তের পর জানতে পারবো আসলে সে কতটা দোষী। এখন প্রাথমিকভাবে অভিযোগের ভিত্তিতে ডিআইজি মিজানকে ডিএমপি থেকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। কত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ সপ্তাহ চলছে। দুই-একদিন পর আইজিপি-ডিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত কাজ শুরু করবে। কোনো ব্যক্তির দায় বাহিনী নেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। পুলিশের অনেক সদস্যও বিভিন্ন অপরাধে কারাগারে রয়েছে।
গত সোমবার বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়া হোসেন আলী স্কুলে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন ছিলেন, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আইজিপির নেতৃত্বে শিগগিরই তদন্ত কমিটি গঠিত হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গত সোমবার ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮’ শুরুর আগেই আলোচনায় আসেন ডিআইজি মিজান। তার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন এক নারী। যদিও মিজান ওই নারীকে প্রতারক বলে দাবি করেছেন। এর পরই গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলাবস্থায় এমন সিদ্ধান্ত নিলো  পুলিশ সদর দপ্তর।
ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মরিয়ম আক্তার ইকো বলেন, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। গত বছরের জুলাইয়ে সেখান থেকে কৌশলে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে। মরিয়ম আক্তার ইকো দাবি করে বলেন, আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন। কিন্তু আগে থেকেই বিবাহিত জিআইজি মিজান। মরিয়ম আক্তার ইকো অভিযোগ করে বলেন, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষিপ্ত হন মিজান। ভাঙচুরের ‘মিথ্যা’ একটি মামলা দিয়ে তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলা করানো হয়। ওই মামলাতেও জামিনে বেরিয়ে এসে ডিআইজির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ওই নারী।

 

 

 

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK