রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮
Friday, 09 Nov, 2018 10:14:49 pm
No icon No icon No icon

তেজগাঁও সাব রেজিষ্ট্রার কমপ্লেক্স উত্তরা অনন্যা ভূমিকায় মানুষ স্বস্থি


তেজগাঁও সাব রেজিষ্ট্রার কমপ্লেক্স উত্তরা অনন্যা ভূমিকায় মানুষ স্বস্থি

আব্দুল হান্নান, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: মানুষের অর্জিত একটুকরা জমি সম্পাদন করার জন্য সরকারী ভাবে নিবন্ধন জন্য আসতে হয় সাব রেজিষ্ট্রারিতে। সরে জমিনে গিয়ে মিলে তার বিপরীত দৃশ্য উত্তরা সাব রেজিষ্ট্রার কক্ষে। এখানে ৫জন ষ্টাফ, নকলনীবস ৬০ জন লোকবল, তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদ হেড র্ক্লাক উক্তপদটি সাব রেজিষ্টারের নাভী। দলিল নিবন্ধন ক্ষেত্রে আনেক বদনাম আছে। কিন্তু উত্তরা সাব রেজিষ্টার কার্যালয় ব্যতিক্রম দলিল সম্পাদনের জন্য যাচাই বাচাই পর দলিল সম্পাদন করে থাকেন। ২ জন যোগ্য সম্পন্ন যেমন সাব্ রেজিষ্টার মো: সাকাওয়াত হোসেন, হেড ক্লার্ক বা (বড় বাবু) কামরুজ্জামান, রের্কড কিপার হারেস। প্রতি মাসে ৮/৯ শত দলিল রেজিষ্ট্রী হয় এতে করে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব সরকারের আয় হচ্ছে। কিন্তু লোকবল রেকর্ড পত্রের সংরক্ষন পযর্ন্ত পরিমান না থাকায় ভবিষৎ  রেকর্ড হারিয়ে বা ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রমাণ চট্টগ্রাম  সীতাকুন্ডু সাব রেজিষ্টার রেকর্ড রুমে অগ্নিকান্ডে ভম্ভত হয়ে অনেক ভলিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুুড়ে যায়। ফলে অনেক দাতা, বিক্রেতা ও ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এর জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষন করা হল জাতি উপকৃত হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। ভূমি আইন সহজ থাকলে ও দুর্নীতি বাজরা এটাকে পুজি করে মানুষকে হয়রানি ও বাণিজ্য করার কারনে ভালো অফিসার থাকলেও সাধারন মানুষ মনে করেন ইনরা ও দুর্নীতিবাজ। 
সাব রেজিষ্টার মো: সাকাওয়াত হোসেন হেড র্ক্লাক কামরুজ্জামান যোগ্যতা সম্পন্ন লোক হলেও মূল্যায়ন নাই। কেননা তেজগাও কমপ্লেক্স বদনাম পরিনত হয়ে পরেছে বলে পত্র-পত্রিকায় কথিত আছে এবং ভালে কাজ করা হলেও মানুষের মন জয় করা খুব কঠিন। আল্লাহ বলেছেন আদম সন্তানের পেট মাটি দিয়ে ভরা হলেও তিনি খুশি হবেন না। আজকে উত্তরা সাব রেজিষ্টার  অফিস দুজন ব্যক্তিদ্বয়ের কারনে এখন পর্যন্ত কোন কেলেংকারী শোনা যায়নি। সরে জমিনে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষন করে কোন দুর্নীতি সংক্রান্ত সম্পক্তিতা পাওয়া যায়নি। তবে ডি আর এর সহকারী প্রধান গোপনে ফাইলে অর্থবাণিজ্য করছে।
উত্তরা সাব রেজিষ্টার ৮/৯ শত দলিল রেজিষ্ট্রারী করার ফলে সরকার কোটি কোটি টাকা এর বিনিময় পাচ্ছে। কিন্তু এখানে গাড়ীর জন্য কোন সংরক্ষন নেই। গাড়ী গুলো যত্রতত্র ভাবে গাড়ী রাখার কারনে যাতায়াতে মারাত্মক বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। দারোয়ান থাকলেও সরে জমিনে দেখা যায় না। কে দারোয়ান কোনো চিহ্ন নেই। বহিরাগত লোক দারেয়ানের ভূমিকা পালন করছে এর বিনিময়ে টাকা নিচ্ছে। আর সরকারী ভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হল সরকার প্রতিমাসে গাড়ী বাবদ কয়েক লক্ষ টাকার আয়ের উৎস হতো। তবে ডিপাটমেন্টের কল্যাণের জন্য তবে গবেষনা পরিকল্পনার লোক খুব অভাব। 
 অপরদিকে জেলা রেজিষ্টার দ্বিপঙ্কর কুমার সরকার দায়িত্বশীল ভূূমিকায় তেজাগও কমপ্লেক্সটি তার অধিনস্থ হলেও অনেক বাধা বিপত্তি উৎরিয়ে তিনি সরকারী রুলস অনুযায়ী তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এর পূর্বে সাব রেজিষ্টারের হিসাবে কর্মরত ছিল, প্রায় দেড় বছর ধরে পদন্নোতি হয়ে এখন ডি আর তথা জেলা রেজিষ্টার দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হন। এইম্বল্প সময়ের মধ্যে যথাযথ তার অধিনস্থ ১০টি সাব রেজিষ্টার অফিস। এই সকলের মধ্যে যথাযথ তার অধিনস্থ ১০টি সাব রেজিষ্টার অফিস। এ সকল অফিস নিয়ন্ত্রন বা মনিটরিং করে ডি আর দিপঙ্কর কুমার সরকার।    

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK