বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯
Thursday, 25 Jul, 2019 11:27:17 am
No icon No icon No icon

ইডেন ছাত্রলীগের পদে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বির্তকিতরা

//

ইডেন ছাত্রলীগের পদে আসতে  মরিয়া হয়ে উঠেছে বির্তকিতরা


টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: রাত পেহালেই ( বুধবার) দেশের নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ  ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন। ছাত্রলীগের এই সম্মেলনে পদ পেতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন পদ-প্রত্যাশী নেত্রীরা। দুই শীর্ষ পদে এগিয়ে রয়েছে নানাভাবে 
সমালোচিত ও বির্তকিত নেত্রীরাও। শুধু বির্তকিত তাই নয়, বিএনপি-জামায়াতের 
রাজনীতির সাথে জড়িত সন্তানেরাই ছাত্রলীগে শীর্ষ পদে আসতে মরিয়া। যে 
কোনো মূল্যে পদ বাগিয়ে দিতে রাত-দিন সমানতালে দৌড়ঝাপ করছেন তারা। শীর্ষ 
নেতাদের বাসাই নয়, তাদের ঘনিষ্টজনদের বাসা বাড়িতেও যাওয়াত করছেন সব সময়। 
সুত্রে জানা গেছে, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীর সংখ্যা কমপক্ষে ২০ জন। 
এরমধ্যে ১২-১৩ জন রয়েছেন চরম বির্তকিত। এই বির্তকিতরাই জোর লবিংয়ে 
এগিয়ে রয়েছেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য যারা আলোচনায় আছেন, তারা 
হলেন-রোকসানা আকতার, বিথী আকতার, পাপিয়া রায়, পাপিয়া প্রিয়া, ইসরাত 
জাহান ইতি, নাজমা আকতার, সুমনা মলি-ক পপি, সানজিদা জাহান, কামরুন্নাহার, 
বিপাসা রনি, ব-াফিউননাহার লাবন্য, জান্নাত আরা জান্নাত, সুখী, সোনালী, 
সাবিকুন্নাহার তামান্না, তামান্না জেসমিন রিভা, জেবুন্নাহার শিলা, 
মাহমুদা সুমি, বেনজির সেবাসহ অনেকেই।
ইডেন ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে 
রয়েছেন চরম বির্তকিত ও ছাত্রলীগের অনুপ্রবেশকারীরাই। সভাপতি হওয়ার দৌড়ে 
এগিয়ে রয়েছেন পাপিয়া রায়। তিনি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর 
অনুসারী। পাপিয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে স্বামী ছিনতাইয়ের 
অভিযোগ করেছিলেন ইডেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নিঝুম। ওই সময়ে মিরপুরের 
সাংবাদিক কলোনির ৪ নম্বর সড়কের ১৯২ নম্বর বাসায় ছয় তলায় নিঝুমের স্বামী 
মৃদুলের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় পাপিয়া রায়কে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে আটক 
করে নিঝুম। পরে এলাকাবাসী উত্তম মাধ্যম দিয়ে ছেড়ে দিলে নিঝুম দুজনকেই তার 
নিজের বাসায় নিয়ে আসে। রাতেই গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে মুচলেকা দিয়ে 
মেয়েকে নিয়ে যায় পাপিয়া রায়ের বাবা। এছাড়াও পাপিয়ার বিরুদ্ধে বার বার 
অনৈতিক অভিযোগ উঠেছে। এ সময়ে ঢাকায় বান্ধবীদের নিয়ে চলাফেরা ও খাওয়ার 
টাকা না থাকলেও এখন টাকার পাহাড় বির্তকিত এই নেত্রীর। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় 
সভাপতির অনুসারী সিরাজগঞ্জের মেয়ে জান্নাত আরা জান্নাতের বিরুদ্ধে এমন 
অভিযোগ ইডেন ছাত্রলীগ নেত্রীদের। ২০১৬ সালের মার্চের পর ‘প্রয়োজনে 
ছাত্রলীগের’র রাজনীতির সাথে যুক্ত হওয়া মেয়েটি এখন কোটি টাকার মালিক। এক 
সময়ে মেসে থাকা খাওয়া কষ্ট হলেও এখন সিএনজি ফিলিংস্টেশন করার জন্য বার বার 
অনুমোদনের জন্য সংশি-ষ্ট্র অফিসে ধর্না দিচ্ছেন। পিতা তাড়াশ সদর ইউনিয়নের 
একটি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। এক চাচা বাবলু তাড়াশ কলেজ ছাত্রদলের 
নির্বাচিত নেতা ছিলেন। এখন যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত। আপন ছোটভাই 
সাফী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত। এখন ছাত্রলীগের সাথে ওঠাবসা করে। 
ভগ্নিপতি ফরহাদ স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক। এই বির্তকিত ছাত্রলীগ নেত্রীর মাঝে 
মধ্যেই কক্সাবাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যান। লবিং তদবিরে ব্যস্ত এই 
বির্তকিত নেত্রী অনেক রাতে হলে ফেরেন। কখনো কখনো হলেও আসেন না। গভীর রাতে

ডেনের হলে ফেরা নিষিদ্ধ হলেও ছাত্রলীগ নেত্রী হওয়ায় গেটের দায়িত্বে থাকারা কিছু 
বলার সাহস পাননা। এর আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পদে আসতে না পেরে নিজের 
ফেসবুকে আত্মহত্যার স্ট্যাটাস দিয়ে বির্তকের জন্ম দেয়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় 
সভাপতি ছাড়াও তার ‘গাইডম্যান’ বা কথিত ‘নিয়ন্ত্রক’ ছাত্রলীগের সাবেক উপ 
আইন সম্পাদক বিপ-ব হাসান পলাশ ও আওয়মী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর 
রহমানের ব্যক্তিগত সহকারি রইচ উদ্দিনের সাথে বেশ সখ্যতা রয়েছে। তারা বির্তকিত 
এই নেত্রীকে পদ দিতে কেন্দ্রীয় সভাপতিকে প্রভাবিত করছেন। এমন অভিযোগ রয়েছে 
সোনালীর বিরুদ্ধেও। আরেক পদ প্রত্যাশী সাবিকুন্নাহার তামান্নার বিরুদ্ধে 
অভিযোগ রয়েছে সে বিবাহিত। সুখি ও জেবুন্নাহার শিলার পরিবার বিএনপির 
জামায়াতের রাজনীতির সাথে যুক্ত। 
জানা গেছে, ইডেন ছাত্রলীগের দায়িত্ব পেলেই হল বাণিজ্যসহ ‘সাপলাই’ কাজ করে 
শুন্য থেকে কোটিপতি হয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেক নেত্রী। তারা ঢাকায় বিলাসী 
জীবন যাপনের পাশাপাশি গ্রামের বাড়িতেও করেছেন বহুতল ভবন। রয়েছে নিজস্ব 
পাইভেট কারও। লোভনীয় এই পদে আসতে জোর লবিং শুরু করেছেন বির্তকিত এসব 
নেত্রীরা। তারা ‘যে কোন মূল্যে’ পদ চান। বির্তকিত ও অনুপ্রবেশকারী এসব নেত্রীদের 
কারণে ‘অনেক’ কোনঠাসা পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত 
ও ছাত্রলীগের ত্যাগী নেত্রীরা। কারণ বির্তকিত এই নেত্রীদেরই বেশি পছন্দ ছাত্রলীগের দুই 
শীর্ষ নেতারা।
প্রসঙ্গত, এরআগে ২০১৬ সালের ১ নভেম্বর তাছলিমা আক্তার কে আহ্বায়ক, ১৫ জন 
যুগ্ম আহ্বায়ক, ও ৪৩ জন সদস্য নিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় 
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক 
এস.এম.জাকির হোসাইন। প্রায় তিন বছর ধরে এই আহবায়ক কমিটি দিয়েই

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK