শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮
Friday, 09 Nov, 2018 07:19:56 pm
No icon No icon No icon

রাজধানীতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নকল ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ


রাজধানীতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নকল ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ


শামীম চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: রাজধানীর দক্ষিনখান-উত্তরখান থানা এলাকাতে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ফার্মেসী। নামধারী ডাক্তার  ও  ফার্মাসিস্টদের নাম ভাংঙ্গীয়ে প্রতিনিয়ত সাধারন জনগনকে প্রতারিত করে যাচ্ছেন একটি কুচক্রীমহল। বিশেষ এক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে কিছু ফার্মেসী মালিকদের তথ্য যেমন গত ০৫/১১/১৮ ইং তারিখে দক্ষিনখানের মোল্লাবাড়ি এলাকার হাতুড়ি ডাঃ আল আমিন হাসান এর কিছু তথ্য শেরপুর ফার্মেসী নামে একটি ঔষধের দোকানে গিয়ে দেখা যায় একজন  পুলিশের উদ্ধতন কর্মকর্তার  পোশাক পরিহিত ছবি ঝুলিয়ে দিব্বী ব্যাবসা করেযাচ্ছেন প্রতারক আলআমিন হাসান।তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন এই কর্মকর্তা তার মাম, বর্তমানে শেরপুর পুলিশের এ এস পি  তার নাম আলআমিন।এসময় তার ফার্মেসীতে সরকার নিষিদ্ধ ঔষধ,বিদেশী ঔষধ,যৌন উত্তেজক নানান রকম ঔষধ বিক্রী করেন সে। তার নেই লাইসেন্স, নেই ট্রেড লাইসেন্স, নেই কোন ফার্মাসিস্ট অথবা নেই কোন ডাঃ ফার্মেসীতে আরো পাওয়া যায় আনরেজিষ্টাড কম্পানির ঔষধ, মেয়াদ উর্ত্তীণ ঔষধ কাউন্টারফিট ও নকল ঔষধ যাহা বিশেজ্ঞদের মতে মানবদেহের জন্য মারাত্বক খতিকর।ফার্মেসীর   মালিক আলামিন বলেন যার মাম একজন পুলিশ অফিসার তার কিসের এত লাইসেন্স সব কিছুই মামা এ এস পি আলামিন।তার এই রকম বক্ত্যবে সাংবাদিকরা তার মামার সাথে কথা বলে যানতে পারেন তিনিও বিষয়টি জানতেন না। তিনি সাংবাদিকদের থেকে জেনে বাগিনা আলআমিন হাসানকে তার এই ছবি সম্পকে জানতে চাইলে বলেন মামা আপনারা মামানী সহ পিকিনকে গিয়ে যে ছবি তুলেছেন সেখান থেকে আপনার ছবিটা কেটে বড় করে দোকানে ঝুলিয়ে রেখেছি যাতে করে কেউ আমাকে ভয়ে কিছু না বলে। এসময় এলাকার গন্ন্য মান্যরা এসে তাকে প্রশ্ন করলে সে বলে একনি ছবিটা সরিয়ে ফেলতেছি।এপর দিকে এলাকার অন্য এক সিন্ডিকেট এসে তাকে প্রশ্ন করে আপনি কি ডাঃ সে বলে আমি না, অন্য আরেক জন, ডাঃ পরিচয় দানকারিকে ডাকা হলে দেখাযায় সে একটি হারবাল ঔষধ কম্পানির সেল্সম্যান। তখন পিছন থেকে একজন মহিলা এসে বলেন আপনি আমাকে কিসের ঔষধ দিলেন আমি চেয়েছিলাম এলার্জির ঔষধ আপনি দিলেন ডাইক্লোফেনাক, তার পরও সে বলেন এটা এলার্জির জন্য দিনে তিন বেলা খাবেন।অবশেষে সাংবাদিকগন তার ফার্মেসীর সমস্ত  পুটেজ নিয়ে আসার সময় ঐ দালাল চক্রের মূল হোতা মিন্টু সাংবাদিকদের গতিরোধ করে তাদের টাকায় ম্যানেজ করার চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন কুপ্রচারনা চালান।গত ০৬/১১/১৮ ইং বিকেল  আনুমানিক ০৫:০০ ঘটিকার উক্ত সাংবাদিক  এ এসপি কে মোবাইলে তার ভাগিনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনারা কেমন সাংবাদিকরাইবা কেমন এটা আমার বেশ ভালো জানা আছে। আপনি আমাকে ফোন না করে  আপনাদের কাজ আপনারা করেন আমার কাজ আমি করবো আর ভাগিনার কাজ ভাগিনা করবে বলে সাংবদিককে হুমকি দেন। পরিশেষে তার ভাগিনা ফার্মেসীর মালিম আলামিন হাসান এর সাথে মোবাইলে কথা বললে সে বলেন আমি আপনাদের টাকা দিতে চেয়েছিলাম আপনারা নেননি তাই আমি মামাকে বলেছি মামা আমাদের দক্ষিনখান থানার ওসিকে বলেছে,ওসিও আমাকে ফোনে বলেছে আর যদি আমার এখানে কোন সাংবাদিক আসে তাহলে আটকে রেখে থানায় ফোন দিতে, তিনি একশ্যান নিবেন। এরকম শুধু একটা ফার্মেসী নয় দক্ষিনখানে সন্ধান মিলল আইনুচবাগের নীশী মেডিকেল হল, তিনিও সরকার নিষিদ্ধ, সরকারী ঔষধ, মেয়াদউত্তিন্ন ঔষধ বিক্রি করে যাচ্ছেন। ফায়দাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির বিসমিল্লাহ ফার্মেসীতে সরাসরি সরকারী ঔষধ বিক্রয়, মেয়াদ উত্তিন্ন, বিভিন্ন রকম কসমেটিক্স সহ কেমিকেল বিক্রী করে যাচ্ছেন, তার নেই ট্রেড লাইসেন্স,নেই ড্রাগ লাইসেন্স আছে শুধু উত্তরার পরিচিত কিছু ফার্মেসীর মালিক বলে জানান এক সময়ের জামায়াত নেতা বিসমিল্লাহ ফার্মেসির মালিক সাব্বির আহম্মদ।উত্তরখান মাজার চৌরাস্তা এলাকার প্রায় অধিকাংশ ফার্মেসীর প্রায় একই রকম অবস্থান তেমনি মাজার চৌরাস্তার কোহিনুর হেলথ কেয়ার, মালিক সাফিয়া রহমান তিনি ঔষধ প্রশাসনের ডিজি মোস্তাফিজুর রহমান তার ভাই তাই তার কোন কিছুর প্রয়োজন নাই।পাশেই রয়েছে জননি ফার্মেসী মালিক সালাউদ্দিন  আজম্মেদ ফরহাদ সে সাংবাদিকদের দেখে চমকে উঠে তাদের খারপ আচরন করেন এবং বলেন তাদের ও দু একজন লোক রয়েছেন তাদের মাধ্যমে সাংবাদিকদের দেখিয়ে দিবেন, কলেজ রোড়ে দেওয়ান মেডিসিন কর্নার মালিক দেওয়ান রেজাউল হক,ও রাজীব মেডিকেল সেন্টার মালিক মোঃ আজিজুর রহমান  রিপন, তাদের একএকটি ফার্মেসীর বয়স প্রায় ১০/১২ বছর তাদের নেই ড্রাগ লাইসেন্স, নেই টিন সার্টীফিকেট, অদিক পরিমানে মেয়াদউত্তিন্ন ঔষধ,তারা নিজেরাই আবার বনেযান বড় ডাক্তার নিজেদের ইচ্ছেমত প্রেসকিপশন বেতিত বিক্রী করেন  এন্টিবায়োটিক ঔষধ,সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন তারা জানেন না তার পরও এলাকার মানুষজন তাদের কাছে আসেন তারা তাই এন্টিবায়োটিন দেন নিজেদের ইচ্ছামত,উত্তরখান থানা সংলগ্ন মাদার্স মেডিকেল হল মালিক প্রভাত কুমার শর্মা তিনি নিজেকে ফার্মাসিস্ট দাবি করেন অথচ তার কোন সনদ নাই, এবং মাজে মাজে নিজেকে বড় ডাক্তার পরিচয় দিয়ে প্রেসকিপশন দেন, তার সহকর্মী হিসেবে রয়েছেন তার শ্যলক ও অপর আরেকটি ছেলে তারা জনেনা একটি ফার্মেসী করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স, ও একজন এ গ্রেড সনদধ্বরী ফার্মাসিস্ট থাকতে হবে। এই সমস্ত ব্যাপারে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের  লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ, ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মোঃ মনির উদ্দিন আহম্মেদকে বারবার ফোনে ট্রাই করেও কোন লাভ হয়নি। 

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK