বুধবার, ১৪ আগস্ট ২০১৯
Saturday, 20 Apr, 2019 07:41:04 pm
No icon No icon No icon

প্রতারক আব্দুর রাজ্জাক রেলওয়ের উপ-পরিচালক পরিচয় দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়

//

প্রতারক আব্দুর রাজ্জাক রেলওয়ের উপ-পরিচালক পরিচয় দিয়ে  লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়


শামীম চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: রাজধানীর দক্ষিণখান, আশকোনা উচারটেক এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে আব্দুর রাজ্জাক(৩৫), তার স্ত্রী(সাবিনা) ও মেয়েকে বসবাস করে আসছেন এবং নিজেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভিন্ন ভাবে প্রতারনা করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে,তার গ্রামের বাড়ি এই রাজ্জাকের গ্রামের  বাড়ি মিলন বাজার,মাদারগঞ্জ,জামালপুর। তাঁর বাবার নাম নজরুল ইসলাম। তাঁর স্ত্রী এক সময় প্রেমবাগান যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কম্পিউটার প্রশিক্ষন নিতে সেই সূত্রে আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক দেলোয়ার হোসেন আকাশে সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে এই ভূয়া রেলওয়ে উপ-পরিচালক রাজ্জাক যুব পপ্রশিক্ষন কেন্দ্র পরিচালক আকাশ ও তাঁর নিকটস্থ বন্ধুদেরকে তাঁর রেলওয়ে ব্যবসায়ি(ট্রেন) পার্টানার হিসেবে প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যেককে ৬ লাখ টাকা করে দিতে বলেন। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে নিজেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালকের পরিচয় দিয়ে আবার কখনো কখনো নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছে। এই রাজ্জাক মাঝে মাঝে ৪২ ইঞ্চি (এলইডি) টিভি,ব্লেন্ডার মেশিনসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রি নিয়ে এসে মানুষের কাছে বিক্রি করতো আর বিক্রির সময় বলতো চট্রগ্রাম থেকে আসা কন্টেনার ঢাকায় এসে পৌছালে যে সব মালামালের বুকিং পেপাস নাই এগুলো সেই মাল আমি রেলের গোডাউন থেকে নিয়ে আস এই কথা বলতেন প্রতারক আব্দুর রাজ্জাক। এবং বিক্রয় কৃত পণ্যে কোন ওয়ারেন্টিও দিতেন না এবং বলেন পণ্যগুলো কিউসিকরা কোন সমস্যা নাই। এই রাজ্জা আবার নিজেকে উপ-পরিচালক বলে তার নিজের আবার প্রাইভেট ট্রেনের লাইসেন্স আছে বলে জানায় এবং তিনি এই বলে দক্ষিণখানের ৩ জনে নিকট থেকে পার্টনারে রেলের ব্যবসার জন্য ১২ লখ টাকা নিয়ে থাকেন এবং বলেন জামালপুর কমিউটার তার লাইসেন্স চলছে। এমনকি এই প্রতারক রাজ্জাক আবার ঢাকা বিমান বন্দর রেলস্টেশনে ২নং গেটে সাথে অবস্থিত গ্রামীন ফুড নামে একটি ফাস্ট ফুডের দোকান নিয়েছেন এবং সেই দোকানেরও পার্টানার হিসেবে দক্ষিণখান যুব প্রশিক্ষণের উপ-পরিচালক দেলোয়ার হোসেন আকাশ এবং তার বন্ধু বিন্দুরেমা ও মনির হোসেন রবিনের নিকট ফাস্ট ফুডের দোকন ব্যবসায়ি অংশিদার হিসেবে ৫ লাখ টাকা নিয়ে তাদেরকে দোকানের মালিকানাধীন বুঝিয়ে দেবেন বলে দীর্ঘ দিন ধরে টালবাহানা করে চলেছেন। এই আব্দুর রাজ্জাক আবার কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্টেট বলে যখন তখন যে কোন ব্যক্তিকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন এবং কথায় কথায় ম্যাজিস্ট্রট সরোয়ার বিন কাসিম এর নাম ভাঙ্গিয়ে সাধারন মানুষের সাতে বিভিন্ন ধরনে অপকর্ম করেই চলেছে। এমনকি এই রাজ্জাক অনেক মেয়েকেও ভয়-ভীতি দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে তাঁদের সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয় বলে জানা গেছে। এই প্রতারক রাজ্জাক কখনোই অপরিচিত সিম থেকে কল আসলেও কখনোই কল রিসিভ করেন না। তিনি একাধিক সিম ব্যবহার করেন। এই রাজ্জাক আবার কখনো জামাল পুরের এমপি ভাগিনা বলে নিজেকে পরিচয় দেন এবং সরকারি চাকরির দেবার কথা বলে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।এমনকি এই প্রতারক রাজ্জাক অনেক সময় বলেন তার দুলাভাই মাই টিভিতে চাকরি করেন। তার দুলাভায়ের নাম আব্দুল মান্নান। এই মান্না সাহেব মাই টিভির পরিচালক শান্তি সাহেবের সাথে থাকেন বলে জানায় আব্দুল রাজ্জাক। এমনকি স্টেশন মাস্টার লেখা আর সাধারন মানুষের কাছে তিনি কখনো বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক আবার কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্টেট বলে থাকেন তিনি।গত ১৭ এপ্রিল তার প্রতারনা ধরা পড়লে এলাকার কাউন্সিলরে উপস্থিতিতে এবং প্রতারনার শিকার ব্যক্তিরদের কাছে শিকার ।এই রাজ্জাক মাঝে মাঝে মোবাইলে কথা বলেলে রব্বানি নামের এক ব্যক্তির সাথে যে এই প্রতারক রাজ্জাকের সহযোগি বলে জানা গেছে। কে এই রব্বানি? নাকি ছদ্মবেশি নাম ধারি প্রতারক রাজ্জাকের সহচর। এরা একটা প্রতারক চক্র। এই রাজ্জাক ঢাকা শহরে শত শত মানুষের প্রতারনার শিকার হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাই এই প্রতারক ছদ্ম নাম মুখোশ ধারি রাজ্জাক ও তার সহযোগিদের ধরে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাসস্তির দাবি করে ভুক্তভোগির।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK