রবিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৮
Monday, 14 May, 2018 10:14:30 am
No icon No icon No icon
খুশিতে এলাকাবাসীর মিষ্টি বিতরণ

ভারুয়াখালীতে গুচ্ছগ্রাম নিয়ে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার


ভারুয়াখালীতে গুচ্ছগ্রাম নিয়ে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার


টাইমস ২৪ ডটনেট, কক্সবাজার থেকে:কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছিলেন ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জন প্রিয় নেতা শফিকুর রহমান সিকদার। কিন্তু মিথ্যা মামলা দিয়ে জননেতা চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার কে কোণঠাসা করে রাখা সম্ভব হয়নি। অবশেষে বিজ্ঞ আদালত মিথ্যা মামলায় স্হায়ী জামিন দিয়েছেন।এ খবর ভারুয়াখালী ইউনিয়নে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামে গ্রামে আনন্দ ও উল¬াসে ফেটে পড়েন। তারা আনন্দ উল¬াসের পাশাপাশি অনেক জায়গায় মিষ্টি বিতরণ হয়েছে। জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নে সরকার স্থানীয় বাস্তুহারা পরিবার কে পুনর্বাসন করার পরিকল্পনার অংশ হিসাবে প্রায় সাড়ে ৭ একর সরকারী ভারুয়ালী মৌজার ১ নং খাস খতিয়ান ভুক্ত খাস জমির উপর ১০০ বাস্তুহারা পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার বিশেষ প্রকল্প " গুচ্ছ গ্রাম বিনির্মানের লক্ষ্যে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার কে সভাপতি করে ভারুয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কামাল উদ্দীন কে সাধারন সম্পাদক করে ভারুয়াখালী মৌজায় বিশেষ গুচ্ছ গ্রাম বাস্তবায়ন কমিটি চলতি বছরের মার্চের প্রথম সাপ্তাহে অনুমোদন সদর উপজেলা গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষন কমিটি। সুচনাপর্বে সুত্র ১ কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্য্যালয় এর স্মারক নং ০৫.২০.২২০০.১২৮.০৫.০০৭.২০১৭/১৪৯৫' তারিখ ২১/১২/২০১৭ খ্রিষ্ঠাব্দ ও সূত্র ২ ভুমি মন্ত্রনালয় ( গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্প)ঢাকা এর স্মারক নং ৩১.০৮.০০০০.০০২.১৪.০২০.১৭-৫৯৯, তারিখ ২৬/১১/২০১৭ খ্রিষ্টাব্দ পেক্ষিতে ২০১৭- ২০১৮ অর্থ বছরে কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্পে মাটির কাজ বাস্তবায়নের মোট ২৮৬.৩৭২ মেঃ টন উপ বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  শফিকুর রহমান সিকদার বরাবরে ৭১.৫০০ মেঃটন চাল সরবরাহের আদেশ জারী করেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নোমান হোসেন। যার অনুলিপি ন্যাশনাল প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ২ য় পর্যায়(সিভিআরসি) প্রকল্প কক্সবাজার জেলা প্রশাসক,কক্সবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা,কক্সবাজার, বরাবরে প্রেরন করেন।
সেই শর্ত মোতাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির অপরাপর সদস্যরা গুচ্ছগ্রাম বির্নিমানে মাটির কাজ শুরু করলে এলাকার একটি চিহ্নিত ভুমিদস্যু চক্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগসাজসে ভাড়াটিয়া লোকজন লেলিয়ে দিয়ে গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্পে মাটি ভরাট বন্ধ করে দেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি তাৎক্ষনিক বিষয় টি কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নোমান হোসেন কে অবহিত করলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নোমান হোসেন থানা পুলিশ নিয়ে গুচ্ছ গ্রাম বাস্তবায়ন স্থলে যান। এবং পুনরায় মাটির ভরাটের কাজ শুরু করেন।
এদিকে ভারুয়াখালী এলাকা পরিদর্শন কালে জানা যায়, গুচ্ছ গ্রামে ব্যবহৃত জায়গা প্রকৃত পক্ষে সরকারের ১ নং খাস খতিয়ানের রেকর্ড়ভুক্ত হলে ও দীর্ঘদিন ধরে স্থানিয় প্রভাবশালী চিহ্নিত মহলটি জবরদখলে ছিলেন। তারা মৌসুমে মৌসুমে বর্গা চাষীদের মৌখিক লাগিয়ত করে প্রতিবছর মোটা অংকের টাকা পকেটে পুরতেন। সেই কারনে এডভোকেট নুরুল ইসলাম,ও এডভোকেট সেলিম, প্রবাসী শহিদুল¬াহ,মাস্টার আবুল হোসেন,আবু ছিদ্দিক গং লাল মোঃ সিকদার ভাগাভাগি করে জবরদখল করে নিজেরা ফায়দা লুটার জন্য জমিগুলো দরিদ্র পরিবারের বলে চালিয়ে দিয়ে বিশেষ সুযোগ খোঁজছেন। অথচ এরা সবাই প্রতিপত্তিশালী। ভাড়া করা কিছু মানুষকে তারা ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে নিজেদের রক্ষা করতে এবং সরকারের উন্নয়ন কাজে বাধা দিতে বিএনপি জামায়াত চক্রটি উঠেপড়ে লেগেছে। এসব জবর দখলকারীরা গুচ্ছগ্রামের কর্মকান্ড বন্ধ করতে না পেরে ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  ও গুচ্ছ গ্রাম বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি, বানিয়া পাড়ার শফিকুর রহমান সিকদার, রমিজ আহমদ,গিয়াস উদ্দীন,জসিম উদ্দীন,রহিমুদ্দিন সর্বপিতা মৃত আবু ছিদ্দিক ও চেয়ারম্যান শফিকুর রহমানের পুত্র ওয়াহেদ আরেফিন,বজলুর রহমানের পুত্র শাহীন উদ্দীন, চৌচুলামুরা এলাকার মৃত মোজাহের মিয়ার পুত্র নুরুল হুদা, বানিয়া পাড়ার মৃত আবুল বশরের পুত্র আলম ও সাবেক পাড়ার মমতাজুল হকের পুত্র আমানুল হক কে আসামী করে হাজী রাহমত সালাম নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে জিআর ৫২/১৮ নং ষড়যন্ত্রমুলক মামলা দায়ের করেন। এই মিথ্যা মামলা দায়েরের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা যে কোন মুল্যে সরকারের জনগন বান্ধব গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্প ভারুয়াখালীতে বাস্তবায়নের দাবীতে সরব হয়ে উঠেন। তারা ভারুয়া খালীতে প্রথমে সাংবাদিক সম্মেলন ও পরে সরকারী কাজে বাধাদানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষনা দেন। অবশেষে গতকাল দুপুর ১২ টার সময় কক্সবাজার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তমিান্না ফারাহ চেয়ারম্যন শফিকুর রহমান সিকদার ও জসিম উদ্দিন সিকদারের জামিন মন্জুর করার রায় শোনার সাথে সাথে তা বিদ্যুৎ গতিতে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আর তাতেই গত প্রায় এক মাসের মরা ভারুয়াখালীতে প্রান ফিরে পায়। ভারুয়াখালীর প্রিয় চেয়ারম্যানকে ফিরে পেয়ে আনন্দ আর উচ্ছাসে ভরে যায় এলাকাবাসীর মনে। 
আদালতে চেয়ারম্যানের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড. মোহাম্মদ মোস্তফা, এড. আমজাদ হোসেন, এড. আহমদ কবির, এড. সাজ্জাদ ও এড. তারেক।
চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় জামিন লাভের পর এক প্রশ্নের জবাবে জানান, ভারুয়াখালীবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার প্রকল্প গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমি কথিত ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছি। মাননীয় আদালতে সেই কথিত মিথ্যা মামলায় আমাকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন। এতে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। মহান আল¬াহ পাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। এবং আদালতকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে ভারুয়াখালীবাসীকে ও অভিনন্দন জানাচ্ছি যারা আমার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রির অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

 

এই রকম আরও খবর




Editor: Habibur Rahman
Dhaka Office : 149/A Dit Extension Road, Dhaka-1000
Email: [email protected], Cell : 01733135505
[email protected] by BDTASK